‘দুই ধরনের মানসিকতা থাকায় এই অবস্থা দাঁড়িয়েছে’

0
512

বৃষ্টিতে প্রথম দু’দিন ভেসে গিয়েছিল। খেলা হলো শেষ তিন দিন। তার মধ্যে আবার বৃষ্টি বাগড়ায় একদিন ২৫ ওভারের মত খেলা হয়নি। তবুও ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে এক ইনিংস ও ১২ রানের ব্যবধানে হারতে হলো বাংলাদেশকে।

 

Advertisment

ব্যাটসম্যানদেরই দায়টা নেওয়া উচিত

প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের করা ৪৩২ রানের জবাবে বাংলাদেশের দুই ইনিংস থামলো ২১১ ও ২০৯ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ৬৭ এবং মোহাম্মদ মিঠুনের ৪৭ রান সত্ত্বেও ইনিংস পরাজয় এড়াতে পারেনি টাইগাররা।

প্রথম ইনিংসে টাইগারদের ব্যাটিং ধ্বসের মূল কারণ ছিলেন ট্রেন্ট বোল্ট আর নেইল ওয়াগনার। দ্বিতীয় ইনিংসেও এই যুগলের গতিঝড়ের সামনেই কাবু সফরকারি দলের ব্যাটসম্যানরা।

প্রায়ই আড়াই দিনে তেমন কোন প্রতিরোধ গড়তে পারেনি সফরকারী ব্যাটসম্যানরা। উল্টো নিউজিল্যান্ডের এক নেইল ওয়াগনারের শর্ট বলে ধরাশায়ী হয়েছে দুই ইনিংসে। দুটি টেস্টে ইনিংসে হারায় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতাকে।

ব্যাটসম্যানদের দোষগুলো খুব ভালো করেই মাহমুদউল্লাহ তুলে আনলেন ম্যাচ শেষে। মাহমুদউল্লাহ  বলেন  ‘আসলে দুই ধরনের মানসিকতা থাকায় এই অবস্থা দাঁড়িয়েছে। প্রথম ইনিংসে তামিম ও সাদমান আমাদের ভালো শুরু এনে দিয়েছিলো। এমনকি ওয়াগনার বাউন্সার নিয়ে আক্রমণ করলেও তাকে সামাল দিয়ে খেলেছি। কিন্তু আমরা পরে নিজেরাই সুযোগ দিয়েছি।’

মাহমুদউল্লাহ আরো বলেন, ‘আমাদের আরও লম্বা সময় ধরে বুক চিতিয়ে ব্যাট করার দরকার ছিলো। বেশির ভাগ ব্যাটসম্যান দায়সাড়া গোছের শট খেলেছে। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম না। আমরা দুই ধরনের মানসিকতায় চলছিলাম- শট খেলবো কি খেলবো না।’

চতুর্থ দিনে নিউজিল্যান্ডের রস টেলরের দুটি ক্যাচ মিস হয়েছে আবু জায়েদের ওভারে। মাহমুদউল্লাহ মনে করেন সেই সুযোগগুলো নিতে পারলে বোলারদের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যেত। তাহলে মোমেন্টামও বদলে যেত।

মাহমুদউল্লাহ  বলেন, ‘আমরা সুযোগ নিতে পারলে মোমেন্টাম ভালো অবস্থায় দাঁড়িয়ে যেত। বোলারদের পক্ষে চলে আসতো। তাহলে আরও কিছু উইকেট পড়তো।’ এই অবস্থায় শেষ টেস্টে ভালো বোলিংয়ের দিকে মনোযোগ মাহমুদউল্লাহর, ‘আবু জায়েদ, মোস্তাফিজ ও তাইজুল ভালো বল করলেও গড় প্রতি ৫ রান করে দিয়েছে। তাই আমাদের শেষ ম্যাচে ভালো বোলিং করার প্রতি মনোযোগ দিতে হবে।’