Scores

বেফাঁস মন্তব্য করায় হাফিজকে পিসিবির শোকজ

বিবিসির সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে আইসিসির অবৈধ বোলিং অ্যাকশন সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ। তিনি নিজেও একাধিকবার অবৈধ অ্যাকশনের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন, হয়েছেন নিষিদ্ধ। স্বভাবতই তার সন্দেহ প্রকাশের খবরটি ফেলেছিল আলোড়ন।

বিপিএলে আসছেন না হাফিজ

সেই ‘আলোড়ন’ সৃষ্টির দায় অবশ্য নিতেই হচ্ছে হাফিজকে। আইসিসির বিরুদ্ধে তার ভ্রান্ত ধারণা ও অবৈধ অ্যাকশন বাছাই প্রসঙ্গে বেফাঁস মন্তব্যের কারণে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজ পাঠাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড- পিসিবি।

Also Read - কোহলির চোখে ভিলিয়ার্স 'স্পাইডারম্যান'!


পিবিসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন-

‘বিবিসির সাক্ষাৎকারে হাফিজ যা বলেছে, সেগুলো আইসিসির বিরুদ্ধে ভ্রান্ত ধারণা-প্রসূত। এমন মন্তব্যের জন্য হাফিজকে কারণ-দর্শানো নোটিশ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পিসিবি।’

বেফাঁস মন্তব্যে হাফিজের দাবি ছিল, আইসিসির অবৈধ অ্যাকশন ধরার ক্ষেত্রে প্রভাবশালী বোর্ডের হাত রয়েছে। তিনি বলেছিলেন-

‘(বোলারদের অবৈধ অ্যাকশন চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে) এ ব্যাপারে অনেক কিছুর প্রভাব রয়েছে। কিছু শক্তিশালী বোর্ডেরও ভূমিকা রয়েছে, কেউ তাঁদের মুখোমুখি দাঁড়াতে চায় না। আম্পায়ারেরা প্রশ্ন তোলার পর পরীক্ষায় দেখেছি আমার হাত ১৬, ১৭ থেকে সর্বোচ্চ ১৮ ডিগ্রি ভাঁজ হয়। অবাক লেগেছে খালি চোখে এই সামান্য পার্থক্যটুকু তারা বুঝলেন কীভাবে, যখন অনেকের অ্যাকশনে কনুই ২৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি ভাঁজ হলেও তারা ধরতে পারেন না?’

গত অক্টোবরে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে হাফিজের বোলিং অ্যাকশন দেখে সন্দেহ হয় আম্পায়ারদের। আইসিসির পরীক্ষাগারে অ্যাকশন পরীক্ষার পর তার বোলিংয়ে ত্রুটি ধরা পড়ে। অ্যাকশন শুধরে চলতি মাসের শুরুতে আবারও বল করার অনুমতি পান হাফিজ।

এর আগে ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো প্রশ্নবিদ্ধ হয় হাফিজের বোলিং অ্যাকশন। অবশ্য সেটি দেশটির ঘরোয়া আসর পাকিস্তান সুপার লিগ- পিএসএলে। ঐ বছরেরই নভেম্বর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রশ্নবিদ্ধ হয় তার বোলিং অ্যাকশন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে তার অবৈধ বোলিং দেখে আম্পায়াররা রিপোর্ট করায় দিতে হয় অ্যাকশনের পরীক্ষা। তাতে অবৈধ অ্যাকশনের কারণে নিষিদ্ধ হন বোলিংয়ে।

২০১৫ সালের এপ্রিলে নিজেকে শুধরে আবারও অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন। সাফল্যের সাথে উতরেও যান। কিন্তু দুই মাস পরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে আবারও প্রশ্নবিদ্ধ হয় তার বোলিং। বোলিং অ্যাকশন প্রমাণিত হয় অবৈধ। এক বছরের মধ্যে দু’বার অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হওয়ায় ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞা পান।

প্রায় ১৬ মাস পর আবারও বোলিংয়ের অনুমতি পান অ্যাকশন শুধরানো হাফিজ। কিন্তু এরপর বছর ঘুরতেই আবারও আতশ কাঁচের নিচে যেতে হয় তাকে।

আরও পড়ুনঃ জিম্বাবুয়ের নতুন কোচ রাজপুত

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
Tweet 20
fb-share-icon20

Related Articles

ক্রিকেট ভক্তদের দুঃসংবাদ দিল আইসিসি

বিশ্বকাপের ভাগ্য নির্ধারণ চলতি মাসেই

বন্ধ হয়ে গেল আইসিসিও

করোনার প্রভাবে আইসিসির বোর্ড সভা স্থগিত

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে আইসিসির রসিকতা!