বন্ধ সিএসএর কার্যক্রম, সরকারের নিয়ন্ত্রণে প্রোটিয়াদের ক্রিকেট

বিশাল এক ঝড়ের ঝাপ্টা এবার দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে। বিগত কয়েক দিন বোর্ড সদস্যদের মানসিক লড়াই আর টানাপোড়নের পর দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার দেশটির ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার (সিএসএ) সব কার্যক্রম স্থগিত করেছে। 

'৬০ দিন' ক্রিকেটীয় কার্যক্রম বন্ধ দক্ষিণ আফ্রিকায়

Advertisment

সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে নিষেধাজ্ঞার মত বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, দেশের ক্রিকেটে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ বা প্রভাব থাকতে পারবে না। এই নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকান সরকার ক্রিকেট বোর্ডকে অকার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছে।






গত এক মাসে সিএসএর চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন, বোর্ড বহিস্কার করে প্রধান নির্বাহীকে। কয়দিন পর নতুন করে পর্ষদ সাজানোর কথা ছিল। এরই মধ্যে ক্রিকেটের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে সরকারের হাতে। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রীড়া কনফেডারেশন ও অলিম্পিক কমিটি এক চিঠিতে উল্লেখ করেছে, সিএসএর বোর্ড সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্তাদের তাদের পদ থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে। গত ডিসেম্বর থেকে বোর্ডের কর্তাদের ‘ক্ষমতা ও পদের অপব্যবহারের’ জেরেই এই সিদ্ধান্ত সরকারের।

যদিও এই ঘটনাকে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের জন্য দুশ্চিন্তার বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে সমর্থক, দর্শক ও ভক্তদের কাছে ক্রিকেটের আস্থা ও বিশ্বাস কমে যাবে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।





সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে নিকট অতীতে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিল জিম্বাবুয়ে, যা দলটিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব থেকে ছিটকে দেয়। শুধু ক্রিকেটই নয়, ফুটবলেও সরকারের হস্তক্ষেপে আছে নিষেধাজ্ঞার ঘটনা। একাধিকবার সরকারের ‘নাক গোলানো’র কারণে ফুটবলে নিষিদ্ধ হওয়ার নজির আছে নাইজেরিয়ার।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।