প্রথম শতকের মালিক বললেন, শতক হাঁকানো কঠিন!

0
1600

ইংলিশ ক্রিকেটার লরি ইভান্স এবারই প্রথম খেলছেন বিপিএলে। রাজশাহী কিংসের বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে বড় নাম তেমন নেই বললেই চলে। দলটিকে সাফল্যও এনে দিচ্ছিলেন মূলত দেশিরা।

তবে সোমবার (২১ জানুয়ারি) দলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন বিদেশিরাই। ব্যাট হাতে দলকে বড় পুঁজি এনে দেওয়ার পেছনে অবদান ছিল লরি ইভান্স ও রায়ান টেন ডেসকাটের। তবে ষষ্ঠ বিপিএলের প্রথম শতক হাঁকিয়ে মূল অবদানটা ইভান্সেরই।

Advertisment

ম্যাচ শেষে ‘ম্যান অব ম্যাচে’র খেতাব নেওয়ার সময় ইভান্স বলেন, ‘এখানে আমি এই প্রথম খেলছি। আমার জন্য এটি কঠিন। যেখানে অনেক ব্যাটসম্যানকে রানের জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে, সেখানে এমন একটি শতক হাঁকানোর সুযোগ পেয়ে ভালো লাগছে।’

ইভান্স আরও বলেন, ‘রায়ান টেন ডেসকাটের সাথে ব্যাট হাতে জুটি গড়তে পারাটা দারুণ। মিরপুরে আমাদের সর্বশেষ ম্যাচে বল বেশ ভালো ব্যাটে আসছিলশেষদিকে আমি নিজের মত খেলতে পেরেছি, পেসারদের চাপে রাখতে পেরেছি।’

রাজশাহী কিংস ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মধ্যকার ম্যাচে টস জিতে এদিন প্রথম বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন কুমিল্লার অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। তার সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না- সেই প্রমাণও দিচ্ছিলেন দলের বোলাররা। দলীয় ৭ রানে ওপেনার শাহরিয়ার নাফীস, ১৩ রানে ওয়ান ডাউনে নামা অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও ২৮ রানে গত ম্যাচের জয়ের নায়ক মার্শাল আইয়ুবকে হারায় রাজশাহী।

তবে দলের বিপর্যয় সামাল দিতে এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন ওপেনার লরি ইভান্স। ইংলিশ এই ক্রিকেটারকে সঙ্গ দেন রাজশাহী কিংসের আরেক বিদেশি ক্রিকেটার নেদারল্যান্ডের রায়ান টেন ডেসকাট। চতুর্থ উইকেটে দুজনে গড়ে তোলেন ১৪৮ রানের অবিচ্ছিন জুটি, যা ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত ক্রিজ দখল করে ছিল প্রবল প্রতাপে।

আর এই জুটি গড়ার সুযোগেই ইভান্স তুলে নেন বিপিএলে প্রথম সেঞ্চুরি। একইসাথে এটি ষষ্ঠ বিপিএলের প্রথম শতরানের ইনিংসও।

মাত্র ৬১ বলের মোকাবেলায় ৯টি চার ও ৬টি ছক্কার মাধ্যমে ১০০ রান পূর্ণ করেন ইভান্স, ম্যাচের শেষ ওভারের তৃতীয় বলে থিসারা পেরেরাকে ছক্কা হাঁকিয়ে। ইনিংসের শেষ বলে ইভান্স হাঁকান আরেকটি চার, ফলে ৬২ বলে ১০৪ রান করে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন।

ইভান্সের যোগ্য সমর্থন পেয়ে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন ডেসকাটও। অবশ্য ইভান্সের তুলনায় ডেসকাট একটু ধীর-স্থির ছিলেন। ৪১ বলের মোকাবেলায় ২টি চার ও ৩টি ছক্কার মাধ্যমে তার ব্যাট থেকে আসে ৫৯ রান।