বিকেএসপিতে মুশফিক, শুভদের আনন্দঘন একদিন
Scores

বিকেএসপিতে মুশফিক, শুভদের আনন্দঘন একদিন

বাংলাদেশ ক্রীড়াঙ্গনের যাবতীয় খেলাধুলার সিংহভাগ খেলোয়াড়ই যোগান দিয়ে থাকে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেই বিকেএসপি আজ (১৩ মার্চ) সেজেছিল নতুন রূপে। উৎসবে মেতেছিল প্রতিষ্ঠানটির ২০০০ সালের ব্যাচ। যে ব্যাচে ছিলেন মুশফিকুর রহিম, সোহরাওয়ার্দী শুভ, শামসুর রহমান শুভ, মামুনুর রহমান চয়ন, আব্দুল্লাহ হেল বাকি, শারমিন আক্তাররা।

বিকেএসপিতে মুশফিক, শুভদের আনন্দঘন একদিন

ঘরের মাঠে সদ্যই জিম্বাবুয়ে সিরিজ শেষ করে বসে থাকার জো নেই মুশফিকের। আগামী ১৫ মার্চ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খেলতে আবার মাঠে নামতে হবে। তবে নাড়ীর টান, বন্ধুত্বের টান এড়াতে পারলেন না জাতীয় এদের এ ক্রিকেটার। আজ হাজির হলেন শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত বিকেএসপিতে।

Also Read - বন্ধ হলো ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজও


আজই বা কেন, পুরো দিনের যাবতীয় কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে গতকাল রাতে উপস্থিত হয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে শামসুর রহমান শুভ বলেন, ‘গতকাল রাতে এসেছি। দেখতেই পারছেন এখনো কোনা বিশ্রাম নেই। সবাইকে কাছে পাওয়ার আনন্দে খুবই খুশি আমরা। মুশফিকসহ সারারাত ব্যানার লাগিয়েছি। এমনকি গাছেও উঠতে হয়েছে।’

সাভারের এই বিকেএসপিতে বেড়ে উঠা মুশফিকের। ২০০০ সালে এখানে ক্লাস সেভেনে ভর্তি হন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। মুশফিকের সাথে একই ব্যাচে ছিলেন জাতীয় দলের আরও দুই ক্রিকেটার সোহরাওয়ার্দী শুভ ও শামসুর রহমান। ছিলেন ঘরোয়া ক্রিকেটের নিয়মিত মুখ মেহেদী মারুফও।

তবে ক্রিকেট পাড়ার কয়েকজনের মধ্যে নিয়মিত সাক্ষাৎ হলেও বাকি বন্ধুদের সাথে লম্বা একটা বিরতি পড়ে গেছে। সেজন্যই একটা পুনর্মিলনীর আয়োজন করে বিকেএসপি ২০০০ ব্যাচ। যেখানে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশ দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা সাতজন খেলোয়াড় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সর্বমোট ৬০জনের মত। অনেকেই আবার আসতে পারেননি দেশের বাইরে থাকার কারণে।

প্রথমবারের মত আয়োজিত এ পুনর্মিলনী নিয়ে মুশফিক জানান, ‘শুধু আমি না, আমরা সবাই বিশ্বাস করি যে বিকেএসপির এ ছয়টা বছর এখন পর্যন্ত স্বর্ণযুগ। আমরা গতকাল রাতে এখানে আসার পর দেখেছি বিকেএসপির অবকাঠামো হয়তোবা কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। আমরা যখন ছাত্র ছিলাম, তখন সবজায়গাতে যেভাবে যেতাম বা যেভাবে কাজ করতাম তখন যে অনুভূতিটা ছিল, এখনো একইরকম অনুভূতি কাজ করছে।’

‘বিকেএসপি এমন একটা জায়গা যেখানে আমরা অনেক স্বপ্ন নিয়ে আসি কিন্তু সবথেকে বড় যে ব্যাপারটা, একটা খেলোয়াড় যদি চায় তাহলে এখান থেকে ভালো একটা মানুষ হয়ে বের হতে পারবে। যেটা আমাদের সবথেকে বড় পরিচয়।’ সাথে যোগ করেন তিনি।

হঠাৎ এমন পুনর্মিলনী আয়োজনের কথা জানাতে গিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুর রহমান চয়ন বলেন, ‘গত তিন-চার মাস আগে আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে আমাদের একটা পুনর্মিলনী করা জরুরি। তো আমরা একটা মিটিং ডেকে একজনকে প্রধান করে একটা কমিটি করলাম। যেখানে সোহরাওয়ার্দী শুভ হলো সমন্বয়ক, আমি সহকারী সমন্বয়ক।’

‘যেহেতু এটা আমাদের শিকড়, এখান থেকে আমরা উঠে আসছি। অনেকদিন যাওয়া হয় না। তো সেই ভাবনা থেকেই এ আয়োজন। আসলে আমাদের অনেক বন্ধু আছে যাদের সাথে বিকেএসপি জীবন কাটানোর পর এখানে প্রথম দেখা হচ্ছে। এজন্যই সবাই উত্তেজিত আমরা। আসলে এ অনুভূতি বুঝাতে পারবো না।’ আরো বলেন তিনি।

পুরানো বন্ধুদের সাথে সাক্ষাৎ। পাশাপাশি দিনভর নানা আয়োজন। যেটা সকাল ১০টায় শুরু হয় আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে। এরপর বিকেএসপির সকল শিক্ষকদের সাথে কর্মকর্তা, কর্মচারী এমনকি গ্রাউন্ডস ম্যানদেরকেও সম্মানিত করেন তারা। সেখান থেকে দুপুরের খাবার সেরে বিকেলে খেলাধুলার আয়োজন। সবশেষে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

‘মুশফিককে ১০ এ ১০ না দিয়ে উপায় নেই’

প্রতিটি দিন নিয়ে মনে হয় বই লিখতে পারব: সাকিব

হাতের লেখা, ছবি আঁকা ‘সবকিছুতেই একনম্বর’ মুশফিক

ছাত্রজীবনে মুশফিকরা ছিলেন ‘ব্রেইনলেস’!

আকবর-ইমনদের লাখ টাকা পুরষ্কার বিকেএসপির