Score

মাঠে নামার ঘটনা ব্যাখ্যা তামিমের

বাঁ-হাতের কব্জিতে চিড় ধরায় ছিটকে যাচ্ছেন এশিয়া কাপের দল থেকে। তবুও ব্যাট হাতে দলের প্রয়োজনে মাঠে নেমে অনন্য দৃষ্টান্ত প্রতিস্থাপন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবাল। এবার মাঠে নামার পেছনের গল্প ও সেই সময়কার অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন তিনি।

‘ডানহাতে হৃদয় জিতেছো’, তামিমকে মাশরাফি

রবিবার জাতীয় দৈনিক কালেরকন্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত সবকিছু জানান তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে আবারও মাঠে নামার পরামর্শ মাশরাফি মুর্তজার ছিল তবে অধিনায়কের কথা শুনে সিদ্ধান্তটি পরবর্তীতে নিজেই নিয়েছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

“মাশরাফি ভাই একসময় বললেন, ‘মুশফিক থাকলে ব্যাটিংয়ে যাইস।’ আমি মনে করলাম উনি ফাজলামো করছেন আমার সঙ্গে। তারপর আরো এক-দুইবার বললেন। তখন চিন্তা করলাম, যদি শেষ ওভারে যেতে হয় এবং আমি স্ট্রাইকে না থাকি, তাহলে তো যেতেই পারি। আমি এক কোনায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকব। আমার তো কিছু করতে হবে না। কিন্তু তখন শেষ ওভারও অনেক দূরে। আবার আমাদের উইকেটও পড়ে গেছে বেশ কিছু।”

পরিকল্পনা একভাবে সাজানো হলেও মুশফিক নন-স্ট্রাইকে থাকা অবস্থাতেই মাঠে নামেন তামিম। আর তাকে মাঠে নামতে সাহায্য করেন সতীর্থরা। এক ভাঙ্গা তাই নিজে প্রস্তুত হতে পারছিলেন না। তাই মাশরাফি-মুমিনুলরা এগিয়ে এসে প্রস্তুত করে দেন তাকে।

Also Read - সিপিএলে ত্রিনবাগোর টানা দ্বিতীয় শিরোপা

বাঁহাতি এ ওপেনারকে প্রস্তুত হতে কে কীভাবে সাহায্য করেছিলেন? জানতে চাওয়া হলে তিনি তুলে ধরেন নতুন অভিজ্ঞতার কথা,

“গ্লাভস কেটে দিয়েছেন (মাশরাফি)। এমনকি গার্ডও (অ্যাবডমিনাল গার্ড) পরিয়ে দিয়েছেন। আর প্যাড পরিয়ে দিয়েছিল মুমিনুল। ক্রিকেট ইতিহাসে মনে হয় আমিই প্রথম ক্রিকেটার, যার গার্ড আরেকজন এসে পরিয়ে দিয়েছে! এটা সম্ভবই না পরানো। কিন্তু সেটিও হয়েছে আমার ক্ষেত্রে। আমার কাছে মনে হয়েছিল, গেলে আমি খেলতে পারব।”

তাছাড়া তার ভাঙ্গা কব্জি নিয়ে আবারও মাঠে নামার সিদ্ধান্তে কোচ ও ফিজিও একাধিকবার মানা করেছেন বলেও এসময় জানান তিনি। তবে দলের ও দেশের স্বার্ধে শেষ পর্যন্ত কোচ ও ফিজিওর কথা এক প্রকার অমান্য করেই মাঠে নেমে আসেন তিনি। আর প্রতিস্থাপন করেন বিরল দৃষ্টান্ত।


আরও পড়ুনঃ আমি ভীষণ হতাশ: তামিম

Related Articles

মেডিকেল রিপোর্টের উপরেই নির্ভর করছে সাকিবের এনওসি

এই মিরাজ অনেক আত্মবিশ্বাসী

মিঠুনের ‘মূল চরিত্রে’ আসার তাড়না

‘আঙুলটা আর কখনো পুরোপুরি ঠিক হবে না’

এক নয় মাশরাফির তিন ইনজুরি