Score

দেহরক্ষী রূপে হাসপাতালে সাকিব কন্যা

পরপর অস্ত্রোপাচারে যেন ব্যকুল করে তুলছে সাকিব কন্যা আলায়না হাসান অব্রিকে। আর তাই বাবার ব্যাথা প্রতিরোধে নিজেই ঢাল হয়ে দাড়িয়েছেন।  দেহরক্ষীর ভূমিকা নিয়ে হাসপাতালেই ঘাঁটি গেড়ে বসেছেন এ ক্ষুদে সৈনিক।

শনিবার রাতে হাসপাতালের বেডে শোয়া অবস্থায় মেয়ের সাথে তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করে এমনটাই জানিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তাকে যেন কোন ভাবেই আর ব্যাথা না দিতে পারে তাই ডাক্তারদেরও কাছে ঘেষতে দিচ্ছে না অব্রি বলে জানান তিনি।

ছবির সাথে সাকিব লিখেন, “She would not leave my sight! My protective daughter keeps the doctors away from so they can’t hurt me” অর্থাৎ কিছুতেই আমাকে চোখের আড়াল করতে চাইছে না! ডাক্তারদেরও দুরে সরিয়ে রাখছে যাতে আমাকে আর কেউ ব্যাথা দিতে না পারে”

চলতি বছরের শুরুতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল খেলার সময় ইনজুরিতে পড়েন সাকিব আল হাসান। ইনিংসের ৪২তম ওভারে ফিল্ডিং করতে গিয়ে বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুলে চোট লাগে তার। এর ফলে বেশ কয়েকটি ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হয় তাকে।  প্রয়োজন ছিল অস্ত্রোপাচারের। তবে একের পর এক সিরিজ মোকাবেলায় দলের প্রয়োজনে এক প্রকার বাধ্য হয়েই আবার মাঠে ফিরতে হয় তাকে।

Also Read - বাবা হলেন তাসকিন

যোগ দেন ওয়েষ্ট ইন্ডিজ সিরিজে।  কথা ছিল সিরিজ শেষেই অস্ত্রোপাচার করাবেন।  কিন্তু বাধ সাধে এশিয়া কাপ। প্রথমে না খেলার সম্ভাবনা থাকলেও বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপনের অনুরোধে শুধু ইনজেকশনের উপর ভিত্তি করেই এশিয়া কাপ খেলতে দুবাই পাড়ি জমান সাকিব।

প্রথম চার ম্যাচে সব ঠিক থাকলেও সুপার ফোরের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলার পর হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে আঙুল ফুলে গেলে জরুরী ভিত্তিতে দেশে ফিরতে হয় তাকে। পরে হাতের ব্যাথা ও ফোলা ভাব আরও বাড়লে বাধ্য হয়েই রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি হন।তিনি। ডাক্তারি পরীক্ষায় হাতে ইনফেকশনের ফলে ৬০ থেকে ৭০ সে.মি পুঁজের অস্তিত্ব ধরা পড়লে সাথে সাথেই অস্ত্রোপাচার করে তা বের করা হয়। এরপর আরও একটি সার্জারি করাতে হয় তাকে।

 

View this post on Instagram

 

She would not leave my sight! My protective daughter keeps the doctors away from so they can’t hurt me😘😘😘

A post shared by shakib al hasan (@shaki_b75) on

পরপর সার্জারীর খবরেই হয়তোবা ভয় জমে সাকিব কন্যা অব্রির কোমলমতি শিশুমনে। বাবাকে আরও ব্যাথা দেয়া হবে এই শঙ্কায় হাসপাতাল ছাড়তে নারাজ হয়ে ওঠে সে।

অন্যদিকে অবস্থার উন্নতির ওপর ভিত্তি করে আজ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে পারেন সাকিব। তবে ছাড়া পেলেও আগামী দু’সপ্তাহ পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ককে।

Related Articles

“খেলায় আপস অ্যান্ড ডাউনস থাকবেই”