Scores

ব্যাটে-বলে যেমন গেল সাকিবের সিপিএল

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ও তারপরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থাকায় ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) কোনো দলেই নাম লেখান হয়েছিল না সাকিব আল হাসানের। তবে শেষের দিকে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসে যোগ দিয়ে পেয়েছেন শিরোপার স্বাদ। চলুন দেখে নেয়া যাক, সদ্য সমাপ্ত আসরটি ব্যাট-বলে কেমন কেটেছে সাকিবের।

সাকিব যখন দলে নাম লেখালেন তখন পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে অবস্থান করছিল বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। দলের যোগ দেয়ার পর প্রথম ম্যাচেই অলরাউন্ড পারফর্ম করে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার। বল হাতে মাত্র ১৪ রান খরচায় শিকার করেন ১টি উইকেট। সেই ম্যাচেই ব্যাট হাতেও ভালো করেন সাকিব। খেলেন ২৫ বলে ৩৮ রানের এক ইনিংস। তার অলরাউন্ড পারফর্মে দলও জয় পায়।
পরের দুইটি ম্যাচেও বল হাতে আঁটসাট বোলিং করেন এই বাঁহাতি ক্রিকেটার। সেন্ট লুসিয়ার বিপক্ষে ৪ ওভারে ২০ রান খরচায় ১টি এবং ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ২৫ রান খরচ করে নেন ২টি উইকেট। উক্ত দুই ম্যাচে করেন যথাক্রমে ২১ বলে ২২ রান ও ১৪ বলে ১৩ রান।

Also Read - ম্যাকেঞ্জিকে ফেরালেন রাকিবুল


তবে প্লে-অফ, কোয়ালিফায়ার ও ফাইনালে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেননি সাকিব। প্লে-অফে ৪ ওভারে তিনি খরচ করে ফেলেন ৪৬ রান। ব্যাট হাতেও ছিলেন ব্যর্থ ৯, ৯ বলে ৫ রান। পরের ম্যাচে ত্রিনবাগোর বিপক্ষে কোয়ালিফায়ারে ব্যাট হাতে আশা জাগিয়েও ইনিংসটাকে বড় করতে পারেননি। আউট হন ১২ বলে ১৮ রান করে। এদিন বল হাতেও ভালো সময় কাটেনি সাকিবের। ২ ওভারে খরচ করেছেন ২৭ রান। পাননি কোনো উইকেট।

গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সকে ২৭ রানে হারিয়ে শিরোপা জয়ের দিনে দলের জন্য সাকিবের অবদান ১৫ বলে ১৫ রান। বল হাতে আবারো হতাশ করেছেন তিনি। ২ ওভারে ১৮ রান খরচ করলেও কোনো উইকেটের দেখা পাননি।

এই আসরে মোট ৬ ম্যাচ খেলে ১১৫.৬২ স্ট্রাইকরেটে সাকিব সংগ্রহ করেছেন ১১১ রান। ব্যাটিং গড় ১৮.৫০। ছয় হাঁকিয়েছেন ২টি ও চার হাঁকিয়েছেন ৭টি। বাঁহাতি স্পিনে ৭.৫০ ইকোনমিক রেটে শিকার করেছেন ৪টি উইকেট। যেখানে ম্যাচ সেরা বোলিং ২৫ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

সিপিএল খেলবেন না গেইল

সিপিএল ড্রাফটে বিপিএল মাতানো নাসুম ও রানা

‘অস্কার’ জিতলেন সাকিব!

মালিক হয়ে নিজ দলের ক্রিকেটারকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব!

সিপিএলের সেরা দল ঘোষণা, নেই গেইল-রাসেল