প্রতিপক্ষ শক্তিশালী না হলে আমাদের দোষ নেই : মিসবাহ

আফ্রিকায় সফল এক সফর শেষে পাকিস্তান জাতীয় দল ফেলছে স্বস্তির নিঃশ্বাস। দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্সের পর স্বস্তি থাকাই স্বাভাবিক। তবে এমন পরিস্থিতিতেও সাবেক ক্রিকেটারদের খোঁচা সহ্য করতে হচ্ছে দলটিকে।

মিসবাহ উল হক পাকিস্তান ২
দলের সাফল্যেও সমালোচনা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না মিসবাহ। ফাইল ছবি

বেফাঁস মন্তব্য, খোঁচাখুঁচি আর প্রতিপক্ষকে ছোট করাতে যেন পাকিস্তানিদের জুড়ি নেই। বর্তমান ক্রিকেটাররা অনেক সময় মুখে লাগাম ধরে রাখলেও সাবেকদের নেই কোনো রাখঢাক। একগাদা জয় দিয়ে আফ্রিকা সফর শেষ করেও তাই পাকিস্তানকে শুনতে হচ্ছে কটু কথা।

Advertisment

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে পূর্ণ শক্তির প্রোটিয়াদের পায়নি সফরকারীরা। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা বোর্ডের ছাড়পত্র নিয়ে ছুটে যান ভারতে। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের হয়েও খেলতে পারেননি সিনিয়র ও অভিজ্ঞ কয়েকজন পারফর্মার। চোটের কারণে জর্জরিত জিম্বাবুয়ে একাদশে নিয়েছিল এক ঝাঁক নতুন মুখ।

আর তাই সাবেকরা পাকিস্তানের এই কীর্তিকে যেন খাটো করে দেখছেন। তাদের উদ্দেশে দলের প্রধান কোচ ও সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ উল হক মুখ খুলেছেন।

মিসবাহ বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিল না, কিন্তু তারা ঘরের মাঠে খেলছিল। বদলি খেলোয়াড়রাও ভালো পারফর্মার ছিল। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে আমরা তাদের সেরা দলের বিপক্ষে খেলতে পারিনি। কিন্তু নিজেদের কন্ডিশনে সবসময়ই তারা শক্তিশালী দল। আপনি শুধু নিজের পারফরম্যান্সটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী না হলে এতে তো আমাদের দোষ নেই।’ 

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাফল্যের চেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে পাওয়া সাফল্যই যেন বেশি স্বস্তি দিচ্ছে মিসবাহকে। দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে স্বাগতিকদের যেকোনো শক্তিমত্তার দলের বিপক্ষেই জয় পাওয়া যে অনেক কঠিন, মিসবাহ সমালোচকদের এই কথাটি মনে করিয়ে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এটা অনেক স্বস্তিজনক যে দুটি সফরেই ভালো ফলাফল ধরা দিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় সফরে ক্ষেত্রে কন্ডিশন সবসময়ই পাকিস্তানের চেয়ে ভিন্ন থাকে। তাই সেখানে জিততে পারা দলের জন্য অনেক বড় প্রেরণা।’