Scores

‘দ্রুত অধিনায়কত্ব পাওয়াটা আমার জন্য সঠিক ছিল না’

জাতীয় দলে অভিষেকের তিন বছরের মধ্যেই অধিনায়কত্বেরে গুরু দায়িত্ব পেয়ে গিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। তবে সেটা সুখকর হয়েছিল না। নানান বিতর্কের মধ্যে দিয়ে ২ বছর পরই অধিনায়কত্ব হারাতে হয়েছিল তাকে। সাকিব মনে করেন, ওই সময়ে অধিনায়কত্ব পাওয়াটা তার জন্য বেশ তাড়াতাড়ি ছিল এবং সে সময় তার নিজেরও কিছু ভুল সিদ্ধান্ত ছিল যেগুলো এখন হয়তো করতেন না।

২০০৬ সালে জাতীয় দলে অভিষেক সাকিবের। দ্রুতই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের আসনে শীর্ষে উঠে যান। ২০০৯ সালেই পেয়ে যান সহ-অধিনায়কত্ব, তারপর তো নিজেই অধিনায়ক হয়ে যান। ২০১১ বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দেন। তারপর আবার বিতর্কিতভাবে হারান অধিনায়কের দায়িত্ব। সাকিবের মতে এসব কিছুই অনেক দ্রুত হয়ে গিয়েছিল।

Also Read - পঞ্চপাণ্ডবের বিকল্প হিসেবে যাদের উপর ভরসা সৌম্যর


সম্প্রতি ক্রিকবাজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, ‘আমার মনে হয় ২৮ বছর বয়সের আগে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নেয়া উচিত না। কিন্তু আমি অধিনায়কত্ব পেয়েছিলাম মাত্র ২২ বছর বয়সে। আসলে ওটা সঠিক সময় ছিল না, একটু তাড়াতাড়িই ছিল। আমার তখন পাশে এমন একজনের দরকার ছিল যিনি আমাকে পরামর্শ দিতে পারেন, সঠিক পথ দেখাতে পারেন। হ্যা, আমি সৌভাগ্যবান যে আমার পাশে এমন কিছু মানুষ পেয়েছিলাম। তবুও আমার মনে এটা তাড়াতাড়িই ছিল।’

সাকিব স্বীকার করেন, তিনি বুদ্ধি খাটানোর থেকে মনের ডাক ও গায়ের জোরেও অনেক কিছু সম্ভব করতে চাইতেন। কিন্তু না হলেও হতাশ হতেন, রাগান্বিত হতেন। তবে বয়সের কারণে এসব ভুল হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন।

সাকিবের ভাষায়, ‘যদি পেছনে ফিরে দেখি, এখন নিজেকে দেখলে মনে হয় আমি অনেক কিছুই আরও ভালো করতে পারতাম। কারণ ওই সময়টাতে বেশির সিদ্ধান্ত নেয়া হয় আবেগ থেকে, বুদ্ধি খাটিয়ে নয়। অনেক তরুণ ছিলাম। বলে নাহ, তাজা রক্ত গায়ের জোর দিয়েই বলে আমি এটা পারব! আমিও এমনই ছিলাম তখন। ভাবতাম আমি যা করছি, যা বুঝছি সবই সঠিক।’

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের মতে ২৮ বছর বয়সের আগে অধিনায়কত্ব নেয়াটা উচিত না, ‘তবে এখন আমি সত্যিই বুঝি। বুদ্ধি দিয়েই কাজ করি। আর এখন ভুল সিদ্ধান্তের থেকে সঠিক সিদ্ধান্তই বেশি আসে। তাই আমি আবারো বলবো, ২৮ বছরের আগে অধিনায়কত্ব নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমন নয় যে অধিনায়কত্বটা আমার পারফর্মে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিল। আসলে এটা আমাকে অনেক চাপে ফেলে দিয়েছিল। দেখা যেত অনেক সময়েই আমি পারফর্ম করছি কিন্তু দলগত পারফর্ম না হওয়ায় দল হারতো। তখন আমি এটা মেনে নিতে পারতাম না। কিন্তু এখন আমি এগুলো বুঝি। এখন বুঝি কীভাবে অধিনায়কের সব মানিয়ে নেয়া উচিত। কিন্তু শুধু ভাবতাম তোমাদের ভালো খেলতেই হবে এবং জিততে হবে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে আবারো টি-টোয়েন্টি সংস্করণ দিয়ে অধিনায়কত্বের দায়িত্বে ফেরেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্বও তুলে দেয়া হয়েছিল তার কাঁধে। কিন্তু চোট ও নিষেধাজ্ঞার জন্য এবারো তা স্থায়ী হলো না।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

২০২১ টি-২০ বিশ্বকাপ ভারতে, বাড়ল অস্ট্রেলিয়ার অপেক্ষা

আইপিএলের জন্য সিরিজ পেছাল ইংল্যান্ডও

আবারো সন্ত্রাসী হামলার শিকার পাকিস্তানের ক্রিকেট

শীঘ্রই দেশে ফিরছেন সাকিব

১১ নং ব্যাটসম্যানের নির্ভয় ব্যাটিংয়ে প্রতিপক্ষেরও করতালি