নিলাম করে আয়োজিত হবে আইসিসির আসরগুলো

0
1014

 

হঠাৎ করেই আইসিসির প্রধান নির্বাহী মানু সোহনি ও বাণিজ্যিক মহাব্যবস্থাপক ক্যাম্পবেল জেমিসন বাংলাদেশ সফরে এসেছেন রবিবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে। আগামীতে আইসিসির আসরগুলো নতুন নিয়মে আয়োজিত হবে সেই আলোচনা করতেই তাদের বাংলাদেশে আগমন।

Advertisment

আগামী ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত আইসিসির ইভেন্টগুলোর ভেন্যু নির্ধারণ করা আছে। তারপরের ৮ বছর অর্থাৎ ২০২৪ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত ছেলেদের, মেয়েদের ও অনূর্ধ্ব ১৯ দলের ৮টি করে মোট ২৪টি আসর আয়োজন করবে আইসিসি। আর এবার এসব আসর আয়োজনের সময় ফিফা ও অলিম্পিককে অনুসরণ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নিলামের মাধ্যমে ঠিক করা হবে ভেন্যু। এই উদ্যোগের ফলে ক্রিকেট খেলেড়ু ছাড়াও অন্যান্য দেশগুলোতেও ক্রিকেটের বড় আসর আয়োজনের সুযোগ মিলবে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এই সম্পর্কে বলেন, ‘এবার তারা ভিন্নভাবে যাচ্ছে, অলিম্পিক এবং ফিফার মতো করে যে দেশে পড়বে সে দেশেই খেলা হবে, এবার আর কোনো ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাচ্ছে না। প্রথমেই যে জায়গায় যাবে সেখানে তো নিরাপত্তা আগে আসবে, কিছু কিছু জায়গা আছে যেখানে যেতে সবাই ইতস্তত করবে।’

নিরাপত্তার দিক থেকে বাংলাদেশ সবুজ সংকেতেই আছে বলে নিশ্চিত করেন পাপন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথেও এই বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি, ‘এই দিক থেকে বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে আছে। যদি ভারতও হয় তবুও নিরাপত্তা নিয়ে ভাবার বিষয় আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও আমরা বসবো।’

আইসিসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, ‘সব ধরনের বিশ্বকাপ কিংবা আইসিসির সব ইভেন্টে এই নিলাম হবে। বাংলাদেশও এই নিলামে এ থাকবে । আমার মনে হয় নতুন করে অনেক দেশ এই সব তৈরি করতে গেলে হিমশিম খেতে পারে। কারণ ছেলেদের একটা ইভেন্টে করতে গেলে ৮টা স্টেডিয়াম লাগবে, অনেক দেশের ৮ টা স্টেডিয়াম নেই।’

‘আমাদের সুবিধা হচ্ছে আমাদের আগে থেকেই অবকাঠামোগত কাজে নতুন কোনো বিনিয়োগ লাগছে না। সেই জন্যে আমরা একটু ভালো অবস্থানে আছি। ওনারা সবগুলা দেশের নিলাম করবেন। উনারা মালয়েশিয়াতেও গিয়েছিলেন, সেখানেও তারা আলোচনা করেছেন। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, আমেরিকাতেও যাচ্ছেন। যেন যখন এটা চালু করবে, তখন কোনো সমস্যা না হয়,’ বলেন বিসিবি সভাপতি।

আইসিসির ওই নতুন উদ্যোগের আরেকটা কারণ অবশ্যই আয় বৃদ্ধি বলেও স্বীকার করে নেন পাপন, ‘এটা তো অবশ্যই আয় বাড়ানোর জন্যে। শুধু ওদের আয় নয়, আয়োজক দেশের জন্যেও।’