পারিশ্রমিক না পেয়ে বিসিবির শরণাপন্ন কলাবাগানের ক্রিকেটাররা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরীর সাথে দেখা করেছেন কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের  ক্রিকেটাররা। সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের পারিশ্রমিক এখনো পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

আশরাফুলের ব্যাটে ভর করে জিতলো কলাবাগান

Advertisment

প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যমে দল গোছায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। বিসিবির নির্দেশ ছিল লিগ শুরু হওয়ার আগেই ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক পরিশোধ করতে হবে ক্রিকেটারদের। লিগের প্রথম পর্যায় শেষ হওয়ার পর ২৫ শতাংশ এবং সুপার লিগ শেষ হওয়ার পরের ছয় সপ্তাহের মধ্যে বাকি ৫০ শতাংশ পারিশ্রমিক পরিশোধ করতে হবে। এতদিনে শতভাগ পারিশ্রমিক পরিশোধ করার কথা ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর।

কিন্তু বিসিবির এ নির্দেশ মানেনি কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। ২০১৭-১৮ মৌসুমে কলাবাগানের হয়ে খেলা তাসামুল হক জানিয়েছেন এখনো তার ৫০ শতাংশ পারিশ্রমিক বকেয়া রয়েছে।

তাসামুল হক বলেন, “তারা আমাদের টাকা আটকে রাখতে পারেন না। আমরা বিসিবিকে জানিয়েছি যে আমরা আমাদের বাকি ৫০ শতাংশ পারিশ্রমিক চাই। ক্লাব হতে আমাদের জানানো হয়েছে বিসিবিকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর ক্লাব আর কোনো অর্থ পরিশোধ করবে না। এখন বিসিবিই বাকি টাকা দিবে।”

তাসামুল আরও জানান একাধিক ক্রিকেটার কোনো টাকাই পাননি। আশরাফুল, নাবিল সামাদ, জসীমউদ্দিনরা এখনো পাননি কোনো অর্থ।

রেলিগেটেড হওয়া এ দলের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে টাকা কেটে রাখার কথা আগে থেকেই বলা হয়েছে ক্রিকেটারদের। এমন বিজ্ঞপ্তিতে ক্রিকেটারদের স্বাক্ষরও রয়েছে বলে দাবি ক্লাবের। তবে তাসামুলের কণ্ঠে অন্য সুর। ক্লাবের কোনো প্যাড নয়, সাধারণ এক কাগজে পারফরম্যান্স খারাপ হওয়ার কারণ দর্শানোর নোটিশ ছিল বলে জানান তিনি।

তাসামুল বলেন, “ক্লাবের প্যাডও ছিল না। পারফরম্যান্স খারাপ হচ্ছিল, ফটোকপি ছিল। ওইটার কোনও ভিত্তি ছিল না। কারণ দর্শানো নোটিশ ছিল। আর আমাদের টাকা কেটে নিতে পারবে, এমন কিছুও ছিল না ওখানে। আমরা ওইটার সাথে একমত ছিলাম না।”

এ ব্যাপারে বিসিবির প্রধান নির্বাহী বলেন, “আমরা এ সমস্যা যত দ্রুত সম্ভব সমাধানের চেষ্টা করব। নির্ধারিত সময়ের মাঝে ক্লাব টাকা না দেয়ায় আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। আমরা ক্লাবগুলোর সাথে কথা বলব, তাদের সাথে কথা বলে নিস্পত্তির চেষ্টা করব।”


আরো পড়ুন ঃ সোমবার থেকে যুবাদের ক্যাম্প