পরিসংখ্যানে অষ্টম বিপিএলের ‘৬’ দলের অধিনায়ক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দামামা বেজে গেছে। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হবে বাংলাদেশের জনপ্রিয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটি। তার আগে চোখ বুলানো যাক অংশগ্রহণকারী ছয়টি দলের অধিনায়কদের দিকে।

পরিসংখ্যানে অষ্টম বিপিএলের '৬' দলের অধিনায়ক
ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে ৬ দলের অধিনায়ক।

এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে ৬টি দল- মিনিস্টার ঢাকা, ফরচুন বরিশাল, চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স, সিলেট সানরাইজার্স, খুলনা টাইগার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ঢাকাকে, সাকিব আল হাসান বরিশালকে, মেহেদী হাসান মিরাজ চট্টগ্রামকে, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত সিলেটকে, মুশফিকুর রহিম খুলনাকে ও ইমরুল কায়েস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে নেতৃত্ব দেবেন।

Advertisment

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (মিনিস্টার ঢাকা)

জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক রিয়াদ বিপিএলেও বেশ সফল। বিপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৬টি ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে তার। এর মধ্যে জয় পেয়েছেন ৩৮ ম্যাচে। বাকি ৩৭টি ম্যাচে পরাজয় বরণ করতে হয়েছে, টাই হয়েছে ১টি ম্যাচ।

অবশ্য অধিনায়ক হিসেবে রিয়াদের কখনও শিরোপা জেতা হয়নি। তার অধীনে বরিশাল বুলস ও চট্টগ্রাম কিংস ১ বার করে ফাইনাল খেলেছে, যদিও দুটি ফাইনালেই রিয়াদ ছিলেন পরাজিত দলে। এবার নিশ্চয়ই সেই আক্ষেপ ঘোচাতে চাইবেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।

 

সাকিব আল হাসান (ফরচুন বরিশাল)

এখন পর্যন্ত ৬৪টি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন সাকিব, যার ৩৯টি ম্যাচেই মাঠ ছেড়েছেন জয় নিয়ে। বিপিএলে কোনো অধিনায়কের সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ডে সাকিবের অবস্থান দ্বিতীয় (তালিকার ওপরে মাশরাফি বিন মুর্তজা, ৫৪ ম্যাচে পেয়েছেন জয়)।

অধিনায়ক হিসেবে শিরোপাও জেতা হয়েছে সাকিবের। ২০১৬-১৭ মৌসুমে ঢাকা ডায়নামাইটসকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছিলেন বিপিএলের শিরোপা। আরও দুটি ফাইনাল খেলা হলেও দুইবারই হারতে হয়েছে। ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ মৌসুমে সাকিব ছিলেন রানার-আপ দলের অধিনায়ক।

মেহেদী হাসান মিরাজ (চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স)

যুব বিশ্বকাপে নেতৃত্বগুণে সবাইকে মুগ্ধ করা মিরাজ এবার নেতৃত্ব দেবেন তারুণ্যে ভরপুর দল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে। বিপিএলে আগেও তাকে দেখা গেছে অধিনায়কের ভূমিকায়। রাজশাহী কিংসকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মোট ১২ ম্যাচে, যার ৬টিতে ধরা দিয়েছিল জয়।

পরিসংখ্যানে অষ্টম বিপিএলের '৬' দলের অধিনায়ক
এই ৬ অধিনায়ক এবার লড়বেন শিরোপার জন্য।

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত (সিলেট সানরাইজার্স)

বিপিএলে মোসাদ্দেকের অধিনায়কত্বের রেকর্ড সুখকর নয়। সর্বশেষ আসরে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সিলেট থান্ডারকে। চোট পেয়ে ছিটকে পড়ার আগে ৮ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে মাত্র ১টি ম্যাচে জয়ের দেখা পেয়েছিলেন তিনি, হেরেছিলেন বাকি ৭টি ম্যাচেই। এবারও সিলেটকে নেতৃত্ব দেবেন এই অলরাউন্ডার।

মুশফিকুর রহিম (খুলনা টাইগার্স)

বিপিএলে ৭৩টি ম্যাচে টস করেছেন মুশফিক, যা অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এর মধ্যে জয় পেয়েছেন ৩৭টি ম্যাচে, হেরেছেন ৩৫টি ম্যাচে, একটি ম্যাচ হয়েছে টাই। শিরোপা জেতা হয়নি একবারও, তবে গত আসরে খুলনা টাইগার্সকেই ফাইনালে তুলেছিলেন মুশফিক।

ইমরুল কায়েস (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স)

বিপিএলে ইমরুলকে অধিনায়ক হিসেবে দেখা গেছে ১৭টি ম্যাচে। এর মধ্যে ১২টি ম্যাচেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন এই তারকা। পরাজয় জুটেছে মাত্র ৫টি ম্যাচে।

বিপিএলের ইতিহাসে কমপক্ষে ১০ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করা অধিনায়কদের মধ্যে শতকরা হিসেবে সবচেয়ে বেশি জয়ের হার ইমরুলের- ৭০.৫৮ শতাংশ। ২০১৯ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স শিরোপা জিতেছিল ইমরুলের অধীনে। এক আসর বিরতির পর বিপিএলে ফিরে দলটি আবারও আস্থা রেখেছে ইমরুলের হাতে। অষ্টম আসরেও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে নেতৃত্ব দেবেন ইমরুল।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনের চ্যাটে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime Crickey সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

বিডিক্রিকটাইমের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি।