Scores

মুশফিকের কাছে উইকেটকিপিং হারানোয় আক্ষেপ নেই পাইলটের

বাংলাদেশের ক্রিকেটে তার যে অবদান, সেই অনুযায়ী পরিসংখ্যান আরও সমৃদ্ধ হতে পারত। তবে দলের প্রয়োজন মেটাতে নিজের সামর্থ্যের সবটুকু দিতে না পারা খালেদ মাসুদ পাইলটকে অকালেই সরে যেতে হয়েছে অন্যদের পথ ছেড়ে দিয়ে। বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক গ্লাভসজোড়া ছেড়ে দিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিমকে। যদিও এ নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই তার।

মুশফিকের কাছে উইকেটকিপিং হারানোয় আক্ষেপ নেই পাইলটের

২০০৭ বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়ায় পাইলটকে নিয়ে হইচই পড়ে যায়। সেই বিশ্বকাপে উইকেটরক্ষক হিসেবে গিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। টগবগে তরুণ মুশফিকের জন্য নিজের সুযোগ হাতছাড়া করা সাবেক উইকেটরক্ষক পাইলট এ নিয়ে কোনো আক্ষেপই পুষে রাখেননি। যদিও ঘটনাটি তৎক্ষণাৎ কষ্ট দিয়েছিল তাকে।

Also Read - ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক স্টোকস






সম্প্রতি বিডিক্রিকটাইম এর সাথে আলাপকালে পাইলট বলেন, ‘খেলোয়াড় হিসেবে তখনো কোনো আক্ষেপ ছিল না আমার। খেলোয়াড়দের দায়িত্ব হচ্ছে খেলা। দল বাছাইয়ের কাজ নির্বাচকদের। অনেক খেলোয়াড় আসবে, কেউ সুযোগ পাবে, কেউ পাবে না। আমার পারফরম্যান্স হয়ত ওরকম ছিল না, যে কারণে আমি সুযোগ পাইনি।’

অবশ্য পরিসংখ্যান বা পাইলটের তৎকালীন ফর্ম বলবে, দীর্ঘদিন অতন্দ্র প্রহরীর মত উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপ খেলার পূর্ণ যোগ্যতাই রাখতেন পাইলট। মুশফিককে দলে পোক্ত করতে গিয়ে পাইলটকে ছুঁড়ে ফেলা হচ্ছে কি না, এ নিয়ে সেই সময়ে অনেক মাতামাতিও হয়েছিল।






তবে পাইলটের ভাষ্য, ‘নির্বাচকদের আমি সবসময় শ্রদ্ধা করি। ম্যানেজমেন্টের অধিকার আছে ভালো পারফরম্যান্সের জন্য দল সাজানো। খেলোয়াড়ের উচিৎ সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করা। মন তো খারাপ থাকবেই। বাদ পড়লে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ লাগে। কিন্তু মন খারাপ রেখে দিলে হবে না। বুঝতে হবে- আমিই হয়ত আমাকে বাদ দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছি। তাই এমনভাবে পারফর্ম করতে হবে- যাতে আমাকে বাদ দেওয়ার চিন্তা করতে না পারে, আমাকে রেখেই দল সাজাতে হয়।’

পাইলট মনে করেন, নির্বাচকদের জায়গায়ও আছে পারফরম্যান্স প্রদর্শনের সুযোগ। তাই দল থেকে বাদ পড়া বা দলে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টিকে আগাগোড়া পেশাদারিত্বের মোড়কে ঢেকে রাখতে চান তিনি। তার সময়ে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সেরা উইকেটরক্ষক। উইকেটরক্ষকদের মাঝে টাইগারদের সর্বকালের সেরা কে, এই প্রশ্নের জবাবে অবশ্য একটু কৌশলীই হলেন।

পাইলট বলেন, ‘এই মুহূর্তে এটা বলা কঠিন। এখনকার সবাই আমার ছোট ভাইয়ের মত। প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে ভালো। লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম, নুরুল হাসান সোহান সবাই খুব ভালো; কেউই খারাপ নয়।’

বল বাই বল লাইভ স্কোর পেতে আর নয় বিদেশি অ্যাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাম্প্রতিক খবর এবং বল বাই বল লাইভ স্কোর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে BDCricTime সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান ক্রিকেট অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

 

Related Articles

পাইলটের প্রতি ‘স্পোর্টসম্যানশিপ’ দেখিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন পিটারসেন

ছোটবেলা থেকে পাইলটকে অনুসরণ করতেন সাব্বির

বাংলাদেশে কোচ হওয়া ‘ঝুঁকিপূর্ণ’, বলছেন পাইলট

মাঠ থেকে অবসর নেওয়ার সংস্কৃতি চান পাইলট-আশরাফুল

‘যেকোনো সময় বিশ্বকাপ জিতবে বাংলাদেশ’