Scores

রিয়াদের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস মাকে উৎসর্গ

ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক ও টেস্টে নিজের সেরা ইনিংসটি জন্মদাত্রী মা আরাফাত বেগমকে উৎসর্গ করেছেন ঢাকা টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

রিয়াদের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস মাকে উৎসর্গ
শতকের পর রিয়াদের উদযাপন। ছবি: বিডিক্রিকটাইম

আগের দিনের সম্ভাবনাময় ইনিংসে টেনে নিয়ে শনিবার (ম্যাচের দ্বিতীয় দিন) প্রথমে অর্ধ-শতক ও পরে সাফল্যের সাথে শতকেরও দেখা পান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১০টি চারের সহায়তায় ২৪২ বলে ১৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরার আগে নিজের তৃতীয় টেস্ট (যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ষষ্ঠ) শতককে রূপ দেন ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসে।

দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে রিয়াদ জানান, এই শতক তার মায়ের জন্য।

রিয়াদ বলেন, শতক উদযাপনের উদ্দেশ্য আমার পরিবার- স্ত্রী, ছোট বাচ্চা। তবে আমার এই একশটা আমার আম্মুর জন্য উৎসর্গ করতে চাই। আমার প্যারেন্টস, সবার প্যারেন্টসই আসলে দোয়া করেন। আমার শতক তাই আম্মু ডিজার্ভ করেন।’

Also Read - তাইজুলের পরামর্শেই ‘নার্ভাস নাইন্টিজে’ ধীর-স্থির রিয়াদ


এ সময় নিজের ইনিংস নিয়েও কথা বলেন রিয়াদ। তিনি জানান, প্রতিপক্ষের বোলারদের নিয়ে না ভেবে নিজের সামর্থ্য ও পারফরম্যান্সেই মনোযোগ দিয়েছেন তিনি, আর তাতেই এসেছে সাফল্য।

রিয়াদ বলেন, বল কে করবে না করবে সেটা আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না, আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারব আমার মানসিকতা। আমি ইতিবাচক থাকলে খেলতে সুবিধা হবে- এভাবেই চিন্তা করছিলাম।’

উইকেট খুব একটা ব্যাটিং বান্ধব না হলেও রান তোলার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ায় এসেছে বড় ইনিংস- এমনটিও মনে করেন। সবকিছুর পর এখনও রিয়াদ দেখছেন নিজের ব্যাটিংয়ে উন্নতির জায়গা।

তার ভাষ্য, রান করার কথাই ভাবছিলাম। ঐসময় হয়ত এটাই আমার জন্য বেস্ট অপশন ছিল, এভাবেই হয়ত ব্যাটিং করা উচিত ছিল। আজকে আমি বেশ লাকিও ছিলাম। কিছু সিদ্ধান্ত আমার পক্ষে এসেছে। একটা এজ স্লিপে ধরতে পারেনি। তারপরও মনে করি উন্নতির জায়গা রয়েছে, আরও কষ্ট করতে হবে।’

আরও পড়ুন: ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও নৈপুণ্য যোগাচ্ছে আত্মবিশ্বাস

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

ঢাকা টেস্ট ভুলতে পারবেন না পাপন!

ঘুরে দাঁড়ানোর টনিক সাকিবের একটি ‘কথা’

তাইজুলের পরামর্শেই ‘নার্ভাস নাইন্টিজে’ ধীর-স্থির রিয়াদ

ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও নৈপুণ্য যোগাচ্ছে আত্মবিশ্বাস

উইন্ডিজের কাছে এই উইকেট ব্যাটিং-বান্ধব!