পেরেরার অধিনায়কোচিত ইনিংসে বাংলাদেশের সামনে বড় লক্ষ্য

0
297

মিরপুরে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে লঙ্কান অধিনায়ক কুশল পেরেরার সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে ২৮৭ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিল শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট লাভ করেছেন পেসার তাসকিন।

Advertisment

আগের দুই ম্যাচে আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে মিরপুরে শেষ ওয়ানডেতে টস ভাগ্যে জিতলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক পেরেরা। যথারীতিই আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। টস জেতার ফায়দা পুরোটাই তুলে নেয় শ্রীলঙ্কান দলের দুই ওপেনার কুশল ও দানুশকা গুনাথিলাকা।

আগের দুই ম্যাচে লঙ্কানরা ব্যাটসম্যান ধুকলেও এই ম্যাচে ভয়হীন ব্যাটিং করতে দেখা যায় এই দুই ওপেনারকে। দুই ওপেনার মিলে প্রথম পাওয়ার-প্লেতে তুললেন ৭৭ রান। এই দুজনের জুটি ভাঙেন তাসকিন। সাইফউদ্দিনের পরিবর্তে শেষ ম্যাচের একাদশে ডাক পাওয়া তাসকিনের বলে বোল্ড হন ৩৩ বলে ৩৯ রান করা গুনাথিলাকা।

ওই ওভারেই সাজঘরে ফেরান পাথুম নিশাঙ্কাকে (০)। এক ওভারে দুই উইকেট পড়ার পরই ব্যাট হাত ফিফটি তুলে নেন কুশল। সেই সাথে কুশল মেন্ডিসের সঙ্গে বড় জুটিও গড়েন তিনি। তবে ব্যক্তিগত ৬৬ রানে প্রথম জীবন পান কুশল পেরেরা। আরও ১৩ রান যোগ করতেই ফের জীবন পান এই লঙ্কান অধিনায়ক। দুইবার জীবন পেয়ে সেঞ্চুরিটা যেন প্রাপ্যই ছিল কুশলের জন্য।

বাংলাদেশকে তৃতীয় ব্রেক-থ্রু এনে তাসকিন। ২২ রান করা কুশল মেন্ডিসকে সাজঘরে ফেরান তিনি। তাঁর বিদায়ের পর ধনঞ্জয়ার সঙ্গে বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন কুশল পেরেরা। আগের দুইবার বেঁচে যাওয়ার পর মুস্তাফিজের করা দলীয় ৩১তম ওভারের চতুর্থ বলে কুশলের ক্যাচ ছেড়ে দেন মাহমুদউল্লাহ। তিনবার জীবন পেয়ে পরের বলেই সেঞ্চুরি তুলে নেন কুশল পেরেরা।

ধনঞ্জয়ার সঙ্গে ৬৫ রানের জুটি গড়ে শরিফুলের বলে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ তোলেন কুশল। সেই সঙ্গে শেষ হয় তাঁর ১২২ বলে ১২০ রানের ইনিংস। এই ম্যাচে একাদশে ফেরা ডিকভেলাও কিছু করতে পারেননি। শরিফুলের করা থ্রোতে রান আউটের শিকার হন তিনি। ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৩৫ রান যোগ করেন হাসারাঙ্গা ও ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। এই ম্যাচে তাসকিনের চতুর্থ শিকার হাসারাঙ্গা।

শেষ ওভারের শরিফুলের বলে অর্ধশতক তুলে নেন ধনঞ্জয়া। শেষ পর্যন্ত ধনঞ্জয়ার অপরাজিত ৫৫ রানে ভর করে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। তাসকিনের চার উইকেট বাদে মাত্র একটি উইকেট লাভ করেছেন শরিফুল।