Scores

প্রথম ইনিংসকেই দুষছেন মাহমুদউল্লাহ

চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অসাধারণ ব্যাটিং প্রদর্শন করেছিলো বাংলাদেশ। মুমিনুল, মুশফিক, লিটনরা বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই পেয়েছিলেন রান। সেই আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করেই পরবর্তী টেস্ট স্পিনবান্ধব উইকেটে খেলবে বাংলাদেশ। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্টের সেই আত্মবিশ্বাসের ছিটেফোটাও দেখা যায় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে।

প্রথম ইনিংসকেই দুষছেন মাহমুদউল্লাহ

ফলস্বরূপ দ্রুত কলাপ্স করলো বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার করা ২২২ রানের জবাবে বাংলাদেশ করে মাত্র ১১০! অথচ ১০৭ রানে ৬ষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটেছিলো বাংলাদেশের। সেখান থেকে মাত্র তিন রানের মধ্যেই বাকি চার উইকেটও হারাল বাংলাদেশ। অবশ্য প্রথম ইনিংসে অল্প রানে আউট হওয়ার খেসারত দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

Also Read - ঢাকা টেস্ট : ব্যাটিংয়ে আসা-যাওয়ার মিছিল, বড় পরাজয়


দ্বিতীয় টেস্টে শ্রীলঙ্কার কাছে দেশের মাটিতে ২১৫ রানের বিশাল ব্যবধানের পরাজয়। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও কলাপ্স করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ১১২ রান এগিয়ে থেকে লঙ্কানরা স্বাগতিকদের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় ৩৩৯ রানের, যা কিনা মিরপুরের এমন উইকেটে এক প্রকার অসম্বভই। দ্বিতীয় টেস্টে শ্রীলঙ্কার কাছে হারার পেছনে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে পড়াকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

“জবাব দেওয়াটা কঠিন। কারণ, অবশ্যই খুবই হতাশাজনক। যেহেতু আমরা জানতাম, এই ধরণের উইকেট আমরা রান তাড়া করবো এবং দলের সবারই কম বেশি ধারণা ছিল যে এই টেস্টের ফলাফল আসবে। আমার কাছে মনে প্রথম ইনিংসেই আমাদের ভালো করা উচিত ছিল।”

তিনি আরও যোগ করেন, “ওই ইনিংসে যদি, ২০০ বা তার কাছাকাছি রান করতাম তাহলে কিছুটা সম্ভবনা থাকতো। কারণ এই উইকেটে ৩০০+ তাড়া করা কিছুটা হলেও চাপ ছিল আমাদের জন্য।”

পুরো টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং কতটা ইতিবাচক ছিল শ্রীলঙ্কার চেয়ে সেটিও প্রশ্ন থেকে যায়। স্বাগতিকদের বোলারদের বিপক্ষে বেশ দেখে শুনেই খেলেছেন লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। অন্যদিকে স্পিন উইকেট পেয়েই যেন নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। এমন ব্যাটিংয়ের কারণ ব্যাখ্যা করেন রিয়াদ। সেই সাথে বোলারদেরও কৃতিত্ব দিলে এই বাংলাদেশ অধিনায়ক।

“গতকাল যখন এইটা নিয়ে কথা হয়েছিলো তখন ওদের ৩১২ রানের লিডে ছিল। এই ধরণের উইকেটে যদি আপনি পজেটিভ না থাকেন, বোলারদের সুযোগ দেন তাহলে ক্ষতিটা নিজেদেরই। অন্যদিকে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কোন বলটা আমি মারতে পারবো, কোন বলটা ডিফেন্ড করতে পারবো কিংবা স্ট্রাইকটা রোটেট করতে পারবো। অন্যথায় এটা অনেক কঠিন হবে আপনার জন্য।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের প্রথমে কথা হয়েছিলো, যদি ইতিবাচক খেলতে পারি তাহলে এই ম্যাচে আমাদের সুযোগ থাকছে। কারণ আপনে দেখেছেন, এইখানে বল সুইং হচ্ছে, সোজা হচ্ছে, বাউন্স হচ্ছে আবার নিচেও নামছে। তারপরেও কৃতিত্বটা বোলারদেরই দিতে চাই। ওরা সব সময়েই চাপে রাখতে পেরেছিল।”

আরও পড়ুনঃ টি-টোয়েন্টি দলে পাঁচ নতুন মুখ!

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

আম্পায়ারকে গালি দিয়ে শাস্তি পেলেন নাসির

হঠাৎ যে কারণে জাতীয় দলে আল আমিন-সানি

পাকিস্তান থেকে ফিরে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষকদের সবুজ সংকেত

সাংবাদিকরা সব জানেন, বলতে চান না!

দল জেতায় শতক হাতছাড়ার আক্ষেপ নেই সোহানের