বৈশ্বিক আসর আয়োজনে আশাবাদী বাংলাদেশ

আইসিসির নতুন এফটিপিতে বৈশ্বিক আসর আয়োজনে আশাবাদী বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সব দলের জন্য স্বাগতিক দেশ হওয়ার সমান সুযোগ থাকায় দুটি ওয়ানডে ও চারটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আয়োজকের দায়িত্ব পাওয়ার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। 

হোয়াইটওয়াশে চোখ বাংলাদেশের

Advertisment

অতীতে স্বাগতিক দেশ বেছে নেওয়া হত বিডিং প্রক্রিয়ায়, তাতে স্পষ্টত প্রভাব থাকত পরাশক্তি বোর্ডগুলোর। তবে বিডিং প্রক্রিয়া এখন থেকে স্বাগতিক দল বেছে নেবে সদস্য দেশগুলোর বোর্ড। তিনি জানান, ভবিষ্যতে সূচি অর্থাৎ এফটিপিতে বৈশ্বিক আসর আয়োজনের চেষ্টা করবে বাংলাদেশ।

গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, ‘আইসিসি ২০২৪ থেকে আগামী ৮ বছরের যে ইভেন্টগুলো নির্ধারণ করেছে। সেখানে আমাদের অংশ নিতে হবে। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে, অংশ নেব।’

অবশ্য বিডিং প্রক্রিয়া যে উঠে গেছে, তা হয়ত ভুলেই গেছেন প্রধান নির্বাহী। আলাপকালে তাই সেই প্রক্রিয়ার কথাই উচ্চারণ করলেন বারবার। বিডিং বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অবশ্য ক্ষতির কোনো কারণ নেই কোনো বোর্ডের জন্যই। বিশ্বকাপের মত আসর আয়োজনের চেষ্টা তাই বাংলাদেশ করতেই পারে, যেখানে লড়াইটা হবে টাকার চেয়েও অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক। একইসাথে আছে আগামী এফটিপিতে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ অন্তর্ভুক্তর চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে যে আন্তর্জাতিক সূচি প্রস্তুত করা আছে, তা ২০২৩ সাল পর্যন্ত। বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ ও বড় বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর সময় বিবেচনা করে শীঘ্রই ২০২৪-২০৩১ সময়সীমার আন্তর্জাতিক সূচি প্রস্তুত করা হবে বলে জানান প্রধান নির্বাহী।

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ২০২৩ সাল পর্যন্ত এফটিপি করা আছে। এফটিপির সূচি সাধারণত আইসিসির সদস্য দেশগুলোর ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগ বসে করে। এখন পর্যন্ত আমরা সেই সুযোগ পাইনি। তবে এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই ২০২৪-৩১ এফটিপি নিয়ে সদস্য দেশগুলো কাজ শুরু করব।’

‘আইসিসির ইভেন্টগুলো নিয়েও আমরা অপেক্ষা করছিলাম। যেহেতু আইসিসি ইভেন্টগুলোর ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত চলে এসেছে, সেই প্রেক্ষিতে এখন আমরা এফটিপিতে আইসিসির ইভেন্টের সময়টা এড়িয়ে যাব। একইভাবে এশিয়া কাপের জায়গাও এড়িয়ে গিয়ে এফটিপি তৈরি করব।’ 

‘(ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ) আইসিসির সংশ্লিষ্ট বিভাগ আমাদের কাছে জানতে চেয়েছে কখন বিপিএল করতে চাই। শুধু বাংলাদেশ না, সব দেশের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। আমরা সেভাবেই আইসিসিকে উত্তর দিয়েছি। আইসিসি ইভেন্টের মত প্রতিটি দেশের টি-টোয়েন্টি লিগও বিবেচনায় রাখা হতে পারে।’– বলেন তিনি।