বিকেএসপিতে পেসারদের দাপট, রেজা-রাব্বির অর্ধশতক

0
342

২৩তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) চতুর্থ রাউন্ডের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪নং মাঠে একদিনে ১২ উইকেট শিকার করেছেন রাজশাহী ও ঢাকা মেট্রোর পেসাররা। অপর ম্যাচে, ৭৬ রানের ইনিংস খেলেছেন ফজলে মাহমুদ রাব্বি।

বিকেএসপিতে পেসারদের দাপট, রেজা-রাব্বির অর্ধশতক
৭ উইকেট শিকার করেছেন ঢাকা মেট্রোর শহিদুল ইসলাম

ঢাকা মেট্রো বনাম রাজশাহী বিভাগ : ঢাকা মেট্রো টস জিতে রাজশাহীকে আগে ব্যাট করার জন্য আমন্ত্রণ জানায়। আবু হায়দার রনির বলে এলবিডব্লিউয়ের হয়ে গোল্ডেন ডাকের শিকার হন তানজিদ হাসান তামিম। দ্বিতীয় উইকেটে ৬৬ রানের জুটি গড়েন মিজানুর রহমান ও জুনায়েদ সিদ্দিক। তাদের জুটি ভাঙেন শহিদুল ইসলাম। ৩৩ বলে ২৬ রান করেন জুনায়েদ।

Advertisment

৪৮ রান করে একেএস স্বাধীনের শিকার হন মিজানুর। অভিষেক মিত্র ১১ বলে ২ ও ফরহাদ হোসেন ৬৫ বলে ২০ রান করে বিদায় নিলে ১০৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে রাজশাহী। ষষ্ঠ উইকেটে ৫৫ রানের জুটি গড়ে এই ধাক্কা সামাল দেন প্রীতম কুমার ও ফরহাদ রেজা। প্রীতম বিদায় নেন ৬৪ বলে ৩০ রান করে।

অর্ধশতক হাঁকান ফরহাদ রেজা। খেলেন ১০৪ বলে ৬০ রানের ইনিংস। শহিদুল ইসলামের বলে আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এরপর সানজামুল ইসলামের ব্যাট থেকে আসে ৫৬ বলে ৩৯ রান।

রাজশাহী অলআউট হয় ২৩২ রানে। ১০টি উইকেটই শিকার করেছেন পেসাররা। শহিদুল ৭টি, স্বাধীন ২টি এবং রনি ১টি উইকেট পেয়েছেন।

শেষ বিকালে ১২.২ ওভার ব্যাট করে দুটি উইকেট হারিয়েছে ঢাকা মেট্রো। এখানেও দুটি উইকেটই নিয়েছেন পেসাররা। মুনিম শাহরিয়ার ২০ বলে ১৪ রান ও মিনহাজুল আবেদীন সাব্বির ১১ বলে ৫ রান করেন। জাহিদুজ্জামান খান ৩৭ বলে ২৮ রান ও শামসুর রহমান শুভ ৬ বলে ৩ রানে অপরাজিত আছেন। ঢাকা মেট্রোর ২ উইকেটে ৫৩ রান সংগ্রহ রাজশাহী বিভাগ এগিয়ে আছে ১৭৯ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

টস ঢাকা মেট্রো

রাজশাহী ২৩২/১০ (১ম ইনিংস)
রেজা ৬০, মিজানুর ৪৮, সানজামুল ৩৯;
শহিদুল ৭/৪৮, স্বাধীন ২/৫৮, রনি ১/৪৪।

ঢাকা মেট্রো ৫৩/২ (১২.২ ওভার)
জাহিদ ২৮*, মুনিম ১৪, শুভ ৩*;
নাহিদ ১/১৮, রেজা ১/২৮।

রাজশাহী বিভাগ ১৭৯ রানে এগিয়ে।

বিকেএসপিতে পেসারদের দাপট, রেজা-রাব্বির অর্ধশতক
ফজলে মাহমুদ রাব্বি করছেন ৭৬ রান

বরিশাল বনাম চট্টগ্রাম : বিকেএসপির ৩ নং মাঠে টস জিতে ব্যাট করতে নামে বরিশাল। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৪৭ রান। ৩৬ বলে ২৫ রান করে মোহাম্মদ আশরাফুল বিদায় নিলে ভাঙে এই জুটি। মেহেদী হাসান রানার বলে ইরফান শুক্কুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন আশরাফুল। আরেক ওপেনার রাফসান আল মাহমুদ করেন ৫১ বলে ১৯ রান।

বরিশালের মিডল অর্ডার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। সালমান হোসেন ইমন ১১ বলে ১ রান, অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৯ বলে ৩ রান, সোহাগ গাজী ১৬ বলে ১০ রান, শামসুল ইসলাম অনিক ৬৭ বলে ২৬ রান করেন।

তিনে নামা রাব্বির ব্যাট থেকে আসে ১০৫ বলে ৭৬ রান। এছাড়া মঈন খান ৬৭ বলে ৩১ রান ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান ৬৬ বলে ২৬ রান করেন। বরিশাল বিভাগ সংগ্রহ করে ২৩৬ রান।

চট্টগ্রামের পক্ষে হাসান মুরাদ ও নোমান চৌধুরী ৩টি, মেহেদী হাসান ২টি এবং রানা ও নাঈম হাসান ১টি করে উইকেট নেন।

শেষ বিকালে ৯ ওভার ব্যাটিং করে বিনা উইকেটে ৩৪ রান সংগ্রহ করেছে চট্টগ্রাম বিভাগ। পিনাক ঘোষ ৩১ বলে ১৯ ও মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন ২৩ বলে ১৫ রানে অপরাজিত আছেন। বরিশাল বিভাগ এগিয়ে আছে ২০২ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

টস বরিশাল

বরিশাল ২৩৬/১০ (১ম ইনিংস)
রাব্বি ৭৬, মঈন ৩১, আশরাফুল ২৫;
মুরাদ ৩/২৯, নোমান ৩/৩২।

চট্টগ্রাম ৩৪/০ (৯ ওভার)
পিনাক ১৯*, জসিমউদ্দিন ১৫*;

বরিশাল বিভাগ ২০২ রানে এগিয়ে।