দুঃসময়ে এখন আর ভেঙে পড়ি না : রাব্বি

জাতীয় দলের সাথে আছেন অনেকদিন ধরে। জাতীয় দলে না খেললেও শীর্ষ পর্যায়ের ক্রিকেটে তিনি পরিচিত এক মুখ। ক্যারিয়ারে উত্থান-পতন দুই-ই দেখা হয়েছে। তবে দুঃসময় এলে এখন আর ভেঙে পড়েন না ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বি। মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে নিজের ব্যাটিংকে আরও শাণিত করার প্রত্যাশাও তার। 

দুঃসময়ে এখন আর ভেঙে পড়ি না ইয়াসির

রাব্বি বলেন, ‘গত এক বছরে আমার মানসিকতার অনেক উন্নতি হয়েছে। আগে এক-দুইটা খারাপ ইনিংস খেললে বা খারাপ সময় আসলে ভেঙে পড়তাম। এখন ওরকম নেই। এখন আমি জানি ভালো সময়ে কীভাবে ফেরা যায়।’

Also Read - টেস্ট সিরিজের আম্পায়ারদের তালিকা চূড়ান্ত, অভিষেক হচ্ছে সৈকতের

টাইগারদের সাবেক ব্যাটিং কোচ নেইল ম্যাকেঞ্জি কাজ করেছিলেন রাব্বিকে নিয়ে। নতুন কোচ জন লুইসের কাছ থেকেও সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা রাব্বির। জানালেন, জাতীয় দলের সাথে থাকতে পেরে কতটা রোমাঞ্চিত তিনি।

রাব্বি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, অনেক ভালো একটা অনুভূতি। প্রায় এক বছর পর আমরা টেস্ট ক্রিকেটে নামছি। আর সেটা যদি হয় চট্টগ্রাম, আমার হোমটাউন… অন্যরকম একটা রোমাঞ্চ কাজ করছে। জানি না একাদশে থাকার সুযোগ হবে কি হবে না। তবে দলের সাথে এই জায়গায় আছি এটাই আমার জন্য অনেক দারুণ অনুভূতি।’

খেলা হোক বা না হোক, ক্যাম্পে থাকা সিনিয়রদের কাছ থেকে শিখতে একচুলও পিছিয়ে নেই চট্টগ্রামের তরুণ এই ক্রিকেটার। রাব্বি বলেন, ‘সাকিব ভাই, তামিম ভাই, মুশফিক ভাই, রিয়াদ ভাই- সবাইকে আগে কখনো একসাথে পাইনি। তাদের সাথে ড্রেসিংরুম শেয়ার করতে পারছি, এ নিয়ে অনেক রোমাঞ্চিত ছিলাম। টেস্টে এসে আবার তিনজনকে পাচ্ছি। তামিম ভাই সাকিব ভাইদের খেলা দেখে ছোট থেকে বড় হয়েছি। অনেক রোমাঞ্চিত; বলতে পারব না, ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।’

‘সিনিয়র ভাইদেরকে যতই দেখি ততই আসলে অবাক হই। মুশফিক ভাইর কথা তো আমরা সবাই জানি। সাকিব ভাই তামিম ভাইও এই পর্যায়ে এসে যে হার্ড ওয়ার্ক করে। ওদের সাথে সবসময় কথা বলি এসব বিষয় নিয়ে। এখন যে যুগ, নিজেকে ওভাবে তৈরি না করলে খেলা খুব কঠিন হয়ে যায়। সবার কাছ থেকেই ভালো ভালো জিনিস শেখার চেষ্টা করছি।’