বাকি ম্যাচগুলো জেতার প্রত্যয় শরীফের কণ্ঠে

টানা পাঁচ ম্যাচে হারার পর জয়ের মুখ দেখেছে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ছয় ম্যাচ শেষে এখন পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে তারা। তবে হাতে আছে আরো ছয় ম্যাচ। এ ছয় ম্যাচে ভালো করলে যেকোনো কিছু হতে পারে বলে মনে করেন কুমিল্লার পেসার মোহাম্মদ শরীফ।

সংবাদ সম্মেলনে শরীফ
সংবাদ সম্মেলনে শরীফ

সংবাদ সম্মেলনে দলের শুরুতে বিবর্ণ পারফরম্যান্স নিয়ে শরীফ বলেন, “আমরা তো আসলেই জেতার জন্য খেলেছি এতোদিন।  শেষবার তো আমরা চ্যাম্পিয়ন। সবার আশা ছিলো আমরা শুরুটা ভালো করবো। দূর্ভাগ্যক্রমে সেটা হয়নি। এটা তো টি-২০ ক্রিকেট। যেকোনো কিছু হতে পারে। যদি বিশ্বের সেরা ১১ জনকেও নামাই তাহলেও জেতা অনেক সময় সম্ভব হয় না। ভাগ্যেরও বিষয় থাকে।একটু দেরি হলেও আমরা আশা করি পরের ম্যাচগুলোতে ভালোভাবে ফিরে আসবো।”

এ জয়টা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিলো বলে মনে করেন তিনি। স্যামুয়েলসের ব্যাটিং প্রসঙ্গ তুললে তিনি বলেন, “স্যামুয়েলস হয়তো একটু মন্থর ব্যাটিং করেছে। সেটা হয়তো টিমের জন্য পজিটিভ ছিল না। এখন টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করেছে শেহজাদকে খেলাবে। জয়টা প্রয়োজন ছিলো। যেই খেলুক আমাদের প্রয়োজন ছিলো একটা জয়। ”

Also Read - মোসাদ্দেক, মারুফের প্রশংসায় পঞ্চমুখ জয়াবর্ধনে


নাবিল সামাদকে রাখা হলেও দেওয়া হয়নি বোলিং। এ ব্যাপারে শরীফ বলেন, “স্পিনার ছিলো আমাদের। নাবিল সামাদ ছিলো। আমরা করাইনি শিশিরের কারণে। শিশির থাকলে স্পিনারদের গ্রিপ করতে সমস্যা হয়। সেজন্য দেয়া হয়নি। পেস বোলাররা ভালো করছিলো। উইকেটে বল নিচে নামছিলো। সেইটা হয়তো স্পিনারদের জন্য কঠিন হতো। ”

“উইকেটের কন্ডিশন বিবেচনা করে আমরা স্পিনার দেইনি।”

জিতলেও ২০ রান কম হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। “আমি প্রথমেই বলেছিলাম কমপক্ষে ১৫০ করতে হবে। কারণ শিশির একটা ফ্যাক্টর। যদিও আমরা ১৫০ এর মতো করেছি। তবে আমারক আছে মনে হয় আমরা ১৭০ এর মতো করতে পারতাম। আমাদের ২০ টা রান কম হয়ে গেছে। যাই হোক, জেতাটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলো,” বলেন শরীফ।

কুমিল্লার হাতে আছে ছয় ম্যাচ। এ ছয় ম্যাচে এভাবে জিততে থাকলে যেকোনো কিছুই হতে পারে বলে মনে করেন শরীফ। তিনি বলেন, “আমাদের আরো ছয়টা ম্যাচ বাকি আছে। যদি জিততে থাকি তাহলে কি হয়। আপনি কখনো জানেন না যে পরিস্থিতি কখন কোথায় ঘুরে দাঁড়াবে। ”

-আজমল তানজীম সাকির, প্রতিবেদক, বিডিক্রিকটিম ডট কম 

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন