Scores

বুমরাহ-সূর্যের নৈপুণ্যে মুম্বাইয়ের জয়

বোলিংয়ে জাসপ্রিত বুমরাহ ছিলেন অসাধারণ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের রান তোলার পথে যেন হয়ে উঠেছিলেন কাঁটা। এরপর  সূর্যকুমার যাদবের দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুণ্যে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের দেওয়া ১৬৬ রানের লক্ষ্য  জয় পেয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। এ জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে দলটি। 

সূর্যের ব্যাটিং নৈপুণ্যে মুম্বাইয়ের জয়

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে  জশ ফিলিপ আর দেবদূত পাড়িকাল দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। এ জুটি থামে দলীয় ৭১ রানের মাথায়। ইনিংসের অষ্টম ওভারে রাহুল চাহারের বলে স্টাম্পিং হন জশ ফিলিপ। ৪ চার আর ১ ছক্কায় ২৪ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন ফিলিপ।

Also Read - মায়ের পরামর্শে ক্রিকেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত পাল্টান রশিদ


বড় ইনিংস গড়তে ব্যর্থ হন বিরাট কোহলি।  জাসপ্রিত বুমরাহর বলে শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে সৌরভ তিওয়ারির হাতে ক্যাচ দেন বিরাট কোহলি। ভয়ঙ্কর রূপ ধারণের আগেই বিদায় নেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। ১২ বলে ১৫ রান করে কায়রন পোলার্ডের বলে বিদায় নেন ডি ভিলিয়ার্স। পরের ওভারে বুমরাহর বাউন্সারে বিদায় নেন শিভাম ডুবেও।

এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন দেবদূত পাড়িকাল। দুর্দান্ত ব্যাটিং করা পাড়িকালের ব্যাটে ভর করে বড় ইনিংসের স্বপ্ন দেখছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু।  কিন্তু এক ওভারেই সে স্বপ্ন ভেঙে দেন বুমরাহ। ডুবেকে ফেরানোর পর ঐ ওভারেই আউট হয়ে যান পাড়িকাল। ডাবল উইকেট মেইডেন নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন জাসপ্রিত বুমরাহ।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের শেষ ওভারগুলোর ভরসা ক্রিস মরিসও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন। ২ বলে ৪ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে জেমস প্যাটিনসনের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। গুরকিরাত সিং আর ওয়াশিংটন সুন্দর মিলে ২৭ রানের জুটি গড়েন। শেষ ৫ ওভারে ৩৫ রানের বেশি নিতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৬৪ রান করে তারা।

দুই ওপেনার কুইন্টন দি কক ও ইশান কিষাণ শুরুটা করেছিলেন দেখেশুনে। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে আউট হয়ে যান কুইন্টন ডি কক। ১৯ বলে ১৮ রান করে মোহাম্মদ সিরাজের শিকার হন ডি কক। এক ওভার পরেই স্পিনার যুযবেন্দ্র চাহালের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে আকাশে তুলে দেন কিষাণ। বলা জমা পড়ে ক্রিস মরিসের হাতে। ১৯ বলে ২৫ রান করে বিদায় নেন কিষাণ।

দুই ওপেনারকে হারানোর চাপে রানের গতিও কমে যায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। ৮ বলে ৫ রান করে সৌরভ তিওয়ারিও ফিরে গেলে বিপদে পড়ে যায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়ে সিরাজকে দ্বিতীয় উইকেট পেতে সাহায্য করেন পাড়িকাল। এরপর সূর্যকুমারকে সঙ্গ দেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। এ জুটিতে ৩৫ রান সংগ্রহ করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তাতে ১০ রান ছিল ক্রুনালের।

ক্রুনালের বিদায়ের পর হার্দিক পান্ডিয়াকে সাথে নিয়ে ৫১ রানের জুটি গড়েন সূর্যকুমার। ঐ জুটি ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতে থাকে।

১৯ তম ওভারের পঞ্চম বলে হার্দিক পান্ডিয়ার উইকেট তুলে নেন ক্রিস মরিস। সমীকরণ দাঁড়ায় ৭ বলে ৭ রানের। ১৫ বলে ১৭ রান করে সাজঘরে ফিরে যান হার্দিক। এ উইকেট ম্যাচে খানিকটা উত্তেজনা তৈরি করলেও পরের বলেই পোলার্ডের চার ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়। শেষ ওভারের প্রথম বলে চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন সূর্যকুমার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ১৬৪/৬, ২০ ওভার
পাড়িকাল ৭৪, ফিলিপ ৩৩,  ডি ভিলিয়ার্স ১৫
বুমরাহ ৩/১৪,  পোলার্ড ১/৫, বোল্ট ১/৪০

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ১৬৬/৫, ১৯.১ ওভার
সূর্যকুমার ৭৯,*  কিষাণ ২৫, ডি কক ১৮
সিরাজ ২/২৮, চাহাল ২/৩৭,  মরিস ১/৩৬


বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।


 

Related Articles

আইপিএল শুধুই ‘টাকা’ উপার্জনের কৌশল!

‘ম্যাক্সওয়েল হলো ১০ কোটি রুপির চিয়ারলিডার’

আইপিএল : সর্বোচ্চ উইকেট রাবাদার

আইপিএল : রাহুলের কাছাকাছিও নেই কেউ

রোহিতের-ই ভারতের অধিনায়ক হওয়া উচিত : ভন