নিজ দেশের ভ্যাকসিন নেবেন না কোহলিরা

করোনার ভয়াল থাবা থেকে বাঁচতে এবার ভ্যাকসিন বা টিকার আওতায় আসছে ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল। তবে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা নিচ্ছেন না নিজ দেশের টিকা।

নিজ দেশের টিকা নেবেন না কোহলিরা
ইংল্যান্ডে কঠিন সফরে যাওয়ার আগে ভ্যাকসিন গ্রহণ করবেন কোহলিরা। ফাইল ছবি

করোনার সংক্রমণ এখনও না কমলেও এর ছড়িয়ে পড়া রুখতে অনেক দেশে তৈরি করা হয়েছে ভ্যাকসিন। কোনো ভ্যাকসিনই শতভাগ সুরক্ষা দিতে না পারলেও উল্লেখযোগ্য নিশ্চয়তা দিচ্ছে অনুমোদিত সব ভ্যাকসিনই।

Advertisment

এর মধ্যে আছে ভারতের আবিষ্কৃত ভ্যাকসিনও। কোভ্যাক্সিন নামক এই ভ্যাকসিন ভারতের ভয়ানক করোনার প্রজাতি রুখে দেওয়ার জন্য কার্যকরী বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। বর্তমানে পুরো বিশ্ব তটস্থ করোনার ভারতীয় ডাবল মিউট্যান্ট ধরনের কারণেই।

তবে এতকিছুর পরও ভারতীয় দলের সদস্যদের দেওয়া হবে ইংল্যান্ডে আবিষ্কৃত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিন। অর্থাৎ, কোহলিরা নিজ দেশে আবিষ্কৃত ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না। এর কারণও খোলাসা করেছে দলের একটি সূত্র।

ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ও আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে ভারতীয় দল কয়দিন পরই উড়াল দেবে। তার আগে কোহলিদের দেওয়া হবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ। কারণ, ইংল্যান্ডে অবস্থানকালে কোহলিরা নিজ দেশে আবিষ্কৃত কোভ্যাক্সিন গ্রহণ করতে পারবেন না। সেখানে অবস্থান করতে হবে দীর্ঘ চার মাস। দ্বিতীয় ডোজের সময় একমাত্র ভরসা অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন।

দলীয় সূত্র জানায়, ‘এটি অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা, যেটি আবার ইংল্যান্ডের কোম্পানি। ফলে ইংল্যান্ডে গিয়ে দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবে তারা। এখানে অন্য কোনো টিকা নিলে সেটা কোনো কাজেই লাগবে না।’

টেস্ট দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটাররা অবশ্য কোভ্যাক্সিনই নিতে পারবেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ অনেকেই এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশে যে প্রতিষেধক ব্যবহার করা হচ্ছে, তা-ই অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন। অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলা মেনে ভারতে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইন্সটিটিউটের তৈরিকৃত এই ভ্যাকসিন উপমহাদেশে পরিচিত হচ্ছে কোভিশিল্ড নামে। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন।