Scores

মোটা অঙ্কের ভর্তুকিসহ চলবে যুবাদের প্রশিক্ষণ

আগে দেখা গেছে হাতে গোনা কয়েকজন বাদে অনূর্ধ্ব ১৯ দলে প্রতিভার স্বাক্ষর রাখা অনেক ক্রিকেটারই পরবর্তীতে হারিয়ে গিয়েছেন। এবার আর সেই ভুলের পুনারাবৃত্তি দেখতে চায় না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তাইতো বিশ্বকাপজয়ী এই দলটাকে ১ লক্ষ টাকা মাসিক ভুর্তকির সাথে সাথে বিশেষ প্রশিক্ষণের মধ্যে রাখার পরিকল্পনা করেছে বোর্ড।

মোটা অঙ্কের ভুর্তকিসহ চলবে যুবাদের প্রশিক্ষণ
সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক আকবর আলি ও বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ছবি- বিডিক্রিকটাইম।

 

বিশ্বকাপজয়ী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল দেশে ফেরার পরে হুলস্থূল কাণ্ড ঘটে গেছে যুবাদের নিয়ে। বাদ্যবাজনা, ফুলেল শুভেচ্ছা, লাল গালিচা বিছিয়ে তাদের বরণ করে নেয়া হয়েছে। এসবের পরে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে যোগ দিয়ে এই দলকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

Also Read - ধোনির সাথে তুলনা করাকে বাড়াবাড়ি বললেন আকবর


ক্রিকেটারদের কোনো চিন্তা না করে শুধুই ক্রিকেটে মনোনিবেশ করার তাগিদ দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি, ‘এই জায়গায় যেতে ওদের অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে কিন্তু সামনের চ্যালেঞ্জগুলো আরও অনেক কঠিন। সেই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করেই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তাই ওদেরকে আমরা বলেছি, আর্থিক বা কোনো কিছু নিয়েই চিন্তা না করে শুধু খেলায় মনোযোগ দিতে।’

আগে যে প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা একটা পর্যায়ের পরে হারিয়ে গেছেন সেই কথা স্বীকার করে নিয়েছেন পাপন। সামনের দিনগুলোতে একই ভুল করতে চায় না বিসিবি। জাতীয় দলকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে এই বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটারদের আরও দুই বছর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে জাতীয় দলে খেলানোর চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে।

পাপনের ভাষায়, ‘আগে অনূর্ধ্ব ১৯ এর পরে অনেকে হারিয়ে গেছে। তাই আমরা ঠিক করেছি, আরেকটা দল অনূর্ধ্ব ২১ গঠন করব। ওদেরকে আরও ২ বছর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের দক্ষতার বৃদ্ধির কাজ করা হবে। এই দুই বছর তারা প্রতি মাসে ১ লক্ষ টাকা করে ভুর্তকি পাবে। যদি ২ বছর পরে দেখি তখনও ওরা ভালো করছে তাহলে এর মেয়াদ আরও বাড়তে পারে। যদি দেখা যায় কারো মধ্যে বিচ্যুতি ঘটেছে বা উন্নতি হচ্ছে না কিংবা তার আগ্রহ কম তাহলে সে চুক্তি থেকে বাদ পড়বে।’

বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বার্থে যত দরকার হয় খরচ করতে রাজি বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি, ‘এছাড়া তাদের উন্নতির জন্য যত রকম সুযো-সুবিধা দরকার সব বোর্ড দেখবে এবং খরচ করবে। এটাতে আমাদের ফান্ডিং অসীম, যত লাগে দেয়া হবে। কারণ আমরা চাই, দুই বছর পরে যেন তারা প্রত্যেকেই আরও পরিণত হোক, জাতীয় দলে ঢোকা তাদের জন্য সহজ হোক। এছাড়া শুধু ট্রেনিং না ওদের জন্য বাইরের দেশে ম্যাচ খেলার ব্যবস্থাও করা হবে।’

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
Tweet 20
fb-share-icon20

Related Articles

২০২৩ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে আকবরদের

ধোনির সাথে তুলনা করাকে বাড়াবাড়ি বললেন আকবর

বিশ্বকাপ নিয়ে দেশে ফিরল আকবর-ইমনরা

ক্রিকইনফোর বিশ্বসেরা একাদশেও নেতৃত্বে আকবর

অনুভূতিটা বলে প্রকাশ করার মতো না, অবিশ্বাস্য!