Score

ফিল্ডিং কোচের সন্ধানে বিসিবি

২০১৪ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ দলের ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব নিয়েছিলেন রিচার্ড হ্যালসল। দুই বছরের চুক্তিতে আসা হ্যালসলের মেয়াদ ২০১৬ তে শেষ হলে আবারো তার সাথে চুক্তি নবায়ন করে বিসিবি। ফিল্ডিং কোচের পাশাপাশি দায়িত্ব দেওয়া হয় সহকারী কোচেরও। সবশেষে নিদাহাস ট্রফির আগে তাকে ছুটি দেয় বিসিবি। নিদাহাস ট্রফির শেষে ফিল্ডিং কোচের পদ থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দেন হ্যালসল।

‘আমরা এখনও চেষ্টা করছি। পার্টিকুলার কোনো কোচ এখনও আমরা পাইনি। কিন্তু চেষ্টা করা হচ্ছে জুন মাসে ওয়েস্ট উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের আগেই নিয়োগ দেওয়া। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি আমরা। আমাদের যেসব ক্রাইটেরিয়া আছে সেসব ক্রাইটেরিয়া অনেকে ফুলফিল করছে না, যার কারণে দেরি হচ্ছে।’

তার বিদায়ে আপাতত ফিল্ডিং কোচের জায়গাটা ফাঁকাই। তাই বিসিবি প্রধান কোচের পাশাপাশি খুঁজছেন ফিল্ডিং কোচও। রিচার্ড হ্যালসলের মতই কাউকে খুঁজছে বিসিবি জানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস। মঙ্গলবার মিডিয়ার সঙ্গে এসব ব্যাপারে কথা বলেন তিনি।

Also Read - পরামর্শক কারস্টেনকে চায় বিসিবি

‘ওখানে আরেকজনকে দেওয়া হবে। আমাদের মূলত দরকার ফিল্ডিং কোচ। হ্যালসল তো ফিল্ডিং কোচের কাজ করছিল। বিদেশি কোচ খোঁজা হচ্ছে।’

গত অক্টোবর থেকে নেই বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচও। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত হেড কোচ খুঁজে পায়নি বিসিবি। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান জানিয়েছিলেন আগামী মাস, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই আসছে বাংলাদেশ দলের নতুন হেড কোচ। নতুন মাস্টার ক্রিকেট বিশ্বে অনেক হাই প্রোফাইলিক জানিয়েছেন তিনি।

তবে এখনো কোচ নিয়োগের বিষয়ে বিসিবি কতদূর এগিয়েছে সেটি তারাই ভালো জানে। বিসিবি প্রধান এপ্রিলে নতুন কোচ নিয়োগের কথা বললেও মিডিয়া কমিটির প্রধান বলেছেন আগামী জুনে উইন্ডিজ সফরের আগেই টাইগারদের জন্য নতুন কোচ নিয়োগ দেওয়া হবে। মূলত নির্দিষ্ট কিছু কারণেই নিয়োগ দেওয়া হচ্ছেনা হেড কোচ।

‘আমরা এখনও চেষ্টা করছি। পার্টিকুলার কোনো কোচ এখনও আমরা পাইনি। কিন্তু চেষ্টা করা হচ্ছে জুন মাসে ওয়েস্ট উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের আগেই নিয়োগ দেওয়া। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি আমরা। আমাদের যেসব ক্রাইটেরিয়া আছে সেসব ক্রাইটেরিয়া অনেকে ফুলফিল করছে না, যার কারণে দেরি হচ্ছে।’

কোচ না থাকায় ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজ, টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলের প্রধান কোচের ভূমিকায় ছিলেন খালেদ মাহমুদ। তার অধীনে ব্যর্থ হয় দল। পরবর্তীতে নিদাহাস ট্রফিতে প্রধান কোচের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশকে। প্রধান কোচের ভূমিকায় বেশ সফলই হয়েছেন ওয়ালশ। গুঞ্জন উঠেছে ওয়ালশকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে বাংলাদেশের প্রধান কোচের। তবে শেষ পর্যন্ত ওয়ালশকে প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হবে কি না সেটি বোর্ডের সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন জালাল ইউনুস।

আরও পড়ুনঃ পরামর্শক কারস্টেনকে চাইছে বিসিবি 

Related Articles

পুরো ফিট মুস্তাফিজকে পেলেই খুশি ওয়ালশ

মাশরাফির সাথে অন্যদের পার্থক্য কোথায়? জানালেন ওয়ালশ

“সিরিজটি অনেক স্মরণীয় হয়ে থাকবে”

ওয়ালশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবেন পেসাররা

জ্যামাইকায়ও থাকবে সবুজ উইকেট!