Scores

মিরপুরের ডিমেরিট পয়েন্টের বিরুদ্ধে বিসিবির আপিল

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছিল চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম। এরপর সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের জন্য ডিমেরিট পয়েন্ট জুটে ‘হোম অব ক্রিকেট’ নামে পরিচিত মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ভাগ্যে। আড়াই দিনে সম্পন্ন হওয়া ঐ ম্যাচের জন্য ভেন্যুর নামের পাশে ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হওয়ায় বেশ অবাক হয়েছিল দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিবি।

হোম অব ক্রিকেটের ভাগ্যে আবারও ডিমেরিট পয়েন্ট

এবার সেই ডিমেরিট পয়েন্টের বিপরীতে বিসিবির পক্ষ থেকে আপিল করা হয়েছে। এ নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ মার্চ। শুনানিতে উপস্থিত থাকবেন আইসিসির ক্রিকেট জেনারেল ম্যানেজার জিওফ অ্যাল্লারডাইস ও ক্রিকেট কমিটির প্রধান অনিল কুম্বলে।

Also Read - হাই স্কোরিং ম্যাচে জিতল ব্রাদার্স ইউনিয়ন

ইতোমধ্যে মিরপুরের ভাগ্যে জুটেছে তিনটি ডিমেরিট পয়েন্ট। আইসিসির নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পাঁচ বছরের মধ্যে কোনো ভেন্যু মোট পাঁচটি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন থেকে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা পাবে সেটি।

প্রসঙ্গত, এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের আউটফিল্ড ক্রিকেট মাঠের জন্য আদর্শ বিবেচিত না হওয়ায় দুই ডিমেরিট পয়েন্ট পেয়েছিল হোম অব ক্রিকেট, যে ডিমেরিট পয়েন্টের স্থায়িত্বকাল পাঁচ বছর। এ পাঁচ বছরের মধ্যে ডিমেরিট পয়েন্ট সংখ্যা ৫ হলে, আইসিসির নিয়মানুযায়ী ১২ মাসের জন্য ঐ ভেন্যুতে খেলা নিষিদ্ধ করা হবে।

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ঢাকা টেস্টের পর ঐ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করা আইসিসির ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন তার প্রতিবেদনে কেনো ঢাকা টেস্টের পিচকে ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে তার কারণ ব্যাখ্যা করে জানান, প্রথম দিন থেকেই বলে উইকেটের উপরিভাগে ক্ষত সৃষ্টি হতে দেখা গেছে, যেটির কারণে ম্যাচ জুড়ে বাউন্স ছিল অসমান। পাশাপাশি টার্ন ছিল অধারাবাহিক, কখনও কখনও যেটা ছিল মাত্রাতিরিক্ত রকমের। পিচ থেকে বোলাররা খুব বেশি সহায়তা পেয়েছে; ব্যাটসম্যানদের তাদের দক্ষতা দেখানোর যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়নি। এসকল কারণেই পিচকে ‘গড়পড়তা মানের নিচে’ ম্যাচ রেফারিকে উল্লেখ করতে বাধ্য হতে হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ তবুও নিদাহাস ট্রফিতে নিশ্চিত নন সাকিব


Related Articles

‘ডিমেরিট পয়েন্ট নিয়ে ভাবনা নাই’