মাশরাফির ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আবেগময় ‘২’ মুহূর্ত

0
628

প্রায় ২০ বছর ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে পদচারণা মাশরাফি বিন মুর্তজার। বাংলাদেশের সফল অধিনায়কের আসনে বসে বিদায় নিয়েছেন ওই সিংহাসন থেকে। সতীর্থদের কাছে বটবৃক্ষের মতো হয়ে থাকা এই ক্রিকেটার ক্যারিয়ারে মাত্র দুইটা সময়ে খুব আবেগী হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।

মাশরাফির ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আবেগময় '২' মুহূর্ত

Advertisment

২০০১ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলে অভিষেক হয় মাশরাফির। গত প্রায় ২০ বছরে মাঠে প্রতিপক্ষের থেকে মাঠের বাইরে চোটের সাথেই বেশি লড়াই করেছেন তিনি। এই চোটের সাথে লড়াই করেও বাদ পড়েছিলেন ঘরের মাঠের ২০১১ বিশ্বকাপ থেকে। পুরোপুরি সুস্থ হননি জানিয়ে তাকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তার আগে চিকিৎসকের ছাড়পত্র পেয়েছিলেন মাশরাফি।

ক্যারিয়ারের দুইটা আবেগপ্রবণ সময় নিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘দুইটা সময়ে ক্রিকেটে আমি সবচেয়ে বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে গিয়েছি। প্রথমটা ২০১১ বিশ্বকাপের সময় আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। আমার কাছে পরে মনে হয়েছে, ওইসময়ে আমার উচিত হয়নি। দ্বিতীয়বার যখন আমি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিলাম তখন।’

২০২০ সালের মার্চ মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ দিতে অধিনায়কত্বের ইতি টানেন মাশরাফি। জিম্বাবুয়েকে ধবলধোলাই করেই সিরিজটা জয় করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র অধিনায়ক হিসাবে ৫০টা ম্যাচে জয়ের রেকর্ড গড়ে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড ছেড়ে দেন এই পেসার।

ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আবেগময় এই দুইটা মুহূর্তের কথা মাশরাফি জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তামিম ইকবালের সাথে সরাসরি আড্ডায় এসে। অধিনায়ক মাশরাফির বিদায়বেলায় তাকে কাঁধে তুলে নেয়া তামিম পেয়েছেন পরে সেই অধিনায়কের দায়িত্ব।

মাশরাফি আরও জানান, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার পরও তিনি খুব স্বাভাবিক ছিলেন; তাকে আবেগ ছুঁতে পেরেছিল না এই দুইটা মুহূর্তের মতো।

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।