SCORE

সর্বশেষ

বেঙ্গালুরুর ভুল থেকে পাওয়া শিক্ষা কাজে লেগেছে মুশফিকের

২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি নিশ্চয়ই মনে থাকবে সবার। বিশেষ করে মুশফিকের মনে থাকারই কথা। কেননা সেই ম্যাচের খলনায়ক তো ছিলেন তিনিই। হার্দিক পান্ডিয়াকে দুই বলে, দুই চার মেরে দল যখন জয়ের খুব কাছে ঠিক তখনি বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন মুশফিক।

খুব কাছে গিয়েও সেদিন হারতে হয়েছিলো বাংলাদেশকে। সেই ম্যাচের পিড়া প্রতিনিয়ত পেতে হয়েছে মুশফিককে। সেই সাথে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই উদযাপনেও বেশ সমালোচিত হতে হয়েছিলো মুশফিককে। তবে এবার সেই আক্ষেপটা কিছুটা হলেও ঘুচাতে পেরেছেন মুশফিক। কেননা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একই মুহূর্তে এবার দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন এই ৩০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

Also Read - নাগিন উদযাপনের কারণ ব্যাখ্যা মুশফিকের

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ ওভারে যখন একই মুহূর্তের মোকাবিলা করতে হয় এবার সিঙ্গেল নিয়ে দলকে এনে দিয়েছেন সেরা জয়টি। মুশফিক জানিয়েছেন বেঙ্গালুরুর ভুল থেকে শিক্ষা এই ম্যাচে কাজে লেগেছে তাঁর। সেই সাথে শেষদিকে তাঁর ফোকাস পুরোপুরি ছিল ম্যাচেই।

‘অবশ্যই, সেটা আমার মাথায় ছিল। তবে সত্যি বলতে, টি-টোয়ন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে উদযাপনটা ম্যাচের উত্তেজনার কারণে বের হয়ে গিয়েছিলো। আগে উদযাপন করার কোন আগ্রহও ছিল না। তবে ঐ ম্যাচ থেকে পাওয়া শিক্ষা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কাজে এসেছে। ম্যাচ জেতা না পর্যন্ত এটি আমার মাথায় ছিল।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ঐ মুহূর্তে আমার ফোকাস ম্যাচেই ছিল তারপর উদযাপন। নিজের উপর পুরোপুরি আস্থা ছিল এবং সর্বশক্তিমানও আমার পাশে ছিল সেখানে।’

ওয়ানডে ও টেস্টের মতো টি-টোয়েন্টিতে মুশফিকের রেকর্ড তেমন আহামরি না। ঐ দুই ফরম্যাটে নিজেকে ভালোভাবে মেলে ধরতে পারলেও ক্রিকেটের এই ছোট সংস্করণে পারফরম্যান্সের মান ছিল মাঝারি। তবে লঙ্কানদের বিপক্ষে ম্যাচে নিজের ট্যালেন্ট সবার মাঝে মেলে ধরতে পেরে দারুণ খুশি মুশফিক।

টি-টোয়েন্টিতে ভালো করার ক্ষুধা সেই ম্যাচে মুশফিককে ভালো করতে সহযোগিতা করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সেই সাথে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ শেষ করার আক্ষেপ এই ম্যাচের মাধ্যমে ঘুচাতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

‘সত্যি বলতে ঐ ম্যাচ আমাকে অনেক পিড়া দিয়েছিল এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজের ট্যালেন্ট দেখাতেও ব্যর্থ হচ্ছিলাম বারবার। যার কারণে ভিতরে এক প্রকার ক্ষুধা ছিল যে যখনি আমার সামনে সুযোগ আসবে কাজে লাগাবো। টি-টোয়েন্টিতে আমার রেকর্ড তেমন আহামরি না। তাই চেষ্টা করছি ভালো করার।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে আল্লাহ্‌র কাছে মনেপ্রাণে চেয়েছিলাম যেন আমাকে ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত রাখে এবং উইনিং শট খেলার সুযোগটা পাই।’

আরও পড়ুনঃ এই মুশফিক, সেই মুশফিক

Related Articles

রুবেল হোসেনের সমস্যা কোথায়?

নিদাহাস ট্রফি থেকে ৪৮২ শতাংশ লাভ!

অসুস্থ রুবেল, দোয়া চাইলেন সবার কাছে

যেখান থেকে শুরু ‘নাগিন ড্যান্স’ উদযাপনের

‘খারাপ করছি দেখেই বেশি চোখে পড়ছে’