Scores

ভিডিও : ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের বিস্ময়কর জয়

দুই অধিনায়কই ব্যাট হাতে করেছেন সেঞ্চুরি। তবে আইরিশ অধিনায়ক অ্যান্ডি ব্যালবিরনির সাথে ছিলেন পল স্টার্লিং। দুজন মিলে ছাপিয়ে গিয়েছেন ইয়ন মরগানের কীর্তিকে। লিখেছেন আইরিশদের বিজয়গাঁথা।

জোড়া শতকে মরগানকে ম্লান করে আইরিশদের জয়

টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেয় সফরকারীরা। প্রথম ওভারেই সাফল্যের দেখা পায় তারা। অফ ফর্মের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেননি ইংলিশ ওপেনার জেসন রয়। আইরিশ পেসার ক্রেইগ ইয়ংয়ের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি (১)। দ্বিতীয় ওয়ানদেতে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা জনি বেয়ারস্টো এ ম্যাচে ফিরেন ৪ রান করে। তাকে বোল্ড করেন মার্ক অ্যাডায়ার।

Also Read - জোড়া শতকে মরগানকে ম্লান করে আইরিশদের জয়


দুই ওপেনার অল্প রান করে ফিরে গেলে বিপদে পড়ে ইংল্যান্ড। চাপ মাথায় নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ব্যাটিং করতে থাকেন জেমস ভিন্স আর ইয়ন মরগান। ভিন্স ১৮ বলে ১৬ রান করে বিদায় নিলে অধিনায়ক মরগান হয়ে যান শেষ ভরসা। ৪৪ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর টম ব্যান্টনকে নিয়ে হাল ধরেন তিনি।

টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানের প্রভাব দেখা যায়নি মরগানের ব্যাটে। শুরু থেকেই সাবলীল এবং মারকুটে ব্যাটিং করতে থাকেন তিনি। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন ব্যান্টন। মাত্র ৩৯ বলেই ৫০ রানে পৌঁছান মরগান। পরের ৫০ রানও তিনি করেন ৩৯ বলে। ৭৮ বলে শতরান যখন পূর্ণ করেন তখন ইনিংসে ইংল্যান্ডের ইনিংসের অর্ধেক আরো বাকি।

মরগানের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটান জশ লিটল। ১৫ চার আর ৪ ছক্কায় ৮৪ বলে ১০৬ রান করে আউট হন মরগান। এরপর বেশীক্ষণ টিকতে পারেননি ব্যান্টন। ৫১ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলে গ্যারেথ ডেলানির বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি। পরের ওভারেই মঈন আলিকে ফেরত পাঠান কার্টিস ক্যাম্ফার। স্যাম বিলিংস থিতু হলেও বিশের আগেই আউট হন তিনি। ১৯ রান করে অ্যাডায়ারের বলে মিড অনে ক্যাচ তুলে ফেরত যান তিনি। ৩ উইকেটে ১৯০ রান থেকে ৭ উইকেটে ২১৬ রানে চলে আসে ইংল্যান্ড।

সেখান থেকে হাল ধরেন ডেভিড উইলি আর টম কারান। অষ্টম উইকেটে হয় ৭৩ রানের জুটি। উইলিকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ক্যাম্ফার। ৫১ রান করেন উইলি। আদিল রশিদ  ৩ আর সাকিব মাহমুদ ১২ রান করে আউট হলে ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ হয়। টম কারান ৫৪ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন। ৩২৮ রান করতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম উইকেটে ৫০ রানের জুটি গড়েন পল স্টার্লিং আর গ্যারেথ ডেলানি। ডেলানি ২১ বলে ১২ রান করে উইলির বলে বোল্ড হলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন স্টার্লিং। অধিনায়ক অ্যান্ডি ব্যালবিরনিকে নিয়ে যোগ করেন ২১৪ রান। এই বিশাল জুটি আইরিশদের জয়ের সম্ভাবনা জোরালো করে। গড়ে দেয় সফরকারীডের জয়ের ভিত।

স্টার্লিং আর ব্যালবিরনি যেন শাসন করছিলেন ইংলিশ বোলারদের। শতকের দেখা পান দুজনই। তাদের জোড়া শতকে মলিন হয়ে যায় মরগানের কীর্তি।  ১২৮ বলে ১৪২ রান করে স্টার্লিং রান আউট হন। তার ইনিংসে ছিল ৯ চার আর ৬ ছক্কা। এরপর ব্যালবিরনিকে সাজঘরে পাঠান আদিল রশিদ। তবে নামের পাশে ১১৩ রান নিয়ে ফিরেন তিনি।

ব্যালবিরনির বিদায়ের পর ৩৩ বলে আয়ারল্যান্ডের দরকার ছিল ৪০ রান। হ্যারি টেক্টর আর কেভিন ও’ব্রায়েন মিলে বাকি কাজটা করেন। ১৫ বলে ২১ রানের এক মহামূল্যবান ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন কেভিন।

ম্যাচের হাইলাটস দেখুন এখানে-

২০১১ বিশ্বকাপের মতো এ ম্যাচেও ইংল্যান্ডের দেওয়া ৩২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে সফল হয়েছে আয়ারল্যান্ড। ৩২৯ রান তাই লক্ষ্য হিসেবে বড় হলেও, আয়ারল্যান্ড হয়তো ভবিষ্যতে এ রান তাড়া করতে গেলে বাড়তি সাহসই পাবে।

Related Articles

নিউজিল্যান্ডে ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

জোন্সকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন ব্রেট লি

বাংলাদেশ গাইডলাইন না মানলে স্থগিত হবে সিরিজ : এসএলসি

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্তে রশিদ খানদের স্বপ্নভঙ্গ

‘বাংলাদেশিরা বাংলাদেশ থেকে শ্রীলঙ্কায় নিরাপদে থাকবে’