Scores

মিরাজের কণ্ঠেও রিভিউ কাজে না লাগানোর আক্ষেপ

চট্টগ্রাম টেস্টের পর প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশ দলের রিভিউয়ের ব্যবহার নিয়ে। ঢাকা টেস্টের আগে সেই রিভিউ পোড়াচ্ছে ম্যাচে আলো ছড়ানো মেহেদী হাসান মিরাজকেও। রিভিউ নিয়ে দুই সেট ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরালে ফলাফল বাংলাদেশের পক্ষে থাকত বলে অভিমত মিরাজের।

রিভিউ না নেওয়ার আক্ষেপ মুমিনুলের

উইকেটে সেট হয়ে গেলে পঞ্চম দিনেও কীভাবে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করা যায়, চট্টগ্রাম টেস্টের শেষদিন তার আদর্শ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন কাইল মেয়ার্স ও এনক্রুমাহ বনার। তাদের সাজঘরে ফেরানোর সুযোগ পেলেও বাংলাদেশ কাজে লাগায়নি, যা দিনশেষে পরাজয়ের অন্যতম বড় কারণ।

Also Read - ঢাকা টেস্টে সাকিবের বদলি সৌম্য


অথচ মেয়ার্স ও বনার দুইজনকেই ইনিংসের শুরুর দিকে সাজঘরে ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। মেয়ার্স ৪৭ রানে ব্যাট করার সময় তাইজুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউ হতে পারতেন। আম্পায়ার সাড়া না দেওয়ায় বাংলাদেশ রিভিউয়ের আশ্রয়ও নেয়নি। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, বলটি লেগ স্ট্যাম্পে আঘাত করত। বনার ২৫ রানে ব্যাট করার সময় নাঈম হাসানের বলে এলবিডব্লিউ থেকে বাঁচেন, এবারো টাইগারদের একই ভুল। ৪৯ রানে মেয়ার্সের ক্যাচ হাতছাড়া করেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচ শেষের দৃশ্যপট ভিন্ন হতে পারত।

মিরাজের কণ্ঠেও সেই সুযোগ হাতছাড়ার আক্ষেপ। তিনি বলেন, ‘তাইজুল ভাই খুব ভালো বোলিং করেছে। আমি বা নাঈম যদি আরেকটু ভালো বোলিং করতাম হয়ত ওদের আরও একটা উইকেট পড়ার সুযোগ হত হয়ে যেত। ওরা হয়ত খুব ভালো, অসাধারণ ব্যাটিং করেছে, দুইজনই দুই সেশনে খেলেছে। আমরা যদি চান্সগুলো নিতে পারতাম, তাহলে হয়ত আমাদের পক্ষে থাকত। ওখানে একটা-দুইটা উইকেট… একটা উইকেটই অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ পরের ব্যাটসম্যানের জন্য এত সহজ হত না খেলা। তাই আমরা ভুল করে গেছি। চেষ্টা করব যেসব ভুল করেছি সেগুলো যেন পরের ম্যাচে না করি।’

মিরাজের হতাশা আছে উইকেট নিয়েও। টেস্টের পঞ্চম দিনেও ব্যাটসম্যানদের সাবলীল ব্যাটিং কাঠগড়ায় দাঁড় করেছে সাগরিকার উইকেটকে। মিরাজ বলেন, ‘আমরা যেরকম প্রত্যাশা করছিলাম সেরকম হয়নি। শেষদিন দিন কিন্তু আন-ইভেন ওরকম কিছুই হয়নি উইকেট থেকে। উইকেটের বাইরে যা রাফ ছিল ওখান থেকে হয়ত কিছুটা হচ্ছিল, কিন্তু যেখানে গুড লেন্থ এরিয়ায় এত বেশি হয়নি। তারপরও আমাদের স্পিনাররা ভালো করার চেষ্টা করেছে। দুই-একটা বল খারাপ হয়েছে, সেখান থেকে বাউন্ডারির সুযোগ হয়ে গিয়েছে।’

Related Articles

ডমিঙ্গোকে ‘বলির পাঁঠা’ না বানানোর আহ্বান সুজনের

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ফ্র্যাঞ্চাইজিদের প্রতি কৃতজ্ঞ মুস্তাফিজ

বাংলাদেশকে হারানোর পুরস্কার পেলেন মেয়ার্স-বোনাররা

টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে তামিম, মুশফিক, মুমিনুল ও তাইজুলের উন্নতি

জাতীয় দলের অনুশীলনে দুই লেগ স্পিনার