বায়োবাবল ভেঙে ফাইনালের আগে বহিষ্কৃত পেশোয়ারের দুই ক্রিকেটার

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) জৈব সুরক্ষা বলয় ভেঙে দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন দুই ক্রিকেটার হায়দার আলী ও উমাইদ আসিফ। ফলে মহাগুরুত্বপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না তারা।

বায়োবাবল ভেঙে ফাইনালের আগে বহিষ্কৃত পিএসএলের দুই ক্রিকেটার

Advertisment

হায়দার ও উমাইদ দুইজনই পেশোয়ার জালমির হয়ে পিএসএলে অংশ নিচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) পিএসএলের ষষ্ঠ আসরের ফাইনাল ম্যাচে মুলতান সুলতান্সের মুখোমুখি হবে পেশোয়ার। তার আগে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে হায়দায় ও উমাইদকে।

পিএসএলের ষষ্ঠ আসর শুরু হয়েছিল পাকিস্তান, তবে জৈব সুরক্ষা বলয়ে করোনা ছড়িয়ে পড়লে আসর স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে কড়াকড়িভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অসমাপ্ত অংশ শুরু হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। হায়দার ও উমাইদ এই কড়াকড়ির মাঝেই বলয় ভাঙার দুঃসাহস করেছেন।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ- বলয়ের অন্তর্গত নয় এমন স্থানে তারা গিয়েছিলেন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখেননি। দুই ক্রিকেটারই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মেনে নিয়েছেন। বলয় ভাঙার পর দলের অন্য ক্রিকেটারদের সাথে আর মিশতে দেওয়া হয়নি তাদের, সোজা পাঠানো হয়েছে আইসোলেশনে।

গত বুধবার হায়দার ও উমাইদ জৈব সুরক্ষা বলয় ভেঙে বেড়িয়ে পড়েন। জানতে পেরে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) পিসিবি অনেকটা তড়িঘড়ি করেই তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পিসিবির চিফ অপারেটিং অফিসার ব্যারিস্টার সালমান নাসির ও অর্থ বিভাগের পরিচালক বাবর হামিদ এই শাস্তি বিধান করেন।

হায়দারের শাস্তির মাত্রা অবশ্য উমাইদের চেয়ে বেশি। কারণ তাকে বাদ পড়তে হয়েছে জাতীয় দল থেকেও। বলয়ের প্রটোকল ভাঙার অপরাধে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের দল থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তার বদলি হিসেবে এই দুই সফরের দলে নেওয়া হয়েছে সোহাইব মাকসুদকে। পিএসএলে ১১ ম্যাচ খেলে ৩৬৩ রান করা মাকসুদ সুখবর পেলেন বটে, তবে তা হায়দারের কুকীর্তিতে!