দুর্নীতির দায়ে হংকংয়ের তিন ক্রিকেটার সাময়িক নিষিদ্ধ

অ্যান্টি করাপশন আইন ভঙ্গের দায়ে হংকংয়ের তিনজন ক্রিকেটারকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। এরা হলেন- নাদিম আহমেদ, হাসিব আমজাদ ও ইরফান আহমেদ।

সোমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) একটি বিবৃতি প্রকাশ করে যাতে ইরফান আহমেদের বিরুদ্ধে নয়টি এবং নাদিম ও হাসিবের বিরুদ্ধে পাঁচটি করে মোট ১৯টি অভিযোগ আরোপ করা হয়।

Also Read - জালিয়াতির ফাঁদে পা দিলেন যুবরাজ সিংয়ের মা

অভিযোগে বলা হয়, ইরফান আহমেদ ২০১৪ সালের ১৩ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হংকং বনাম স্কটল্যান্ড ম্যাচ, একই বছর ১৭ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হংকং বনাম কানাডা ম্যাচ, এছাড়া একই বছর ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হংকং বনাম জিম্বাবুয়ে ম্যাচ, ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টির বাছাইপর্ব এবং ২০১৬ সালে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টিসহ বিভিন্ন সময় আইসিসি অ্যান্টি করাপশন আইন ২০১২ এর ২.১.১, ২.১.৩, ২.৪.২ অনুচ্ছেদ এবং ২০১৪ এর ২.৪.২ ও ২.১.৩ অনুচ্ছেদসহ একাধিক আইন ভঙ্গ করেছেন।

এছাড়া হাসিব আমজাদ ও নাদিম আহমেদও এসব ম্যাচে একাধিক আইন ভঙ্গ করেন বলে অভিযোগ আইসিসি’র।  বারংবার সতর্ক করেও কোন ফল না পাওয়ায় এবার তাদের নিষিদ্ধ করল সংস্থাটি।  সেই সাথে নিষিদ্ধ এ খেলোয়াড়দের দু’সপ্তাহ সময় দেয়া হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে জবাবদিহিতা পেশ করার জন্য।

উল্লেখ্য এর আগেও ইরফান আহমেদকে দুর্নীতির দায়ে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।  ২০১৬ সালে এই ব্যাটসম্যানের প্রতি অভিযোগ আনা হয়, তিনি আইসিসির অ্যান্টি কারপশন অ্যান্ড সিকিউরিটি ইউনিটের আইন ভঙ্গ করেছেন। এ কারণে তখন সাময়িক সময়ের জন্য তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক সংস্থাটি।

তখন আইসিসি জানিয়েছিল, “বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ বাবদ কী পরিমাণ অর্থ তিনি আয় করেছেন, কিংবা বিভিন্ন আমন্ত্রণের বিস্তারিত আকসুর সামনে পেশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। মোট কথা, সম্পদের উৎস তিনি দেখাতে পারেননি। যার ফলে আকসুর আইন ভঙ্গ হয়েছে বলে জানিয়েছিল আইসিসি। ”

এবিষয়ে তখন আইসিসির এক মূখপাত্র ক্রিকইনফোকে বলেছিলেন, ‘আইসিসির কোড অব কন্ডাক্ট অনুসারে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং একটি ডিসিপ্লিনারি প্রক্রিয়া চলমান। ’


Read in English : Three Hong Kong players suspended for breaching Anti-Corruption Code