Scores

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তামিমের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড

প্রায় ৬ বছর পর বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে খেলতে নেমেছিলেন তামিম ইকবাল। ট্রিপল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে প্রত্যাবর্তনটাকে স্মরণীয় করে রাখলেন বাঁহাতি এ ওপেনার। দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে এ কীর্তি গড়েন তিনি। এতেই ক্ষান্ত হননি, গড়েছেন বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ (৩৩৪*) ব্যক্তিগত রানের ইনিংসও।

বিদেশের মাটিতে এশিয়ার সেরাদের কাতারে তামিম

২০০৬-০৭ মৌসুমে জাতীয় ক্রিকেট লিগে ট্রিপল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন রকিবুল হাসান। ঐবার সিলেট বিভাগের বিপক্ষে ৩১৩ রানের  অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। এতদিন এটাই ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একমাত্র ট্রিপল সেঞ্চুরি ও সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে রকিবুলের কীর্তিকে আজ ছাপিয়ে গেলেন তামিম।

Also Read - তামিম ইকবালের ট্রিপল সেঞ্চুরি পূর্ণ



প্রত্যাবর্তনী ম্যাচের শুরু থেকেই ছন্দে ছিলেন তামিম। আগ্রাসী মেজাজ অব্যাহত রেখে শনিবার দেখা পান ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরির। যা আজ ট্রিপল সেঞ্চুরিতে পরিণত করেন দেশসেরা বাঁহাতি এ ওপেনার।

মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের ষোড়শ শতক পূর্ণ করতে তামিম খেলেন ১২৬ বল। ১৪ চারে মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। ১০০ থেকে ব্যক্তিগত সংগ্রহকে ২০০তে পরিণত করতে এরপর খেলেন আরও ১১৬ বল। মোট ২৪২ বল মোকাবেলায় ২৯ চারে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি।

এরপর টপকে যান ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করা ক্যারিয়ার সেরা ২০৬ রানের ইনিংস। ২২২ রানে দিন শেষ করার পর আজ তৃতীয় দিনে আবারও খেলা শুরু করেন তিনি।  প্রথম সেশনেই দেখা পান ক্যারিয়ারের প্রথম ২৫০ রানের।

ম্যাচে এরপর তাকে দেখা যায় সতর্ক হয়ে ব্যাট করতে। যার ফলে পরবর্তী ১০০ রান করতে ১৬৫ বল খেলেন তামিম। শেষ পর্যন্ত ৫৬০ মিনিট ও ৪০৭ বল খেলে অনন্য এ কীর্তি গড়েন তিনি। ট্রিপল সেঞ্চুরির পথে খেলেন ৪০টি চারের মার।

ট্রিপল সেঞ্চুরির পর নতুন করে বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ইতিহাসের সর্বোচ্চ রানের নতুন রেকর্ড গড়েন তিনি। ৩৩৪ রানে অপরাজিত থেকে শেষ পর্যন্ত ইনিংস শেষ করেন তিনি। ৫৮৫ মিনিট ক্রিজে থেকে ৪২ চার ও ৩ ছক্কায় এ রান করেন তিনি।


অপ্রতিরোধ্য তামিমে ৩৪২ রানের লিড দিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে পূর্বাঞ্চল। ২ উইকেটে পূর্বাঞ্চলের করা ৫৫২ রানের ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকান মুমিনুল হকও। ১১১ রান করে তার আউটের পর ক্রিজে আসেন ইয়াসির আলি। অর্ধশতকের দেখা পান তিনিও। শেষ পর্যন্ত ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন ইয়াসির।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ২১৩ রানে অল-আউট হয় মধ্যাঞ্চল। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৮ রান আসে সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘন্টা ব্যাট করে একমাত্র অর্ধশতকটি তুলে নেন এ ওপেনার। ৩৩৩ মিনিট ক্রিজে থেকে এ রান করেন তিনি। সাইফ ছাড়া তাইবুর রহমান ৪৬, সৌম্য সরকার ৩৬ ও সোহরাওয়ার্দী শুভ’র ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান।

পূর্বাঞ্চলের বোলারদের মধ্যে তাইজুল ইসলাম নেন সর্বোচ্চ পাঁচটি উইকেট। ২২ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৮ মেডেনের বিপরীতে ৫৮ রান দিয়ে এ সাফল্যর দেখা পান তিনি। তাছাড়া আবু জায়েদ রাহী ও নাঈম হাসান লাভ করেন দুটি করে উইকেট। বাকি উইকেটটি নিজের নামের পাশে যোগ করেন হাসান মাহমুদ।

মধ্যাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের ম্যাচটি সরাসরি দেখুন-

প্রথমবারের মত বিডিক্রিকটাইম নিয়ে এলো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন। বাংলাদেশ এবং সকল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বল বাই বল লাইভ স্কোর, এবং সাম্প্রতিক নিউজ সহ সবকিছু এক মুহূর্তেই পাবেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অনলাইন পোর্টাল BDCricTime এর অ্যাপে। অ্যাপটি ডাউনলোড করতে গুগল প্লে-স্টোর থেকে সার্চ করুন BDCricTime অথবা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

Related Articles

এক যুগ পর স্বস্তি ফেরালেন তামিম-শান্ত

তামিমকেই বেশি কৃতিত্ব দিচ্ছেন আতহার

মানসিকভাবে অনেক শান্ত ছিলাম : শান্ত

শান্ত-মুমিনুলদের দাপটে প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ‘৩০২’

নব্বইয়ে আউট হওয়া যে কারও জন্য কষ্টের : নাফিস