দুই কোচ নিয়োগের কথা জানেনই না সুজন!

বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে নতুন দুইজন স্টাফ নিয়োগ দেওয়া হলেও তা জানতেন না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।

পারফর্মারের প্রশ্নে সুজনের কণ্ঠে 'সাম্যবাদী' সুর

Advertisment

কোচ নিয়োগের মত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার সাধারণত দেখভাল করে ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগ। গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান সুজন আছেন ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগেও, যেখানে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) আবাহনী লিমিটেডের কোচিংয়ে ব্যস্ত থাকা সুজন দুই কোচের নিয়োগের ব্যাপারে কিছুই জানতেন না।

সুজন বলেন, ‘আমি তো অপারেশন্সের ভাইস চেয়ারম্যান। আমি পরে আপনাদের কাছ থেকে জেনেছি যে দুইজন কোচ নিয়োগ করা হয়েছে। আমাকে কেউ জানায়নি। হয়ত বাবলে ছিলাম বলে… বাবলে তো ফোন ছিল। হেরাথের কথা আমিই প্রথমে বলেছিলাম বিসিবিকে।’

২৬ জুন রঙ্গনা হেরাথকে স্পিন কোচ ও অ্যাশওয়েল প্রিন্সকে ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় বিসিবি। এই ব্যাপারটির মত বোর্ডের অনেক ব্যাপারই যে সুজনের অজানা থেকে যায়, তা খোলাসা করেছেন সুজন নিজেই।

তিনি বলেন, ‘আমি এখনও অপারেশন্সের ভাইস চেয়ারম্যান আছি কি না এটাই নিশ্চিত নই। নামে আছি, কিন্তু আমার কোনো মিটিংয়ে থাকা হয় না বা আমাকে ডাকাও হয় না। মাঝখানে দুই বছর ইমেইলই পাইনি। এখন তাও মাঝেমাঝে পাই।’ 

‘আমাকে জানানোর প্রয়োজন মনে না করে তাহলে আমি জানব কীভাবে?’ 

কয়েকদিন আগে সুজন সরে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় দলের টিম লিডারের পদ থেকে। তার মধ্যে যে চাপা অসন্তোষ কাজ করছে তা স্পষ্টই ছিল, তবে আরও স্পষ্ট হল সোমবারের এই বক্তব্যে। সুজন আরও বলেন, ‘পাপন ভাই তো দায়িত্ব দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন। এমন নয় যে বলেন তুমি এটা কেন করলে, এটা কেন করলে না, এটা করতে পারব না। উল্টো আমি যা চাই উনি আমাকে সবসময় সাপোর্ট করার চেষ্টা করেন।’