নাসিরের দলের বিশাল পরাজয়

0
491

হারের বৃত্তেই ঘুরপাক খাচ্ছে নাসির হোসেনের দল। আবুধাবি টি-১০ লিগের চলমান আসরের ১৭তম ম্যাচে দিল্লি বুলসের মুখোমুখি হয়েছিল পুনে ডেভিলস। ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানের হারটিও লজ্জাজনকও ছিল বটে।

নাসিরের দলের লজ্জাজনক হার

Advertisment

টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি বুলস। পুনে ডেভিলসের শুরুটা দেখে মনে হয়নি কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের জন্য এক লজ্জাজনক অবস্থা আসতে যাচ্ছে। দ্বিতীয় ওভারে ২১ রানে পুনে ডেভিলস প্রথম উইকেট হারায়। পরের ওভারেই দুইটি উইকেট শিকার করেন আমাদ বাট। ৩১ রানে ৩ উইকেট হারায় পুনে ডেভিলস।

এক ওভার বাদেই ধ্বংসযজ্ঞ চালান আলি খান। যুক্তরাষ্ট্রের এই পেসার এক ওভারেই শিকার করেন তিনটি উইকেট। নিজের প্রথম বলেই অ্যালেক্স ডেভিসকে শিকার করেন আলি। তার শিকার হয়েই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান নাসির। এই ম্যাচেও রানের খাতা খোলা হয়নি নাসিরের। খেলেছিলেন তিনটি বল। একই ওভারে করণ কেসিকেও সাজঘরের পথ দেখান আলি।

নির্ধারিত ১০ ওভারে পুনে সংগ্রহ করতে পারে কেবল ৫৭ রান। হারায় ৭টি উইকেটই। পুনে ডেভিলসের পক্ষে সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৫ রান (১৮ বল) করেন ডেভন থমাস ও কেনার লুইস ৭ বলে ১৫ রান করেন।

আলি তিনটি উইকেট শিকার করলেও কোনো রান খরচ করেননি। আমাদ দুইটি উইকেট শিকার করেন ২২ রানের বিনিময়ে।

সহজ লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে সহজেই জয় পেয়ে যায় দিল্লি বুলস। রহমতউল্লাহ গুরবাজ ও এভিন লুইসের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৩৯ রান। রবি বোপারা ২ রান করতেই মুনিস আনসারীর বলে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মনির হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। অবশ্য তাতে দিল্লির জয় পেতে কোনো বেগ পেতে হয়নি।

লুইস ও শেরফেন রাদারফোর্ড দিল্লি বুলসের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। তারা যথাক্রমে ১৩ ও ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন। নাসির ৪ বলে খরচ করেন ১৫ রান। দিল্লি পায় ৮ উইকেটের জয়।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

পুনে ডেভিলস ৫৭/৭ (১০ ওভার)
থমাস ১৫*, লুইস ১৫;
আলি ০/৫, আমাদ ২/২২।

দিল্লি বুলস ৫৮/২ (৪.৪ ওভার)
রহমতউল্লাহ ২৬, রাদারফোর্ড ১৪*, লুইস ১৩*;
আমির ১/২৩, মুনিস ১/১৮।

দিল্লি বুলস ৮ উইকেটে জয়ী।