প্রাইম ব্যাঙ্কের বড় জয়


ব্যাটে-বলে অপরতিরোধ্য হয়ে উঠা গাজী গ্রুপের ছন্দে ছেদ পড়েছে হঠাৎ। টানা একের পর এক জয়ের পর কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের সাথে প্রথম হারের স্বাদ পায় তারা। এরপরের ম্যাচে আবারো পরাজিত হলো গাজী গ্রুপ।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। দ্বিতীয় ওভারেই নাজমুল ইসলামের বলে উইকেটের পেছনে জাকির হাসানকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান এনামুল। পরের ওভারে আরেক ওপেনার মেহেদি হাসানও জাকিরকে ক্যাচ দেন আল-আমিনের বলে। ৩ রানেই দুই উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ; এরপর হাল ধরেন মোমিনুল হক ও জহুরুল ইসলাম। প্রথমদিকে গাজী গ্রুপকে ভালোই চেপে ধরেছিল প্রাইম ব্যাঙ্ক। মোমিনুল ও জহুরুলের ব্যাটে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে গাজী গ্রুপ।

মোমিনুল ও জহুরুল ১৪৯ রানের জুটি গড়েন। ৩ চার ও ১ ছয়ে ১০৬ বলে ৭৯ রান করে আউট হন মোমিনুল। পরের বলে পারভেজ রাসুলকে বোল্ড করেন নাজমুল। ঐ ওভার শেষ হওয়ার পর রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যান ৮৪ বল মোকাবেলা করে ৬৬ রান করা জহুরুল। আবারো বিপদে পড়ে গাজী গ্রুপ। নাদিফ চৌধুরী ও সোহরাওয়ার্দী শুভ ৪৬ রানের জুটি গড়েন। ২৫ বলে ১৫ রান করে শুভ বোল্ড হন আসিফের বলে। লোয়ার অর্ডারে কেউ অবদান রাখতে পারেনি। নাদিফ ৪০ বলে করেন ২৬। স্কোরবোর্ডে মাত্র ২১৪ রান তুলতে সমর্থ হয় গাজী গ্রুপ।

Advertisment

জবাবে জাকির ও মারুফ ৩৫ রানের ভিত গড়ে দেন প্রাইম ব্যাঙ্ককে। ১৬ রান করে হোসেন আলির বলে আউট হন মারুফ। এরপর জাকির ও অভিমন্যু ইশ্বরন যোগ করেন ৯৫ রান। ৭৯ বলে ৬৬ রানের ইনিংস খেলে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন জাকির। ৫২ রান করে আউট হন ইশ্বরন। আল-আমিন ও তাইবুরের ৬৬ রানের জুটিতে জয় আরো সহজ হয়ে যায় তাদের।

দলীয় ২০৬ রানের মাথায় বিদায় নেন তাইবুর (৩৩)। এরপর সালমান ও আল-আমিন দলকে জয়ের বন্দরে পৌছেঁ দেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ২১৪/৯, ৫০ ওভার
মোমিনুল ৭৯, জহুরুল ৬৬, নাদিফ ২৬
নাজমুল ৩/৪৫, আল-আমিন ২/২০

প্রাইম ব্যাঙ্ক ২১৮/৩, ৪৬.৫ ওভার
জাকির ৬৬, ইশ্বরন ৫২, আল-আমিন ৪১*
আলি ১/২৮, মোমিনুল ১/৩৪

-আজমল তানজীম সাকির, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটাইম ডট কম