Scores

বাংলাদেশের প্রশংসা করায় হার্শার করুণ পরিণতি; স্মরণ করালেন ইরফান

করোনাভাইরাসের কারণে থমকে গেছে পুরো ক্রিকেট বিশ্ব। সকল ধরনের ক্রিকেট আপাতত বন্ধ। তবে ক্রিকেট বন্ধ থাকলেও ক্রিকেটাররা ফেসবুক, ইউটিউব ও ইন্সটাগ্রামসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে সময় দিচ্ছেন ভক্তদের জন্য। দেশীয় ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ভিনদেশী ক্রিকেটাররাও যার যার দেশের সাংবাদিকদের সাথে লাইভে আসছেন। সম্প্রতি ক্রিকইনফোর সাংবাদিক রওনক কাপুরের সাথে লাইভে আসেন ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান।

বর্তমানে ক্রিকেটের বাইরের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টুইট করে আলোচনায় আছেন ইরফান। এখন প্রায় নিয়মিতই টুইট করেন ভারতের দুই প্রধান ধর্মের মানুষের মাঝে ভাতৃত্ব তৈরির জন্য।ভারতের মিডিয়ায় এখন প্রায়ই বিভাজন তৈরি করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন করে অভিযোগ রয়েছে।

ইরফান তার বর্তমান সময়ের টুইট গুলো নিয়ে কাপুরকে বলেন, “ আপনাকে সবসময় সত্যবাদী হতে হবে। আমার কথায় হাজারো ভক্ত প্রভাবিত হতে পারে, কারণ আমি ভারতের হয়ে খেলেছি ; আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করেছি। তাই আমাকে সবসময় চিন্তা করে কথা বলতে হয়। আমি ঐক্য চাই সবার তাই সবসময় ঐক্যর কথাই বলবো। আমি সবসময় চেষ্টা করি আমার পারিবারিক জীবন একেবারে ব্যক্তিগত রাখার। মিডিয়া চাইবে সবসময় ঝগড়া লাগানোর চেষ্টা করে আমার কাজ মানুষকে মেলানোর যেহেতু আমি ভারতের হয়ে খেলেছি। ”

Also Read - মাশরাফির চিকিৎসার দায়িত্বে সিএমএইচের চিকিৎসকরা


এই ধরনের স্পর্শকাতর ব্যাপারগুলো নিয়ে ভারতীয় অন্য ক্রিকেটাররা কেন চুপ থাকেন উপস্থাপকের এমন প্রশ্নে ইরফান পরোক্ষভাবে টেনে আনেন বাংলাদেশ ইস্যু। ইরফান বলেন,

“ কিছু বলতে গেলে আমাদের জেরার মুখে পড়ার ভয় রয়েছে। আপনি মনে করে দেখেন কয়েক বছর আগে এক ভারতীয় ধারাভাষ্যকার বিদেশী দলের প্রশংসা করায় একজন বড় অভিনেতা টুইট করে নিজের অস্বস্তি প্রকাশ করেন এবং কয়েকদিন পর সেই ধারাভাষ্যকারের চাকুরি চলে যায়। এইসব ভয়েই এখন কেউ কিছু বলেনা। আপনি আমাদের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন, তাহলে সবাই বলবে।”

ইরফান কথার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ২০১৬ টি- টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হার্শা ভোগলের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেন। সেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ভারত ম্যাচে বাংলাদেশের অনেক প্রশংসা করেন হার্শা ভোগলে। তা পছন্দ হয়নি বলিউড লিজেন্ড অমিতাভ বচ্চনের। টুইট করে প্রশ্ন তুলেন কেন ভারতীয় ধারাভাষ্যকাররা বিদেশী দলের এত প্রশংসা করবে?

সেই টুইটের কিছুদিন পরই বিসিসিআইয়ের ধারাভাষ্যকারের চাকুরি হারান হার্শা ভোগলে। অনেকের ধারনা এই টুইটের ফলেই হার্শার এই পরিণতি হয়েছিল।

Related Articles

করোনা আক্রান্ত অমিতাভ বচ্চন, আরোগ্য কামনায় ক্রিকেটাররা

বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন অমিতাভ বচ্চন

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি সেমিফাইনাল নিয়ে অমিতাভ বচ্চনের রসিকতা