পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশি পেসারদের পার্থক্য জানালেন ওয়াসিম

0
2020

পাকিস্তান ক্রিকেটকে পেসারদের আঁতুড়ঘর বলা হয়। অনেক বিশ্বমানের পেসার উঠে এসেছে সেখান থেকে। তথচ উপমহাদেশের দলগুলো থেকে একাধিক কিংবদন্তী পেসারের সন্ধান পাওয়া রীতিমত দুষ্করই বলতে হবে। বিশ্বমানের পেসার তৈরিতে কোথায় পার্থক্য তৈরি হয়, সেটাই জানিয়েছেন ওয়াসিম আকরাম।

Advertisment

পাকিস্তানি বোলার, কথাটা শুনলে সবার প্রথমে কোন জিনিসটি মনে আসবে? নিশ্চয় চোখের সামনে ভেসে উঠবে কোন পেসারের ছবি! অথচ সাকলাইন মুশতাক, আব্দুর কাদির, মুশতাক আহমেদ, শহীদ আফ্রিদি, এমনকি সাঈদ আজমলরাও কম যাননি।

পেসারদের কথা মনে আসা একেবারেই অস্বাভাবিক নয়। নিজেদের সময় প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের উইকেট নাড়িয়ে দেওয়া, বিষাক্ত বাউন্সার আর সুইংয়ে নীল করার পাশাপাশি একের পর এক রেকর্ড গড়াই ছিল ইমরান খান, ওয়াকার ইউনুস, শোয়াব আখতারদের কাজ। তাতে নেতৃত্ব দিতেন বাঁহাতি পেসার ওয়াসিম আকরাম।

ওয়াসিম-ওয়াকারদের পরবর্তী সময়েও বেশ মজবুত পাকিস্তানের পেস বোলিং বিভাগ। উমর গুল হয়ে মোহাম্মদ আমির, ওয়াহাব রিয়াজ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, এমনকি হালের নাসিম শাহ-রা ধরে রেখেছেন দেশটির পেসারদের ঐতিহ্য।

এদিকে মঙ্গলবার (১৯মে) বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবালের সাথে সরাসরি ভিডিও আড্ডায় মুখোমুখি হয়েছিলেন ওয়াসিম। সেখানে কিংবদন্তী এই পেসারকে পেয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন তামিম।

পাকিস্তান আর বাংলাদেশের উইকেটের ধরণ প্রায় একইরকম। এখানে সাধারণত ব্যাটসম্যানদের জন্য সহায়ক উইকেটেই বেশি খেলা হয়। সেখানে পাকিস্তান থেকে উন্নতমানের পেসার উঠে আসে, যেটা বাংলাদেশে দেখা যায় না। ওয়াসিমের কাছে এর পার্থক্যটা জানতে চান তামিম।

জবাবে ওয়াসিম বলেন, ‘আমার মনেহয় যখন দেখবেন, তরুণ একজন বোলার ভালো গতিতে বল করছে, ভালো ভবিষ্যৎ রয়েছে, প্রথমেই তার মানসিকতাটার লাগাম টেনে ধরতে হবে। তাকে কখনোই এটা বলবেন না যে, স্লো পিচে খেলা হচ্ছে, তুমি উইকেট পাবে না। শুরুতেই এই নেতিবাচক মানসিকতাটা আপনার আটকাতে হবে।’

‘সে যদি আগেই ধরে বসে যে এই উইকেটে পেসারদের জন্য কিছু নেই, উইকেট পাবে না। তাহলে শুরুতেই তার মানসিকতা বদলে যাবে। উইকেট নিয়ে নেতিবাচক ধারনা তৈরি হবে। তাকে শিখতে হবে কিভাবে বল সুইং করাতে হয়, কিভাবে স্লো উইকেটে ফুলার লেন্থে বল করতে হয়।’– সাথে যোগ করেন তিনি।

ওয়াসিম মনে করেন পার্থক্য তৈরি করে মানসিকতা, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে টেস্ট ম্যাচে স্লো উইকেটে বল করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতাম। কারণ স্লো উইকেটে বল সুইং করানো যায়, উইকেট টু উইকেট বল করা যায়। বাংলাদেশের পিচে উইকেটে টু উইকেট বল করলে ব্যাটসম্যানদের জন্য খেলা কঠিন হয়ে যাবে। আমার ধারণা, এখানে পার্থক্যটা শুধু মানসিকতায়।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।