তাসকিন-সানিকে আসন্ন সিরিজেই পেতে আশাবাদী বিসিবি

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা দেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানি। পরীক্ষাশেষে ১১ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরেন এই দুই ক্রিকেটার। দেশে ফিরে ভালো পরীক্ষা দেবার কথা বলেছেন তাসকিন ও সানি। তাদের সাথে আশাবাদী বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।

 

Advertisment

taskin-sani

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সাথে কথোপকথনে এই দুই ক্রিকেটারের ভালো ফলাফলের আশা ব্যক্ত করেন জালাল ইউনুস। এদিকে ২২ সেপ্টেম্বর ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) থেকে এই পরীক্ষার আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল জানানোর কথা আছে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তারা (তাসকিন ও সানি) ৮ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা দিয়েছে। ২০ সেপ্টেম্বর ১০ দিন হবে। এরপর আমাদের আরও দুই-তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। ১৪ দিনের মধ্যেই রেজাল্ট চলে আসার কথা। তারা অপেক্ষা করছে, নির্বাচকরা আশাবাদী তাদের ইতিবাচক ফলাফল আসবে। তাদের নিয়েই দল করা হয়েছে।” 

অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে পরীক্ষা দেবার আগে বাংলাদেশের আয়োজনে পরীক্ষা দিয়েছিলেন তাসকিন ও সানি। সেখানে ভালো ফলাফল পেয়েছেন তারা। তবে ব্যক্তিগতভাবে আশাবাদী হলেও ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছেন জালাল ইউনুস। তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে আশাবাদী। খালি চোখে তাদের ঠিক লেগেছে। যেহেতু এটা একটা বায়োমেকানিক্যাল ব্যাপার, অনেকগুলো ক্যামেরা আছে থ্রিডিতে। তাই কী হয় তা অ্যাসেসমেন্ট করার পরই বুঝা যাবে।”

২৩ তারিখে আইসিসির ফলাফল ইতিবাচক হলে আফগানিস্তান সিরিজেই দেখা যাবে তাসকিন আহমেদকে। আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০ জনের প্রাথমিক স্কোয়াডে আছেন তাসকিন আহমেদ। তবে আরাফাত সানি স্কোয়াডে না থাকলেও ফলাফল ইতিবাচক হলে শেষ মুহুর্তে দলে প্রবেশের সুযোগ আছে।

বিসিবির মিডিয়ার কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস ছাড়াও এর আগে বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন তাসকিনের ভালো ফলাফলের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানির বোলিং অ্যাকশনে সন্দেহ প্রকাশ করেন আম্পায়াররা। এরপর ভারতের চেন্নাইয়ের শ্রী রামচন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা দেন এই দুই ক্রিকেটার। পরে রিপোর্টের ভিত্তিতে আইসিসি তাদের অ্যাকশনে ত্রুটি থাকায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করে। ফলে বিশ্বকাপের মাঝপথেই দেশে ফিরে আসতে হয় এই দুই ক্রিকেটারকে। দেশে ফিরেই অ্যাকশন শুধরানো শুরু করে তাসকিন ও সানি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে পরীক্ষা দিয়ে ভালো ফলাফল পাবার পরেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য আবেদন করে বিসিবি।