Score

দেখুন মাশরাফির দুর্দান্ত উড়ন্ত ক্যাচ

জিতলেই ফাইনাল- এমন সমীকরণকে সামনে রেখে দুই এশিয়ান পরাশক্তির ম্যাচটি পাচ্ছিল অঘোষিত সেমিফাইনালের মর্যাদা। সেই ‘সেমিফাইনালে’ টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। প্রথমে ব্যাটিং করে ২৪০ রানের লক্ষ্য বেধে দেয় বাংলাদেশ।

Mashrafe takes a flying catch
দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে মালিককে ফেরানোর পর মাশরাফি

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নামা পাকিস্তানকে শুরুতেই ভড়কে দিয়েছিল বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপ। দলীয় রান ২০ পার হওয়ার আগেই সাজঘরে স্বাগতিকদের তিন ব্যাটসম্যান। দ্রুত অলআউট করার যে আশা পুষেছিল বাংলাদেশ, সেই আশার গুঁড়েবালি হল ইমাম-উল-হকের ব্যাটে। তাকে কিছুক্ষণ যোগ্য সঙ্গ দিয়ে শোয়েব মালিক ব্যক্তিগত ৩০ রানের মাথায় ফিরলেও ইমাম পথ হারাননি। ২৪ বল খেলে মাত্র ৪ রান করা শাদাব খানকে ফিরিয়ে সৌম্য সরকার উল্লাস করতে পারেননি বেশিক্ষণ। কারণ তার বিদায়ে ক্রিজে আশা আসিফ আলী ইমামের সাথে মিলে হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের জয়ের পথের কাঁটা।

তবে সেই কাঁটা দূর করার দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করলেন উইকেটের পেছনে থাকা লিটন। ইমামকে রিয়াদের বলে এবং আসিফকে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্ট্যাম্পিং করে প্রায়শ্চিত্তও করলেন যেন একটি সহজ ক্যাচ মিসের। প্রায়শ্চিত্ত হোক বা যা-ই, লিটনের ঐ দুটি স্ট্যাম্পিংই ম্যাচে ফেরায় বাংলাদেশকে। দুটি চার ও একটি ছক্কায় ১০৫ বলে ৮৩ রান করা ইমাম ও তিনটি চারে ৪৭ বলে ৩১ রান করা আসিফের পর পাকিস্তানকে পথ দেখানোর মত কেউ ছিলেন না অপরাজিত ব্যাটসম্যানদের মধ্যে।

Also Read - তৃতীয়বারের মত এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের একাদশে এদিন স্পেশালিষ্ট বোলার ছিলেন চারজন। পুরো ১০ ওভার বল করে একজন বোলারের অভাক ঘুচিয়েছেন রিয়াদ। রিয়াদের সমান ইকোনোমি রেটে (৩.৮) ৫ ওভার বল করেছেন সৌম্যও। তাতে মাশরাফি, মুস্তাফিজ, মিরাজ এবং রুবেলের উপর থেকে চাপ কমেছে, একইসাথে দৃশ্যমান হয়েছে দলের পার্ট টাইম বোলারদের কার্যকারিতাও। তবে সবাইকে ছাড়িয়ে এদিন বোলার মুস্তাফিজ যেভাবে দ্যুতি ছড়িয়েছেন, যাতে ঝলসে গেছে পাকিস্তানের দৃষ্টি। তার বলেই হাসান আলীর কঠিন এক ক্যাচ নিয়ে অধিনায়ক মাশরাফি জয়োল্লাসের ছন্দ এনে দেওয়ার পাশাপাশি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন রুবেলের বলে মালিককে ফেরানো দুর্দান্ত ক্যাচটিও।

তবে তিন উইকেট শিকারের পরও মুস্তাফিজের উইকেট-ক্ষুধা মিটছিল না যেন। দলীয় ১৮৬ রানের মাথায় মোহাম্মদ নাওয়াজের শট তালুবন্দী করেন বদলি ফিলদার নাজমুল হোসেন শান্ত, তাতে আরও একটি উইকেট যোগ হয় মুস্তাফিজের ঝুলিতে। শেষ উইকেটটি কেউ শিকার করতে না পারলেও বাংলাদেশের জয়ে কোনো বাঁধা আসেনি। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারানো পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০২ রান। এতে ৩৭ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। গত আসরেরও দুই ফাইনালিস্টের মধ্যকার ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে পাঁচটায়।

এখানে ক্লিক করে দেখুন ম্যাচের সম্পূর্ণ স্কোরকার্ড

দেখুন মাশরাফির দুরন্ত উড়ন্ত ক্যাচ

Related Articles

মেডিকেল রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করছে সাকিবের এনওসি

এই মিরাজ অনেক আত্মবিশ্বাসী

মিঠুনের ‘মূল চরিত্রে’ আসার তাড়না

‘আঙুলটা আর কখনো পুরোপুরি ঠিক হবে না’

এক নয় মাশরাফির তিন ইনজুরি