Scores

পরিসংখ্যানের আয়নায় ২০১৫

আজমল তানজীম সাকির

দেখতে দেখতে ২০১৫ এখন শেষের পথে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য সাফল্য মোড়ানো একটি বছর শেষ হতে যাচ্ছে। টাইগারদের জন্য সফলতম বছর বললেও ভুল হবে না নিশ্চয়। বিশেষ করে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। এ বছর  ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়েছেন কায়েস-তামিম-সৌম্য-মুশফিক-রিয়াদরা। আর বোলিংয়ে ঝলক দেখিয়েছেন মুস্তাফিজুর-রুবেল-তাইজুলরা।

২০১৫ সালে বাংলাদেশ ৫ টি টেস্ট, ১৮ টি ওয়ানডে ও ৫ টি-টুয়েন্টি খেলেছে।

Also Read - যুব বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিবে বিসিবি


CRICKET-BAN-PAK
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় এ দুই ওপেনার আছেন প্রথম দুইয়ে।

৫ টি টেস্টের মধ্যে বাংলাদেশের জয় নেই একটিতেও। একটি ম্যাচে পেতে হয়েছে পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ। আর বাকি চার ম্যাচ ছিল অমীমাংসিত। টেস্টে এ বছরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ইমরুল কায়েস। ৫ ম্যাচে ৮ ইনিংসে করেছেন ৩৮৪ রান। সমানসংখ্যক ম্যাচ খেলে তামিম ইকবালের সংগ্রহ ৩৭৫। এ দুই ওপেনারের গড়ও ৫০ এর উপরে। এ বছর টেস্টে প্রায় প্রতি ম্যাচেই উজ্জ্বল ছিলেন কায়েস। ১ টি শতকের পাশাপাশি ২ টি অর্ধশতক হাঁকিয়েছেন। আর পাকিস্তানের বিপক্ষে তামিম ইকবালের করা ২০৬ রানের ইনিংস তার ক্যারিয়ার সেরা। ২০১৫ তে ইমরুল কায়েসের টেস্টে সর্বোচ্চ ১৫০।  শুধু তাই নয়, টেস্টে বাংলাদেশের জন্যও এটি এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। ২৯৪ রান করে তিন নম্বরে রয়েছেন সাকিব আল হাসান।

গড় বিবেচনায় সেরা ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান। এ বছর সাকিবের ব্যাটিং গড় ৫৮.৮০। মোট তিন জন ব্যাটসম্যানের গড় ৫০ এর উপরে। আর ৩০-৪৯ এর মধ্যে ব্যাটিং গড় রয়েছে তিন জনের। তারা হলেন মুমিনুল হক, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও লিটন দাস।

Imrul-Kayes-of-Bangladesh-plays-a-shot-en-route-to-his-51-on-Day-1-at-Khulna
২০১৫ সালে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ইমরুল কায়েস


২০১৫ সালে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ রান সংগ্রাহক: 

ক্রিকেটার ম্যাচ ইনিংস/অপরাজিত রান গড়    সর্বোচ্চ
ইমরুল কায়েস ৮/১ ৩৮৪  ৫৪.৮৫ ১৫০
তামিম ইকবাল ৮/১ ৩৭৫ ৫৩.৫৭ ২০৬
সাকিব আল হাসান ৭/২ ২৯৪ ৫৮.৮০ ৮৯*
মুমিনুল হক ৭/০ ২৫৮ ৩৬.৮৫ ৮০
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৬/০ ২২১ ৩৬.৮৩ ৬৭

 

২০১৫ সালে  টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ ব্যাটিং গড়ঃ

ক্রিকেটার ম্যাচ ইনিংস/অপরাজিত রান গড়    সর্বোচ্চ
সাকিব আল হাসান ৭/২   ২৯৪  ৫৮.৮০  ৮৯*
ইমরুল কায়েস ৮/১ ৩৮৪  ৫৪.৮৫ ২০৬
তামিম ইকবাল ৮/১  ৩৭৫ ৫৩.৫৭ ২০৬
মুমিনুল হক ৭/০ ২৫৮ ৩৬.৮৫ ৮০
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৬/০ ২২১ ৩৬.৮৩ ৬৭

টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরের সেরা পাঁচের তালিকায় সাকিব আল হাসানের ইনিংস দুইটি। প্রথম স্থান তামিম ইকবালের দখলে। তামিমের ২০৬ রানের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কায়েসের ১৫০। সাকিবের অপরাজিত ৮৯ রানের ইনিংস ও পাকিস্তানের বিপক্ষে মুমিনুল হকের ৮০ রয়েছে যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে খুলনায় পাকিস্তানের বিপক্ষে সাকিবের অপরাজিত ৭৬ রান। আর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিপক্ষে খুলনায় ছয় উইকেট হারিয়ে ৫৫৫ রান রয়েছে সবার উপরে। একই ম্যাচে অন্য ইনিংসে করা ৩৩২ রান রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। চট্টগ্রামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩২৬ ও ভারতের বিপক্ষে ফতুল্লায় ২৫৬ তৃতীয় ও চতুর্থ দলীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

২০১৫ তে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী তাইজুল।
২০১৫ তে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী তাইজুল। এ বছরের সেরা বোলিং ফিগারটাও তার।

 

বোলিংয়ে সাদা পোশাকে উইকেট শিকারের ক্ষেত্রে আধিপত্য স্পিনারদের। তালিকার শীর্ষে র‍্য়েছেন তাইজুল ইসলাম। ৪ ম্যাচে ১১ টি উইকেট শিকার করেছেন তাইজুল। সাত উইকেত নিয়ে পরের অবস্থানে আছেন সাকিব আল হাসান। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছেন লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখন ও অফস্পিনার শুভাগত হোম।

 

২০১৫ সালে টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকারী

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের ক্ষেত্রে সাকিব রয়েছন দুই নম্বরে
সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের ক্ষেত্রে সাকিব রয়েছন দুই নম্বরে
ক্রিকেটার ম্যাচ উইকেট টেস্টে ২০১৫ সালের সেরা বোলিং ফিগার
তাইজুল ইসলাম  ১১ ১৬৩/৬
সাকিব আল হাসান ১০৫/৪
জুবায়ের হোসেন ৫৩/৩
শুভাগত হোম  ৩ ৭৬/২
মোহাম্মদ শহীদ ২৩/২

টেস্টে সবচেয়ে কম বোলিং গড় মুস্তাফিজুর রহমানের। ২ টেস্ট খেলা এ বাঁহাতি ফাস্ট বোলারের বোলিং গড় ১৪.৫০। ২৯.৫০ বোলিং গড় নিয়ে পরে রয়েছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মুস্তাফিজ ও মাহমুদুল্লাহ ছাড়া আর কারও গড় ৩০-এর নিচে নেই। জুবায়ের হোসেন লিখন প্রতি উইকেটের জন্য রান দিয়েছেন ৩৪.২০।

২০১৫ সালে টেস্টে বাংলাদেশের সেরা পাঁচ বোলিং গড়

২০১৫ সালে টেস্টে সেরা বোলিং গড় মুস্তাফিজুর রহমানের। ২ ম্যাচ খেলে ৪ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। রান দিয়েছেন ৫৮।
২০১৫ সালে টেস্টে সেরা বোলিং গড় মুস্তাফিজুর রহমানের। ২ ম্যাচ খেলে ৪ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। রান দিয়েছেন ৫৮।

 

ক্রিকেটার ম্যাচ উইকেট রান দিয়েছেন বোলিং গড়
মুস্তাফিজুর রহমান ৫৮  ১৪.৫০
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৫৯ ২৯.৫০
জুবায়ের হোসেন ১৭১ ৩৪.২০
তাইজুল ইসলাম ১১ ৫৪৪ ৪৯.৪৫
শুভাগত হোম ২৬৬ ৫৩.২০

টেস্টের চেয়ে ওয়ানডেতে মাঠের পারফরম্যান্স বেশ বর্ণীল। ১৮ ওয়ানডেতে জয় এসেছে ১৩ টিতে, হার মাত্র ৫ টিতে। আর একটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে মাঠেই গড়ায়নি।

ওয়ানডেতে এ বছর সবচেয়ে বেশি রান, সবচেয়ে বেশি ছক্কা, দুটোই মুশফিকের দখলে।
ওয়ানডেতে এ বছর সবচেয়ে বেশি রান, সবচেয়ে বেশি ছক্কা, দুটোই মুশফিকের দখলে।

ওয়ানডেতে ব্যাট হাতে রানের ফোয়ারা ছোটানোর প্রতিযোগিতাতেই যেন নেমেছিলেন ব্যাটসম্যানরা। কেউ যেন কারো থেকে কম না। ১৮ ম্যাচে ৭৬৭ রান করে সবার উপরে মুশফিকুর রহিম। এ বছর তার ব্যাট থেকে এসেছে ২ টি শতক ও ৪ টি অর্ধশতক। মুশফিক থেকে ৩৩ রান কম করে দ্বিতীয় তামিম ইকবাল। তবে মুশফিকের চেয়ে দুই ইনিংস বেশি খেলেছেন তামিম। তিনিও দুইটি শতক হাঁকিয়েছেন এ বছর, অর্ধশতকের সংখ্যা পাঁচ। তৃতীয় অবস্থানে আছেন সৌম্য সরকার। এ বছরেই অভিষেক হয়েছে সৌম্য সরকারের। প্রায় প্রতি ম্যাচে নজার কাড়ার মত পারফরম্যান্স ছিল তার। আগ্রাসী এ ব্যাটসম্যান ১৫ ম্যাচে রান করেছেন ৬৪২। পরের অবস্থানে থাকা মাহমুদুল্লাহ করেছেন ৫০৬। এর মধ্যে রয়েছে দুইটি শতক ও তিনটি অর্ধশতক। শতক দুইটি আবার বিশ্বকাপে ব্যাক টু ব্যাক।

২০১৫ সালে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ রান সংগ্রাহক: 

ক্রিকেটার ম্যাচ ইনিংস/অপরাজিত রান  গড় সর্বোচ্চ
মুশফিকুর রহিম ১৬ ১৬/১ ৭৬৭  ৫১.১৩  ১০৭
তামিম ইকবাল ১৮ ১৮/২ ৭৪২ ৪৬.৩৭ ১৩২
সৌম্য সরকার ১৫ ১৫/২ ৬৭২ ৫১.৬৯ ১২৭
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ১৪ ১৪/১ ৫০৬ ৩৮.৯২ ১২৮
সাকিব আল হাসান ১৪ ১৪/৪ ৪২১ ৪২.১০ ৬৩

মাঠে যে ব্যাট হাতে সৌম্য কতটা ধারাবাহিক ছিলেন তা তার ব্যাটিং গড় দেখেও আন্দাজ করা যায়। এ বছর ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ব্যাটিং গড় তার, ৫১.৬৯। আর বিন্দু পরিমাণ ব্যবধানে পিছিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে মুশফিক। তার ব্যাটিং গড় ৫১.১৩। এ দুজনের ব্যাটিং গড়ই রয়েছে পঞ্চাশের কোটায়।

২০১৫ সালে  ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ ব্যাটিং গড়ঃ

soumya sarkar bdcricteam
সৌম্য সরকারের ওয়ানডেতে ব্যাটিং গড় এ বছর সবার উপরে

 

ক্রিকেটার ম্যাচ ইনিংস/অপরাজিত রান গড়    সর্বোচ্চ
সৌম্য সরকার  ১৫ ৭/২   ২৯৪  ৫৮.৮০  ৮৯*
মুশফিকুর রহিম ১৮ ৮/১ ৩৮৪  ৫৪.৮৫ ২০৬
তামিম ইকবাল ১৮ ৮/১  ৩৭৫ ৫৩.৫৭ ৮৯*
সাকিব আল হাসান ১৬ ৭/০ ২৫৮ ৩৬.৮৫ ৮০
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ১৫ ৬/০ ২২১ ৩৬.৮৩ ৬৭

ওয়ানডেতে এ বচর সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর তামিম ইকবালের ১৩২। মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে এ সেঞ্চুরিটি করেন তিনি। তারপর আছে বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের অপরাজিত ১২৮*। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সৌম্য সরকারের অপরাজিত ১২৭ রয়েছে তিন নম্বরে। এ বছর তামিমের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটিও আসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই। সে ম্যাচে তামিম ১১৬ বলে ১১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন যা চতুর্থ সর্বোচ্চ। জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে মুশফিকের ১০৯ বলে ১০৭ রয়েছে পাঁচে।

এ বছর ওয়ানডেতে বাংলাদেশের তিনশ ছাড়ানো স্কোর তিনটি। সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ হলো পাকিস্তানের বিপক্কে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩২৯ রান। বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে রান তাড়া করতে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ৩২২ রান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর ভারতের বিপক্ষে করা ৩০৭ তৃতীয় সর্বোচ্চ ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৮৮ চতুর্থ সর্বোচ্চ।

২০১৫ সালে বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী, সেরা বোলিং গড়- দুটোতেই শীর্ষে মুস্তাফিজুর।
২০১৫ সালে বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী, সেরা বোলিং গড়- দুটোতেই শীর্ষে মুস্তাফিজুর। মজার ব্যাপার হলো এ বছর ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি মেইডেনও তার দখলে।

ওয়ানডেতে বোলিংয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম বছরেই শিখরে অবস্থান করছেন মুস্তাফিজুর রহমান। কাটার-মাস্টার হিসেবে খ্যাতি পাওয়া মুস্তাফিজুর ৯ ম্যাচে ২৬ টি উইকেট পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, টেস্টের মতো ওয়ানডেতেও এ বছর সেরা বোলিং গড় এ বাঁহাতি ফাস্ট বোলারের। প্রতি উইকেট পেতে গড়ে মাত্র ১২.৩৪ রান দিয়েছেন মুস্তাফিজ।  মুস্তাফিজ থেকে ৭ ম্যাচ বেশি খেলে ২৪ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় সাকিব আল হাসান। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ২১ উইকেট শিকার করে তৃতীয়।

বোলিং গড়ের ক্ষেত্রে মুস্তাফিজুরের পরে আছেন আল-আমিন হোসেন। এ বচর এ ফাস্ট বোলারের বোলিং গড় ২০.২৫। ২৬.৬২ বোলিং গড় নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন নাসির হোসেন।

২০১৫ সালে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকারী

ক্রিকেটার ম্যাচ  উইকেট ওয়ানডেতে ২০১৫ সালের সেরা বোলিং ফিগার
মুস্তাফিজুর রহমান  ২৬ ৪৩/৬
সাকিব আল হাসান ১৬ ২৪ ৪৭/৫
মাশরাফি বিন মর্তুজা ১৬ ২১ ২০/৩
রুবেল হোসেন ১৪ ১৮ ৫৩/৪
নাসির হোসেন ১৫ ১৬ ২৬/৩

২০১৫ সালে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সেরা পাঁচ বোলিং গড় 

ক্রিকেটার ম্যাচ উইকেট রান দিয়েছেন বোলিং গড়
মুস্তাফিজুর রহমান ২৬ ৩২১  ১২.২৬
আল-আমিন হোসেন ৮১ ২০.২৫
নাসির হোসেন ১৫ ১৬ ৪২৬ ২৬.৬২
সাকিব আল হাসান ১৬ ২৪ ৬৬৪ ২৭.৬৬
মাশরাফি বিন মর্তুজা ১৬ ২১ ৬৯২ ৩২.৯৫
shakib
২০১৫ সালে টি-২০ টি ফরম্যাটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাকিব আল হাসান। তিন ম্যাচে ৯১ রান করেছেন তিনি, যার মধ্যে ৫৭ রানের অপরাজিত একটি ইনিংস ভূমিকা রাখে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ জয়ে।


bangladeshক্রিকেটের সবচেয়ে ছোট স্বীকৃত সংস্করণ টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশের জয় পাঁচটির মধ্যে ২ টিতে ও হার ৩ টিতে। জয় দুইটি এসেছে পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টি-টুয়েন্টিতে ব্যাট হাতে তেমন বাজিমাত করতে দেখা যায়নি কাউকে। তিন ম্যাচে ৯১ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাকিব আল হাসান। সমানসংখ্যক রান করেছেন সাব্বির রহমান। তবে ম্যাচ খেলেছেন দুটি বেশি। আর পাঁচ ম্যাচে ৮৪ রান করে তৃতীয় তামিম ইকবাল।

২০১৫ সালে টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ রান সংগ্রাহক 

ক্রিকেটার ম্যাচ ইনিংস/অপরাজিত রান  গড় সর্বোচ্চ
সাকিব আল হাসান ৩/১ ৯১ ৪৫.৫০  ১০৭
সাব্বির রহমান ৫/১ ৯১ ২২.৭৫ ১৩২
তামিম ইকবাল ৫/০ ৮৪ ১৬.৮০ ১২৭
মুশফিকুর রহিম ৫/০ ৬৬ ১৩.২০
লিটন দাস ৩/০ ৪৯ ১৬.৩৩ ৬৩

২০১৫ সালে টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ ব্যাটিং গড়ঃ

ক্রিকেটার ম্যাচ ইনিংস/অপরাজিত রান গড়    সর্বোচ্চ
সাকিব আল হাসান  ৩ ৩/১  ৯১  ৪৫.৫০  ৫৭*
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ২/১ ৩০  ৩০.০০ ২২
আনামুল হক ২/১  ৪৮ ২৪.০০ ৪৭
সাব্বির রহমান ৫/১ ৯১ ২২.৭৫ ৫১*
রনি তালুকদার ১/০ ২১ ২১.০০

পাকিস্তানের বিপক্ষে সাকিব আল হাসানের অপরাজিত৫৭ ও সাব্বির রহমানের অপরাজিত ৫১ রয়েছে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোরের প্রথম দুইয়ে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আনামুল হক ইজয়ের ৪৭ ও দক্ষিন আফ্রিকার বিপক্ষে সৌম্য সরকারের ৩১ রয়েছে তিন ও চারে। দলীয় সংগ্রহের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিপক্ষে করা ৩ উইকেটে ১৪৩ সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হলো দক্ষিণ আফ্রিকার  বিপক্ষে ১৩৮ রান।

ওয়ানডের মতো টি-টুয়েন্টিতেও এ বছর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী মুস্তাফিজুর রহমান। ৫ ম্যাচ খেলে ৬ উইকেট পেয়েছেন তিনি। একটি উইকেট কম পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আল-আমিন। উইকেট শিকারের ক্ষেত্রে আল-আমিন হোসেন দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও টি-২০ তে বোলিং গড়ের দিক দিয়ে প্রথম। এ বছর তার বোলিং গড় ১৮.৬৬।

২০১৫ সালে টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট শিকারী 

ক্রিকেটার ম্যাচ  উইকেট টি-টুয়েন্টিতে ২০১৫ সালের সেরা বোলিং ফিগার
মুস্তাফিজুর রহমান  ৬ ১৬/২
আল-আমিন হোসেন ২০/৩
আরাফাত সানি ১৯/২
নাসির হোসেন ২৬/২
জুবায়ের হোসেন ২০/২

২০১৫ সালে টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশের সেরা পাঁচ বোলিং গড় 

ক্রিকেটার ম্যাচ উইকেট রান দিয়েছেন বোলিং গড়
আল-আমিন হোসেন ৪০ ৮.০০
জুবায়ের হোসেন ২০ ১০.০০
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ১৮ ১৮.০০
মুস্তাফিজুর রহমান ১১২ ১৮.৬৬
আরাফাত সানি ৯৯ ১৯.৮০

পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে টেস্ট আর টি-টুয়েন্টিতে বাজিমাত না হলেও ওয়ানডে পারফরম্যান্স বছরটি রঙীন করে তুলেছে টাইগারদের জন্য। পরি সংখ্যানে নবীনরাও বিস্তার করেছে আধিপত্য।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

‘মাশরাফি একজন ফাইটার’

ধারাবাহিকতাই মূল মন্ত্র ওয়ালশের কাছে

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো ভারত

মেডিকেল রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করছে সাকিবের এনওসি

শঙ্কা কাটিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলছেন মুস্তাফিজ