মাঠে উপস্থিত দর্শকদের নিয়ে ‘কোভিড-১৯’ গবেষণা চালাবে ইংল্যান্ড

0
498

কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে মরণঘাতী করোনা ভাইরাসকে পাশ কাটিয়ে দেশে দেশে চলছে ক্রিকেট। তবে ক্রিকেটের প্রাণ হিসেবে পরিচিত সেই দর্শকদের মাঠে প্রবেশ এখনও শতভাগ নিশ্চিত করা যায়নি। এবার যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে দর্শকদের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত গবেষণা চালানোর উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে।

Advertisment
দর্শক ফিরতে যাচ্ছে ভারতের গ্যালারিতে
গ্যালারিতে দর্শক। ফাইল ছবি

 

আগামী জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে সমান সংখ্যক তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান। ১৩ জুলাই সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে বার্মিংহ্যামের এজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। যুক্তরাজ্য সরকারের ইভেন্টস রিচার্স প্রোগ্রামের (ইআরপি) অংশ হিসেবে মাঠে উপস্থিত দর্শকদের নিয়ে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করা হবে।

ওয়ারউইকশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের হোম ভেন্যু এজবাস্টন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের দর্শক ধারণ ক্ষমতা পঁচিশ হাজার। তবে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ধারণ ক্ষমতার ৮০ শতাংশেরও কম উনিশ হাজার দর্শক স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবে।

ইআরপির গবেষণার অংশ হিসেবে মাঠে উপস্থিত ১৬ বছর কম বয়সী দর্শকরা কোন প্রকার সামাজিক দূরত্ব না মেনেই বসতে পারবে। তবে তাদের প্রত্যেকেরই করোনা সনাক্তকরণ পরীক্ষায় নেগেটিভ হতে হবে।

ঐ ম্যাচে মাঠে করতে চাইলে ১১ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়স্কদের সবারই কোভিড-১৯ সনাক্তকরণ পরীক্ষায় নেগেটিভ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, বিগত ১৪ দিনের মধ্যে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী টিকার দুইটি ডোজ সম্পন্ন থাকতে হবে।

এজবাস্টনে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যকর সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ওয়ারউইকশায়ার ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টুয়ার্ট কেইন।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সর্বশেষ টেস্ট ম্যাচে আমাদের নতুন পরিস্থিতিতে বড় পরিসরে ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনের দারুণ অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রযুক্তি এক্ষেত্রে বেশ বড় ভূমিকা রাখে। আমরা আবারও একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে মনোযোগী হব। ক্রিকেট বিশ্বে এজবাস্টনের যে সম্মান আছে, সেটা ধরে রাাখার চেষ্টা করবো।”

জুনে (১০-১৩ জুন) ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকর সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচেও এজবাস্টনে দর্শক প্রবেশের অনুমিত ছিল। সেই দফায় মোট ধারণ ক্ষমতার ৭০ শতাংশ দর্শক মাঠে প্রবেশ করতে পেরেছিল। ঐ টেস্ট ম্যাচ চারদিনে মোট ৬০,০০০ দর্শক গ্যালরিতে বসে খেলা উপভোগ করেছিল। তবে তখন ১৬ বছরের কম বয়সীদের মাঠে প্রবেশের অনুমোদন ছিল না।