Scores

মুস্তাফিজকে ‘তুলোধুনো’ করার রহস্য জানালেন শানাকা

হাঁকিয়েছেন মোটে ৯টি ছক্কা, সবকটিই শেষ ৩ ওভারে। বিধ্বংসী রূপে দাসুন শানাকা বুধবার (১১ ডিসেম্বর) হয়ে উঠেছিলেন দলের আদর্শ নেতা। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক ৩১ বলে ৭৫ রানের এক মারকুটে ইনিংস খেলে হয়ে থাকলেন জয়ের নায়কও।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শানাকা তার হাঁকানো বিরাট ছক্কাগুলো নিয়ে কথা বলেন। প্রতিপক্ষ রংপুর রেঞ্জার্সের অন্যতম বড় বোলিং অস্ত্র মুস্তাফিজুর রহমানকে টানা চারটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। একটি শট তো স্টেডিয়ামই ছাড়িয়ে যায়।

Also Read - আগে ব্যাট করেই ভারতের সিরিজ জয়







মুস্তাফিজের মত বোলারের বিপক্ষে কীভাবে সফল হলেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে শানাকা জানান, ‘তার বিরুদ্ধে আমি ৩-৪ বার খেলেছি। ও কেমন পরিকল্পনা করতে পারে তা অজানা ছিল না। তার লুজ বলের অপেক্ষা করছিলাম আমি।’

বড় যে ছক্কাটি হাঁকিয়ে চোখ ধাধিয়েছেন সবার, শানাকা নাকি এর চেয়েও বড় ছক্কা হাঁকিয়েছেন। লঙ্কান ক্রিকেটার ছক্কা হাঁকাতে কতটা পারদর্শী, সেটি স্পষ্ট অবশ্য ওমন ঝড়ো ইনিংসের পরই।





শানাকা বলেন, ‘এটাই অবশ্য সবচেয়ে বড় ছক্কা নয়। আমি এর চেয়েও বড় ছক্কা হাঁকিয়েছি। তবে ছক্কাগুলো খুব উপভোগ করছিলাম।’

শানাকাকে দেখতে অতোটা শক্তিশালী মনে হবে না কারো। আবার নিজেও বলছেন, ছক্কার জন্য আলাদাভাবে তেমন অনুশীলনও করেন না। তাহলে কীভাবে হাঁকালেন এত বড় বড় শট?

শানাকার জবাব, ‘ট্রেনিং থেকেই এমনটি আসে। দেশে আমি অনেক কঠোর প্রস্তুতি নেই। এটাই সেই প্রস্তুতির ফলাফল। ছক্কার জন্য আমি তেমন কোনো অনুশীলন করি না। টেকনিক কাজে লাগাই। শক্তি মূল কথা নয়। স্কিল ও টেকনিকই ছক্কার জন্য বড় বিষয়।’

প্রথমবারের মত বিডিক্রিকটাইম নিয়ে এলো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন। বাংলাদেশ এবং সকল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বল বাই বল লাইভ স্কোর, এবং সাম্প্রতিক নিউজ সহ সবকিছু এক মুহূর্তেই পাবেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অনলাইন পোর্টাল BDCricTime এর অ্যাপে। অ্যাপটি ডাউনলোড করতে গুগল প্লে-স্টোর থেকে সার্চ করুন BDCricTime অথবা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

 

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Related Articles

বিসিবির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে গিবসন

মুশফিক-মিরাজের ব্যাটিং তাণ্ডবে প্লে-অফে খুলনা

ভিডিওঃ সাব্বিরের ৬২ রানের ঝড়ো ইনিংস

ফ্রাইলিঙ্কের গতিতে বৃথা গেল সাব্বিরের ঝড়

মালানের কাছে সৌম্যই ‘ম্যান অব দ্যা ম্যাচ’