Scores

বাংলাদেশের ‘২’ বছর আগের পরিণতি হতে যাচ্ছে আফগানিস্তানের!

বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের কারণে সকল ধরনের খেলাধুলা আপাতত বন্ধ। আইসিসি তাদের বিভিন্ন বাছাইপর্বের খেলা আগামী জুন মাস পর্যন্ত বন্ধ রেখেছে। লম্বা সময় ক্রিকেট ভক্তদের জন্য থাকছেনা কোনো ক্রিকেট। করোনা পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে ও মাঠের ক্রিকেট আবারো ফিরে আসবে এই আশাতেই রয়েছেন বর্তমানে কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্ত। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি খুব একটা আশা দিচ্ছেনা।

২ বছর আগের বাংলাদেশের পরিনতি হতে যাচ্ছে আফগানিস্তানের!
আফগানিস্তান টেস্ট দল। ছবি : বিসিসিআই

 

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সকলের চোখ থাকবে বছর শেষের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপ নিয়ে নানান সময় নানান ধরনের তথ্য আসছে গণমাধ্যমে। তবে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড বর্তমানে বিশ্বকাপের তুলনায় বছরের শেষে ভারতের বিপক্ষে হতে যাওয়া টেস্ট সিরিজ নিয়েই বেশি চিন্তিত।

Also Read - ভারতীয় ক্রিকেটারের সেরা একাদশে কোহলি নেই, আছেন সাকিব


ভারতীয় দলের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ প্রতি বোর্ডের জন্যই আয়ের অন্যতম উৎস। বছর শেষে বিশ্বকাপের পরপরই অস্ট্রেলিয়ায় ৪ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলার কথা ভারতের। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটাও হুমকির মুখে। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের সিইও কেভিন রবার্টস জানান, “আমরা সব রকমের চেষ্টা করে দেখবো এই সিরিজ মাঠে গড়ানোর জন্য যা এই পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি যে কোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে। সৌভাগ্যক্রমে আমাদের ভারত সিরিজের আগে এখনো অনেক সময় বাকি রয়েছে তাই বিভিন্ন উপায় নিয়ে ভেবে দেখতে পারি। তবে আপাতত আমরা কোন সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিচ্ছিনা।”

ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার চার টেস্টের বদলে পাঁচ টেস্টের সিরিজ খেলার উপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “যেমন আমরা দুই দলই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ টেস্টের সিরিজ খেলে থাকি তেমনি আমাদেরও ৫ টেস্টের সিরিজ খেলা উচিত। তবে প্রশ্ন হচ্ছে সেটা আগামী ২০২৩ সালের এফটিপির আগে সম্ভব হওয়া নিয়ে। আমরা জানিনা আগামী সফরে কি হবে, তবে নিয়মিত যেহেতু পরিস্থিতি পরিবর্তন হচ্ছে তাই বলা সম্ভব না কখন কি সমীকরণ দাড়ায় আমাদের সামনে।”

ভারতের বিপক্ষে বছরের শেষে অস্ট্রেলিয়া পাঁচ টেস্টের সিরিজ খেললে ভেঙ্গে যেতে পারে আফগানিস্তানের স্বপ্ন। কারণ অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের পরিকল্পনা আসন্ন সিজনে পাঁচটি টেস্ট খেলার। ভারতের বিপক্ষে একটি অতিরিক্ত টেস্ট খেললে কাটা যাবে নভেম্বরের আফগানিস্তানের বিপক্ষে হতে যাওয়া টেস্ট। অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের মাটিতে ছোট দলগুলোর টেস্ট খেলার সুযোগ কমই হয়। অস্ট্রেলিয়াও সহজে তাদের সুযোগ দিতে নারাজ।

২০১৮ সালে বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়া সফর করার কথা ছিল। তবে ক্ষতির কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশকে আতিথেয়তা দিতে রাজি হয়নি অস্ট্রেলিয়া। আফগানিস্তানের এশিয়ার বাইরে এত বড় দলের বিপক্ষে টেস্ট খেলার স্বপ্নও বোধ হয় স্বপ্নই রয়ে যাবে, যদি দুই বোর্ড রাজি হয়। অস্ট্রেলিয়ান বোর্ড অবশ্যই চাইবে ভারতের বিপক্ষে অতিরিক্ত একটি টেস্ট আয়োজন করে করোনার জন্য হওয়া ক্ষতি পুষিয়ে নিতে।

আফগানিস্তান বোর্ডের সেই ক্ষমতাও নেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে কথা তোলার তাদের টেস্ট যেন অস্ট্রেলিয়া বাতিল না করে। কারণ করোনা পরবর্তী সকল বোর্ডই চাইবে নিজেদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে। তখন ছোট বোর্ডগুলোর গুরুত্ব পাওয়া বেশ মুশকিলই হবে বিগ থ্রির সামনে। করোনা পরবর্তী ক্রিকেট কূটনীতির লড়াইয়ে কোন বোর্ড নিজেদের সিরিজ গুলো বাঁচিয়ে রাখতে পারে সেটার উপর সামনে নজর থাকবে ক্রিকেট ভক্তদের। তবে অস্ট্রেলিয়ান বোর্ডের প্রতিবার ছোট দলগুলোর বিপক্ষে হোম সিরিজ আসলেই এমন আচরণ প্রশ্ন তুলবে সকলের মনেই।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের দিবারাত্রির টেস্ট চূড়ান্ত

ভারতই ‘বাঁচাতে’ পারে অস্ট্রেলিয়াকে

ভারতকে নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার

শচীনকে আউট করায় জীবন নাশের হুমকি পেয়েছিলেন ম্যাকগ্রা

ইনস্টাগ্রামে ‘কমেন্ট’ করে শাস্তির মুখে অজি ক্রিকেটাররা!