Scores

ভীষণ কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু মনকে বলেছিলাম- পারতেই হবে: ইমন

দল যখন বিশ্বকাপ আনন্দে মশগুল, তিনি তখন আবার ব্যস্ত শুশ্রূষায়। ব্যথা ও ঝুঁকি বাড়তে পারে জেনেও পেশির টান উপেক্ষা করে নেমে পড়েছিলেন ক্রিজে। আকবর আলীর সাথে সাবধানী ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে দিয়ে আসলেন, ক্র্যাম্প নিয়েই দ্রুত কিছু রান নিলেন। পারভেজ হোসেন ইমনের এই দৃঢ়তা এত সহজে ভুলবার নয়।

ভীষণ কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু মনকে বলেছিলাম- পারতেই হবে ইমন

আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত-বধের অন্যতম নায়ক ইমন। দলের সেরা স্কোরার, যিনি কিনা শুধু ভারতীয় বোলারদেরই নন, সামলেছেন নিজের চোটটাকেও। এটুকু দ্বিধাহীনভাবে বলা যায়- দলীয় ৬২ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হওয়ার পর ১০২ রানে ফের ক্রিজে না এলে, বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপ জিততেই পারত না!

Also Read - ফাইনালে হাতাহাতির ঘটনায় পাঁচ ক্রিকেটারকে শাস্তি







ইমন জানান, ৩ রানের জন্য অর্ধ-শতক হাতছাড়া হলেও কোনো আক্ষেপ নেই তার। একটি বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘এটাই আমার জীবনের সেরা ইনিংস। পঞ্চাশ করতে পারিনি, তাতে কোনো আক্ষেপ নেই। দেশকে বিশ্বকাপ জেতানোর পিছনে আমারও যে অবদান রয়েছে, তা ভেবে খুব ভালো লাগছে।’

তরুণ এই ওপেনার ইনিংসের শুরুর দিকেই চোটের উপস্থিতি টের পেয়েছেন। কিন্তু দাঁতে দাঁত চেপে যতক্ষণ লড়াই করা যায়, ততক্ষণ হাল ছাড়েননি। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ১৫ রানে ব্যাট করছি, তখনই টের পাচ্ছিলাম যন্ত্রণা হচ্ছে। ২৫ রান করার পরে আর টানতে পারলাম না। মাঠেই শুয়ে পড়ি। ভাবলাম আধ ঘণ্টা যদি বিশ্রাম নিই, তা হলে হয়তো পরে ব্যাট করতে পারব। এ দিকে একের পর এক উইকেট যখন যাচ্ছে, তখন আর ডাগ আউটে বসে থাকতে পারলাম না। নেমেই পড়লাম ব্যাট হাতে।’





‘বিষ্ণই দারুণ বল করছিল। তবে ও আমাকে বিরক্তও করছিল। আমি কিন্তু কোনো জবাব দিইনি। আমি ভাগ্যবান। ওই সময়ে বেঁচে গিয়েছি। পায়ে ক্র্যাম্প থাকায় ঠিক মতো শট খেলতে পারছিলাম না। দৌড়তেও ভীষণ কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু মনকে বলছিলাম, আমাকে পারতেই হবে। এ রকম সুযোগ বার বার পাওয়া যাবে না।’– বলেন ইমন।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
Tweet 20
fb-share-icon20

Related Articles

বিশ্বকাপজয়ী যুবাদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা দেওয়ার দিনক্ষণ চূড়ান্ত

আকবর-ইমনদের লাখ টাকা পুরষ্কার বিকেএসপির

বাংলাদেশ ও ভারতের যুবাদের প্রতি শচীনের বার্তা

বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে মাহমুদুলের ১০০ টাকা পুরস্কার

‘বয়স লুকিয়েছেন’ আকবর আলীরা!