মুশফিক কোথায় পেয়েছেন এই আত্মবিশ্বাস?

ব্যাট করতে নেমে টপ অর্ডারের হুড়মুড় করে ভেঙে পড়া এবং মিডল অর্ডারের উপর পাহাড়সম চাপ… এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিংয়ের নিয়মিত চিত্র যেন। সেই কঠিন চাপ যেদিন মিডল অর্ডার সামলাতে পেরেছে, সেদিন ভালো করেছে দল। দুই ম্যাচে চাপ আর সামলানো যায়নি, ফল হিসেবে এসেছে পরাজয়।

মুশফিক কোথায় পেয়েছেন এই আত্মবিশ্বাস?

একই চাপ তৈরি হয়েছিল বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে, এশিয়া কাপের অঘোষিত সেমিফাইনালে। প্রথম ম্যাচের মত এই চাপ সামলানোর দায়িত্ব বর্তেছিল মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুনের ঘাড়ে। আর ঠিক অনেকটা শ্রীলঙ্কা ম্যাচের মত করেই দুজন পথ দেখিয়েছেন দলকে, গড়ে তুলেছিলেন প্রতিরোধ।

চাপে পড়েও মুশফিকের এই সাবলীল ব্যাটিংয়ের রহস্য নিশ্চয়ই যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস। কিন্তু মুশফিক এই আত্মবিশ্বাসই বা পেলেন কোথায়? প্রশ্ন জাগাই স্বাভাবিক। মুশফিক ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন তার এই আত্মবিশ্বাসের উৎস।

Also Read - ভিডিওঃ মাশরাফির দুর্দান্ত উড়ন্ত ক্যাচ

মুশফিক জানান, তার অনুশীলনের পন্থাই এনে দিয়েছে এই আত্মবিশ্বাস। প্রস্তুতিই তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে বলে জানান তিনি, যেভাবে অনুশীলন করি এবং প্রস্তুতি নিই, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণএটা আমাকে আত্মবিশ্বাস জোগায়বেশির ভাগ সময়েই সঠিক সিদ্ধান্ত নেই

পাকিস্তানের ভালো মানের বোলারদের বিপক্ষে মুশফিকের দুর্দান্ত ব্যাটিং নজর কেড়েছে সবার। মুশফিক জানালেন, এটি তার নিজের উপর নিজের বিশ্বাস রাখারই ফল। সেই সাথে কৃতিত্ব দিয়েছেন চতুর্থ উইকেটে দারুণ জুটি গড়তে সাহায্য করা মিঠুনকেও।

মুশফিক বলেন, ‘নিজের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলাম এবং মিঠুনও দারুণ ব্যাটিং করেছে। দ্রুত উইকেট পড়ায় তাকে বলেছিলাম, আমাদের উইকেটে জমে যেতে হবে।’

বুধবার টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ দ্রুত টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লে দলের হাল ধরেন মুশফিক। নয়টি চারের সহায়তায় ১১৫ বলে ৯৯ রান করার পর নিজের খেলা ১১৬তম বলে শাহিন আফ্রিদির ডেলিভারিকে পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের ক্যাচ হিসেবে তুলে দেন তিনি। এতে ১ রানের আক্ষেপ নিয়েই সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে।

আরও পড়ুন: ভিডিওঃ পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিজয়ের মুহূর্ত

Related Articles

স্পট ফিক্সিংয়ের প্রশ্নে ১৫ ম্যাচ

মান বাঁচানোর ইনিংস দিয়েই জাত চেনালেন ইমরুল

ইমরুলের বীরত্বে বাংলাদেশের জয়

লিটন ও রাব্বিকে হারানোর পর লড়ছেন ইমরুল-মুশফিক

২০২৩ বিশ্বকাপেও অংশ নেবে ১০টি দল