আজ শুরু বিপিএল, এক ঝলকে এবারের দলগুলো !

শুরু হচ্ছে বিপিএল ক্রিকেটের ৪র্থ আসর।এবারের আসরে ৭টি ফ্রাঞ্চাইজির দল লড়বে শিরোপার জন্যে। বিপিএল এর ইতিহাসে এখন পর্যন্ত শিরোপাজয়ী অধিনায়ক একজনই- মাশরাফী বিন মর্তুজা। ১ম এবং ২য় আসরে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের হয়ে, আর সর্বশেষ আসরে কুমিলা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উচিয়ে ধরার গৌরব অর্জন করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় এই ক্রিকেটার। এবারেও তিনি কুমিল্লার অধিনায়কের দায়িত্বে আছেন। অন্যসব ফ্র্যাঞ্চাইজি চাইবে মাশরাফীর এই ধারবাহিক শিরোপা জয়ের ছেদ পড়ুক এইবার। মাঠে তাই জমে উঠবে ব্যাটে বলে আর কৌশলে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার লড়াই। ভেন্যু তালিকায় এবার রাজধানী ঢাকা আর বন্দর নগরী চট্টগ্রাম আছে। দেখে নেয়া যাক কোন দল কেমন হলো

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স:

Advertisment

দলটির জন্যে মাশরাফী নামটাই একটা বড়ো শক্তির জায়গা। প্রেরণা আর প্রাণশক্তির প্রাচুর্যে ভরা অধিনায়ককে নিয়ে কুমিল্লা বেশ শক্তিশালী দল। দেশি ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস, লিটন দাস দুই জনই ঘরোয়া ক্রিকেটের দুর্দান্ত পারফর্মার। নাজমুল হোসেন শান্ত, সৈকত আলীও জ্বলে উঠতে পারেন সময়মতো। পেইসার সাইফ উদ্দিন, মোহাম্মদ শরীফ আর স্পিনার নাবিল সামাদকে নিয়ে গড়া বোলিং লাইন আপ বেশ কার্যকরী।

বিদেশি কোটায় কুমিল্লার রয়েছে টি-২০ ক্রিকেটের দুর্দান্ত কিছু ক্রিকেটার। বাঁ হাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিম, গতবারের টুর্নামেন্ট সেরা আশার জাইদি, পেইসার সোহেল তানভীর, নুয়ান কুলাসেকেরা বাংলাদেশের কন্ডিশনে বেশ কার্যকরী। রশিদ খানের লেগ স্পিন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে খুব ভুগিয়েছে, দুই পেইসার অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরা আর জেসন হোল্ডারের বিগ হিটিং সামর্থ্য আর বৈচিত্রময় বোলিং, খালিদ লতিফ, শাহজাইব হাসানের পিঞ্চ হিটিং ব্যাটিং, সব মিলিয়ে কুমিল্লার জোরালো সম্ভাবনা শিরোপা জয়ের। গতবার সাদামাটা এক দল নিয়ে শিরোপা জিতেছিলো মাশরাফীর নেতৃত্বে, এবার আরো শক্তিশালী দল নিয়ে শিরোপা ধরে রাখার আশায় মাঠে নামবে কুমিল্লা।

cov

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স:
দেশি ক্রিকেটার: মাশরাফি বিন মর্তুজা (আইকন), ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, মোহাম্মদ আল-আমিন, নাজমুল হোসেন শান্ত, নাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোহাম্মদ শরীফ, নাবিল সামাদ, জসীমউদ্দিন, সৈকত আলী, রাসেল আল মামুন।

বিদেশি ক্রিকেটার: ইমাদ ওয়াসিম, আসার জাইদি, সোহেল তানভির, নুয়ান কুলাসেকারা, রশিদ খান, রোভম্যান পাওয়েল, থিসারা পেরেরা, খালেদ লতিফ, শাহজিব হাসান, জেসন হোল্ডার।

ঢাকা ডায়নামাইটসঃ

ঢাকা শুরুতেই চমক দিয়েছে দলে সাকিব আল হাসানকে ভিড়িয়ে। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আর নাসির হোসেনের মত দুই স্পিনিং অলরাউন্ডার নিয়ে বেশ ভালো দল গড়েছে ঢাকা। দুই বাঁহাতি স্পিনার সানজামুল ইসলাম, সোহরাওয়ার্দি শুভকে নিয়ে স্পিন বোলিং বিভাগেও ওদের অবস্থা ভালো। পেইসার অলরাউন্ডার আলাউদ্দিন বাবু, টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান মেহেদি মারুফ, পেইসার মোহাম্মদ শহীদ, আর ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফর্মার ইরফান শুক্কুর আর তানভীর হায়দারকে নিয়ে ঢাকার দেশি ক্রিকেটারদের সংগ্রহ খুব ভালো।

বিদেশি কোটায় ঢাকায় খেলবেন অভিজ্ঞ কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে। দুনিয়া কাঁপানো দুই ক্যারিবীয় টি-২০ বিশেষজ্ঞ আন্দ্রে রাসেল এবং ডোয়াইন ব্রাভোকে আছেন দলে। রবি বোপারা, সেকুগে প্রসন্ন, ওয়েইন পারনেল, ওসামা মীরকে নিয়ে সাজানো ঢাকা ডায়নামাইটস পারফরম্যান্সে ধুম-ধাড়াক্কা টি-২০ ক্রিকেটের আদর্শ বিজ্ঞাপনের সব উপাদানই বিদ্যমান।

দেশি ক্রিকেটার: সাকিব আল হাসান (আইকন), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নাসির হোসেন, সানজামুল ইসলাম, আলাউদ্দিন বাবু, সোহরাওয়ার্দী শুভ, মেহেদী মারুফ, মোহাম্মদ শহীদ, ইরফান শুক্কুর, তানভীর হায়দার।

বিদেশি ক্রিকেটার: কুমার সাঙ্গাকারা, এভিন লুইস, আন্দ্রে রাসেল, মাহেলা জয়াবর্ধনে, ডোয়াইন ব্রাভো, রবি বোপারা, সেকুগে প্রসন্ন, ওয়েন পারনেল, ওসামা মীর।

চিটাগং ভাইকিংসঃ

স্থানীয় তারকা ক্রিকেটার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে মাঠে নামবে চট্টগ্রামের ফ্রাঞ্চাইজি চিটাগং ভাইকিংস। পিঞ্চ হিটার এনামুল হক বিজয়, টি-২০ বিশেষজ্ঞ নাজমুল হাসান মিলন, অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান জহুরুল ইসলাম অমি, পেইসার তাসকিন আহমেদ, শুভাশীষ রয়, অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক রাজ, সাকলাইন সজীব, লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখনকে নিয়ে বেশ গোছালো দল চট্টগ্রাম। সর্বশেষ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলা উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান জাকির হাসান, ইয়াসির আলীকে নিয়ে দলের অবস্থা সম্ভাবনাময়।

টি-২০ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল আছেন চিটাগং ভাইকিংসে, যদিও তিনি নভেম্বরের শেষে দিকে যোগ দেবেন দলের সাথে। ডোয়াইন স্মিথ, শোয়েব মালিক, জীবন মেন্ডিস নিজেদের দিনে একাই খেলা ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম। মোহাম্মদ নবি, গ্রান্ট এলিয়ট পরীক্ষিত পারফর্মার। বিদেশি কোটার ক্রিকেটাররা এই দলকে পাওয়ার ক্রিকেটের জন্যে আদর্শ দল করে তুলেছেন।

দেশি ক্রিকেটার: তামিম ইকবাল (আইকন), তাসকিন আহমেদ, এনামুল হক বিজয়, আব্দুর রাজ্জাক, শুভাশীষ রায়, জহুরুল ইসলাম, নাজমুল হাসান মিলন, জাকির হাসান, সাকলাইন সজীব, শহিদুল ইসলাম, ইয়াসির আলী, জুবায়ের হোসেন লিখন।

বিদেশি ক্রিকেটার: ক্রিস গেইল, চতুরঙ্গা ডি সিলভা, ডোয়াইন স্মিথ, শোয়েব মালিক, মোহাম্মদ নবী, গ্র্যান্ট ইলিয়ট, ইমরান খান জুনিয়র, জীবন মেন্ডিস, টাইমাল মিলস।

বরিশাল বুলসঃ

বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এই দলের বড়ো প্রভাবক। সম্প্রতি টেস্ট জয়ের আনন্দের রেণু দলের সবার মাঝে ছড়িয়ে দলকে জয়ের জন্যে উব্দুদ্ধ করতে মুশফিক এখন আদর্শ ক্রিকেটার। যদিও ফরম্যাটে ব্যাপক পরিবর্তন, তবে জয় সবসময়ই মধুর। সেই মধুর লক্ষ্য অর্জনের লক্ষ্যে বরিশাল দলে নিয়েছে ব্যাটসম্যান শামসুর রহমান শুভ, শাহরিয়ার নাফীস, নাদিফ চোধুরীকে। গতবারের সেরা বোলার আবু হায়দার রনি আছেন, নতুন বলে সঙ্গ দিতে আছেন কামরুল ইসলাম রাব্বি, স্পিনার তাইজুল ইসলাম, মনির হোসেন কে নিয়ে বরিশালের দেশি ক্রিকেটারদের সংগ্রহ চমৎকার।

বিদেশি কোটায় নেয়া দিলশান মুনাবীরা, মোহাম্মদ নেওয়াজ, কার্লোস ব্রাথওয়েইট, জশুয়া কব খুব জনপ্রিয় নাম না হলেও পারফরম্যান্স দিয়ে পার্থক্য গড়ে দেবার ক্ষমতা রাখেন।

দেশি ক্রিকেটার: মুশফিকুর রহিম (আইকন), আল-আমিন হোসেন, তাইজুল ইসলাম, শামসুর রহমান শুভ, আবু হায়দার রনি, কামরুল ইসলাম রাব্বি, নাদিফ চৌধুরী, মেহেদী হাসান, মনির হোসেন, শাহরিয়ার নাফীস।

বিদেশি ক্রিকেটার: দিলশান মুনাবিরা, মোহাম্মদ নেওয়াজ, কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, জশুয়া কব।

রংপুর রাইডার্সঃ

আইকন সৌম্য সরকার রানে ফিরলে সেটা দেখতে বেশ মনোমুগ্ধকরই লাগে। জাতীয় দলে জায়গা হারানো এই স্টাইলিশ বাঁহাতি অপেনার এই বিপিএল কে পাখির চোখ করবেন, সেটা স্বাভাবিক, সৌম্যর এই লক্ষ্য অর্জিত হলে রংপুর শুরুতেই কাঁপিয়ে দিতে পারে প্রতিপক্ষকে। মোহাম্মদ মিথুন, জিয়াউর রহমান, পিনাক ঘোষ ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠার সামর্থ রাখেন ভালোই। পেইসার অলরাউন্ডার মুক্তার আলী, স্পিনার অলরাউন্ডার নাইম ইসলাম, স্পিনার ইলিয়াস সানি আর পেইসার রুবেল হোসেনকে নিয়ে রংপুরের দল বেশ শক্তিশালী।

বিদেশি কোটায় বুম বুম শাহীদ আফ্রিদি, ব্যাটসম্যান গিড্রন পোপ, নাসির জামশেদ, শারজিল খান, বাবার আজাম, মোহাম্মদ শাহজাদ ব্যাট হাতে জয় ছিনিয়ে নেবার সামর্থ রাখেন। দাসুন শানাকা, সাচিত্রা সেনানায়েকে, জীহান রুপাসিংহেকে নিয়ে বোলিং আক্রমণও যথেষ্ঠ শক্তিশালী।

রংপুর রাইডার্সের জার্সি উন্মোচন।

দেশি ক্রিকেটার: সৌম্য সরকার (আইকন), আরাফাত সানি, মোহাম্মদ মিথুন, রুবেল হোসেন, সোহাগ গাজী, জিয়াউর রহমান, নাঈম ইসলাম, মোহাম্মদ ইলিয়াস সানি, পিনাক ঘোষ, মুক্তার আলী, মেহরাব হোসেন জোসি, শাহবাজ চৌহান।

বিদেশি ক্রিকেটার: শহিদ আফ্রিদি, গিড্রন পোপ, শারজিল খান, বাবর আজম, মোহাম্মদ শাহজাদ, দাসুন শানাকা, রিচার্ড গ্লিসন, নাসির জামসেদ, সচিত্রা সেনানায়েকে, জীহান রুপাসিংহে।

রাজশাহী কিংসঃ

এই সময়ের ক্রিকেট ক্রেইজ সাব্বির রহমান আছেন রাজশাহী দলে। উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান, ব্যাটসম্যান মমিনুল হক, রকিবুল হাসান, রনি তালুকদারদের নিয়ে ব্যাটিং লাইন আপ বেশ শক্তিশালী, অভিজ্ঞ ফরহাদ রেজার সাথে আছেন সালমান হোসেন, তবে, এখন দলের মহাতারকা সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে প্লেয়ার অফ দা সিরিজ হওয়া মেহেদি হাসান মিরাজ, আরো আছেন পেইসার হান্ট থেকে আসা ইবাদত হোসেন। দেশি ক্রিকেটাররা রাজশাহীকে দুর্দান্ত ভারসাম্য আর দলীয় পারফরম্যান্সে অন্যদলগুলো থেকে কিছুটা এগিয়ে রাখবে।

ড্যারেন স্যামি, মোহাম্মদ সামি, সামিত প্যাটেলের অভিজ্ঞতা দলের জন্য বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখবে, উপুল থারাঙ্গা, মিলিন্দা সিরিবর্ধনের কন্ডিশনের সাথে জানাশোনা বাড়তি সুবিধা দেবে রাজশাহীকে। টি-২০ ক্রিকেটের ক্রমাগত চাপের সামনে বুক চিতিয়ে লড়াইয়ে উক্ত বিদেশি কোটার ক্রিকেটাররা দুর্দান্ত পারফর্মার। এটি দলটিকে ভালো খেলায় বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

Rajshahi-Kings-600x399দেশি ক্রিকেটার:সাব্বির রহমান, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুমিনুল হক, ফরহাদ রেজা, নাজমুল হোসেন অপু, রকিবুল হাসান, আবুল হাসান রাজু, রনি তালুকদার, সালমান হোসেন, ইবাদত হোসেন।

বিদেশি ক্রিকেটার:ড্যারেন স্যামি, মোহাম্মদ সামি, মিলিন্দা সিরিবর্ধনে, উপুল থারাঙ্গা, সামিত প্যাটেল।

খুলনা টাইটান্সঃ

অভিজ্ঞ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আছেন খুলনা দলে, রিয়াদের ব্যাটিং, বোলিং, এবং ক্ষুরধার ক্রিকেট মস্তিষ্ক দলটিকে বেশ সুবিধা এনে দেবে। স্পিনার মোশাররফ হোসেন রুবেল, নাইম ইসলাম জুনিয়র, তাইবুর রহমান, পেইসার শফিউল ইসলাম, আরিফুল হক, আব্দুল হালিম কে বোলিং আক্রমণে খুব চমকদার না হলেও মাঠের খেলায় বেশ কার্যকরী। স্পিনার অলরাউন্ডার শুভাগত হোম আর গতবার কুমিল্লাকে শিরোপা জেতানো অলক কাপালি আছেন দলে। সামগ্রিক বিচারে দেশি ক্রিকেটারদের সংগ্রহ ভালো। অভিজ্ঞতা আর তারুণ্যের মিশেলে গড়া দল খুলনা।

কেভন কুপার, লেন্ডল সিমন্স, আন্দ্রে ফ্লেচার, জুনায়েদ খান টি-২০ ক্রিকেটে দারুণ কার্যকর, রিকি ওয়েসেলস, মোহাম্মদ আসগর, নিকলাস পুরান, বেনি হাওয়েলও নিজেদের দিনে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে সক্ষম। সব মিলিয়ে দল হিসেবে খুলনার অবস্থা মাঝামাঝি। অধিনায়কত্ব, দল নির্বাচন ইত্যাদির বিচক্ষণতার ওপর দলের পারফরম্যান্স নির্ভর করছে।

বিপিএল চতুর্থ আসরে খুলনা টাইটান্সের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

দেশি ক্রিকেটার: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোশাররফ হোসেন রুবেল, শফিউল ইসলাম, শুভাগত হোম, আরিফুল হক, আব্দুল মজিদ, অলক কাপালী, হাসানুজ্জান, নাঈম ইসলাম জুনিয়র, নুর হোসেন সাদ্দাম, তাইবুর রহমান, আব্দুল হালিম।

বিদেশি ক্রিকেটার: কেভন কুপার, মোহাম্মদ আসগর, নিকোলাস পুরান, রিকি ওয়েসেলস, বেনি হাওয়েল, লেন্ডল সিমন্স, ব্যান লাফলিন, আন্দ্রে ফ্লেচার, জুনায়েদ খান।

টিকেট-

সবশেষ দুটি আন্তর্জাতিক সিরিজের মতো বিপিএলের টিকিট কাটা যাবে অনলাইনে। তবে এবার শুধু একটি ওয়েবসাইট নয়, বিপিএলের টিকিট কেনা যাবে তিনটি ওয়েবসাইটে। www.shohoz.com এর পাশাপাশি বিপিএলের টিকিট পাওয়া যাবে www.paypoint.com.bdwww.gadgetbangla.com ওয়েবসাইটে। এছাড়া, অনলাইনের পাশাপাশি মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামের টিকিট বুথেও পাওয়া যাবে টিকিট।

উদ্বোধনী দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও রাজশাহী কিংস।