Scores

বোলিং শুরু করেছেন তাসকিন

ইনজুরির কারণে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট থেকে আপাতত দূরে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ডানহাতি ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদ। আফগানিস্তান সিরিজে খেলতে পারেননি, ডাক পাননি উইন্ডিজ সফরের দলেও। তবে তাসকিনের চোট অনেকটাই সেরে উঠেছে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়া এই ক্রিকেটার সোমবার হাতে নিয়েছেন বল, প্রায় তিন মাস বিরতির পর।

বোলিং-শুরু-করেছেন-তাসকিন
তাসকিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

২ জুলাই মিরপুর একাডেমি মাঠে বল হাতে ঘাম ঝরান তাসকিন। ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের পর এদিনই প্রথম হাতে নিয়েছেন বল। ছোট রানআপে বল ডেলিভারি করেছেন চার ওভার। তাসকিন জানালেন, অনেকদিন পর বোলিং করতে গিয়ে সমস্যা হয়নি কোনো।

সাংবাদিকদের তাসকিন জানান, ঢাকা লিগের পর প্রায় তিন মাস পর বোলিং করলামআজকে তিন স্টেপে মানে শর্ট রানআপে বোলিং করলামসমস্যা হয়নি চার ওভার বোলিং করলাম

Also Read - পাকিস্তানকে হেসে-খেলে হারাল অস্ট্রেলিয়া


সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে মরিয়া তাসকিন ফিজিও-ট্রেনারের পরামর্শ মত মেনে চলছেন সবকিছু। চালিয়ে যাচ্ছেন জিমনেশিয়াম পর্বও, নিয়ম মেনে চলছে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। দ্রুত পুরোদমে মাঠে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তাসকিন বলেন, জিম রিহ্যাব ট্রিটমেন্ট সবই করছি।

ইনজুরির কারণে বেশ কদিন ধরেই খেলতে পারছেন না ২৩ বছর বয়সী এই সুদর্শন ক্রিকেটার। ২০১৫ সালে পিঠে পাওয়া পুরনো ব্যথা সম্প্রতি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে বিশ্রামে চলে যেতে হয় তাসকিনকে। তাসকিন প্রথমবার এই ব্যথার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপের বছরে।

চোটের কারণে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় থাকা অবস্থায় বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়ার খবর পান। এই ইনজুরির কারণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজের দলে ডাক পাননি। এমনকি পেসারদের নিয়ে কক্সবাজারে শুরু হতে যাওয়া বিশেষ ক্যাম্পেও অংশ নিতে পারেননি সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রিকেটার। বাংলাদেশ টেস্ট দল উইন্ডিজ সফরে গেলেও সেখানেও যোগ দিতে পারেননি তাসকিন। ফিরে আসার জন্য তার মরিয়া হয়ে ওঠাটাই তাই স্বাভাবিক।

আরও পড়ুন: বল টেম্পারিংয়ে ‘কঠোর শাস্তি’

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

সাকিবের দেশে ফেরায় প্রধান ভূমিকা পাপনের!

অস্ত্রোপচার নাও লাগতে পারে সাকিবের!

বোর্ডের মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠছে ক্রিকেটারদের চোট

৬০-৭০ ভাগ সেরে উঠলেই খেলতে পারবেন সাকিব

‘সাকিব মানসিকভাবে শক্ত, একজন যোদ্ধা’