Scores

নিজ প্রচেষ্টায় নিজেদের প্রস্তুত রেখেছেন রাহী, এবাদত, খালেদ

প্রায় এক বছর হতে চললো বাংলাদেশ দল সর্বশেষ লাল বলে খেলেছিল। এত দীর্ঘ সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে টাইগার দলের সাদা পোশাকের তিন পেস বোলার। সকল পরিস্থিতিতেই তারা নিজেদের প্রস্তুত রেখেছেন যেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে গিয়ে হঠাৎ করে চাপ অনুভূত না হয়।

নিজ প্রচেষ্টায় নিজেদের প্রস্তুত রেখেছেন রাহী, এবাদত, খালেদ
মুস্তাফিজুর রহমান, আবু জায়েদ রাহী ও খালেদ আহমেদ

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বশেষ বাংলাদেশ। অবশ্য দেশের মাটিতে টেস্ট খেলা হলে পেসারদের জন্য খুব বেশি কিছু থাকেও না। স্পিন নির্ভর পিচ তৈরি করার ফলে সেখান থেকে পেসাররা তেমন একটা সহায়তা পান না। ফলে বাংলাদেশের পেসারদের রেকর্ডটা মোটেও ভালো না। এমনকি এই রেকর্ডে জিম্বাবুয়েরও নিচে বাংলাদেশের অবস্থান। দীর্ঘ বিরতির পর তাই ভালো শুরুর আশায় আছেন পেসার আবু জায়েদ চৌধুরি রাহী।

রাহী বলেন, ‘অপেক্ষা বলতে সর্বশেষ ফেব্রুয়ারিতে আমরা জিম্বাবুয়ের সঙ্গে শেষ টেস্ট খেলছিলাম তারপর প্রায় একবছর পর টেস্ট ক্রিকেট হচ্ছে। হ্যা, অনেক দিন অপেক্ষায় ছিলাম কারণ অনেক দিন ধরে টেস্ট ক্রিকেট হয় নাই। মাশা-আল্লাহ এখন আবার ক্রিকেট শুরু হয়েছে, টেস্ট ক্রিকেট শুরু হচ্ছে। আমরা যদি শুরুটা ভালো করি তাহলে আমাদের জন্য ভালো হবে।’

Also Read - ইয়াসির-নোমানদের ঘূর্ণিতে নাস্তানাবুদ প্রোটিয়াদের বড় হার


দীর্ঘ বিরতি ছিল ঠিকই কিন্তু তাই বলে তো বসে থাকা চলে না। সিলেটের তিন পেসার, রাহী, খালেদ আহমেদ ও এবাদত হোসেন ঠিকই নিজেদের প্রস্তুত করে রেখেছেন যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেদের সেরাটা নিংড়ে দেওয়ার জন্য। করোনা মহামারীতে ক্রিকেট বন্ধের সময়েও নিজ উদ্যোগে সিলেট স্টেডিয়ামে তারা অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন। নিজেদের প্রস্তুতি সম্পর্কে রাহী জানান,

‘এত দীর্ঘ সময় নিজেদের মাঝে অনুশীলন করছি। অনেক সময় সিলেট স্টেডিয়ামে আমরা আমাদের অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছি, আমি, এবাদত, খালেদ। তো আমরা চেষ্টা করেছি যে যখন ক্রিকেট শুরু হবে যেন আমাদের বোলিংয়ের চাপ আছে সেটা যেন সঠিক থাকে। কবে ক্রিকেট শুরু হবে আর কবে শুরু হবে না এটা নিয়ে চিন্তা করি নাই। আমরা চেষ্টা করছি আমরা আমাদের প্রক্রিয়াতে এগোনোর জন্য।’

নিজ উদ্যোগে অনুশীলনের পরে এখন ফিরেছেন জাতীয় দলের অনুশীলনে। পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসনের অধীনে প্রস্তুতি নিচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকা বধের। কোচের অধীনে অনুশীলনকে উপভোগ করছেন তারা।

রাহীর ভাষায়, ‘অনেক দিন পরে এতো লম্বা সেশন অনুশীলন করতেছি। সত্যি কথা বলতে ভালোই লাগতেছে কারণ অনেকদিন পরে মাঠে আসছি, অনেক সময় অনুশীলন করতেছি এবং উদ্দেশ্যটাও ভালো। আমরা আমাদের কাজগুলো করছি। কোচও সাহায্য করছে আমাদের অনুশীলনের জন্য, আমাদের বোলিং স্কিলের জন্য। আমরা পেস বোলাররা উপভোগ করছি।’

Related Articles

টেস্টে সুযোগ পেলে তাসকিনের মতো লম্বা স্পেলে বোলিং করতে চান শরিফুল

আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি মিরাজ-লিটন-তাইজুলের

রাহী-তাইজুলদের নৈপুণ্যে ব্যাটিং বিপর্যয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

প্রথম দিনে সমানে সমান লড়াই

রাহী-সৌম্যর কল্যাণে দ্বিতীয় সেশন বাংলাদেশের