SCORE

সর্বশেষ

বিপিএলে আসছেন না হাফিজ

চলমান বিপিএলের পঞ্চম আসরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে খেলার কথা ছিল পাকিস্তানের খ্যাতিমান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজের। এজন্য শনিবারই বাংলাদেশের আসার কথা তার। তবে বিপিএলের এই আসরে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাফিজ।

বিপিএলে আসছেন না হাফিজ

সম্প্রতি অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে স্বীকৃত ক্রিকেটে বোলিং করা থেকে নিষিদ্ধ হয়েছেন হাফিজ। হাফিজ জানিয়েছেন, আপাতত কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে না খেলে নিজের অ্যাকশন শোধরানোর কাজে মনোযোগ দিতে চান তিনি।

Also Read - স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে আলাদা টি-২০'র পরিকল্পনা বিসিবির

হাফিজ বলেন, ‘কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে বিপিএল খেলতে আমি বাংলাদেশে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি লাহোরে থেকে আমার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কাজ করতে চাই। আইসিসির অধিভুক্ত ল্যাবরেটরিতে বায়োমেকানিক পরীক্ষা দেওয়ার আগ পর্যন্ত এখানে বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কাজ করতে চাই।’

গত মাসে আবুধাবিতে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে হাফিজের বোলিং অ্যাকশন দেখে সন্দেহ হয় আম্পায়ারদের। ম্যাচে ৮ ওভার বল করে একটি উইকেট শিকার করেন তিনি, বিনিময়ে দিয়েছিলেন ৩৯ রান। অবশ্য আম্পায়াররা বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আপত্তি জানালেও ঐ সিরিজে বোলিং করে যেতে আপত্তি ছিল না। তাই সিরিজের বাকি দুই ম্যাচেও তাই বল হাতে দেখা যায় হাফিজকে।

নিয়ম অনুযায়ী, বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে আইসিসির অনুমোদিত পরীক্ষাগারে হাফিজের বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা করা হয়। সেখানে তার বেশিরভাগ বোলিংয়েই ত্রুটি ধরা পড়ে। ১ নভেম্বর ইংল্যান্ডের লাফবোরো ইউনিভার্সিটিতে অ্যাকশন পরীক্ষা দেন হাফিজ। এরপর পরীক্ষার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হাফিজের বেশিরভাগ ডেলিভারিতেই ১৫ ডিগ্রির বেশি কনুই বেঁকে যায়। এর ফলে অবৈধ হিসেবে গণ্য হয় তার বোলিং অ্যাকশন।

এর আগে ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো প্রশ্নবিদ্ধ হয় হাফিজের বোলিং অ্যাকশন। অবশ্য সেটি দেশটির ঘরোয়া আসর পাকিস্তান সুপার লিগ- পিএসএলে। ঐ বছরেরই নভেম্বর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রশ্নবিদ্ধ হয় তাঁর বোলিং অ্যাকশন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে তাঁর অবৈধ বোলিং দেখে আম্পায়াররা রিপোর্ট করায় দিতে হয় অ্যাকশনের পরীক্ষা। তাতে অবৈধ অ্যাকশনের কারণে নিষিদ্ধ হন বোলিংয়ে।

২০১৫ সালের এপ্রিলে নিজেকে শুধরে আবারও অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন। সাফল্যের সাথে উতরেও যান। কিন্তু দুই মাস পরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ হয় তার বোলিং। বোলিং অ্যাকশন প্রমাণিত হয় অবৈধ। এক বছরের মধ্যে দু’বার অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞা পান।

প্রায় ১৬ মাস পর আবারও বোলিংয়ের অনুমতি পান অ্যাকশন শুধরানো হাফিজ। কিন্তু এরপর বছর ঘুরতেই আবারও আতশ কাঁচের নিচে যেতে হয় তাকে। এবার আগের মতোই নিষিদ্ধ হতে হয়েছে আবার!

আরও পড়ুনঃ সিলেট সিক্সার্সের মেন্টর হয়ে ঢাকায় ওয়াকার

Related Articles

“মাশরাফি ভালো মানুষ, নরম মানুষ”

রশিদকে নিয়ে ভাবতে মানা তামিমের

ত্রুটিই ধরা পড়ল আল-আমিনের বোলিংয়ে

তামিমের শুনানি আজ

টেস্ট নিয়ে তাড়াহুড়া নেই সাইফউদ্দিনের